মনের কষ্টে পরিষদে আসেন না চেয়ারম্যান!
jugantor
মনের কষ্টে পরিষদে আসেন না চেয়ারম্যান!

  একরামুল ইসলাম, পীরগাছা (রংপুর)  

০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১৮:২৮:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুরের পীরগাছায় ৮নং কৈকুড়ী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সন্ধ্যার পরও জাতীয় পতাকা উড়তে দেখা গেছে। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত জাতীয় পতাকা উড়ানোর নিয়ম থাকলেও এ নিয়ম ভঙ্গ করতে দেখা গেছে ওই ইউনিয়ন পরিষদে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে কৈকুড়ী ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা গেছে এ চিত্র। পরিষদের প্রাঙ্গণে সন্ধ্যার পর জাতীয় পতাকা উড়তে দেখা যাওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির নেতার কাছে হেরে গিয়ে মনের কষ্টে পরিষদে আসেন না বলে মোবাইল ফোনে স্বীকার করেছেন বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম লেবু মণ্ডল।

স্থানীয়রা বলেন, ৩০ লাখ শহীদ ও ৩ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা পেয়েছি। এই পতাকার অবমাননা মেনে নেওয়া যায় না। জাতীয় পতাকা একটি দেশের স্বাধীনতার প্রতীক। এই পতাকার যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। কৈকুড়ী ইউনিয়ন প্রাঙ্গণে প্রায়ই রাতে জাতীয় পতাকা উড়তে দেখা যায় বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা আরও বলেন, জাতীয় পতাকার অবমাননার করার অর্থ হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করা। স্বাধীন বাংলাদেশকে অস্বীকার করা। ইউনিয়ন পরিষদে জাতীয় পতাকার সম্মান নষ্ট হয়; তাহলে তাদের কাছ থেকে নতুন প্রজন্ম কী শিখবে? এমন প্রশ্ন রাখেন স্থানীয় সচেতন মানুষ।

কৈকুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম লেবু মণ্ডল জানান, আমি এবারের নির্বাচনে হেরে গেছি। আর কয়েক দিন আছি। তারপর নতুন চেয়ারম্যান আসবে। আসলে মনের কষ্টে কিছুদিন ধরে পরিষদে আসা হয় না; তাই হয়তো এমনটা হয়েছে। পরে চেয়ারম্যানের নির্দেশে পরিষদের গ্রামপুলিশ তড়িঘড়ি করে জাতীয় পতাকা নামিয়ে ফেলেন।

এ বিষয়ে পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ শাসুল আরেফীন বলেন, সন্ধ্যার পর জাতীয় পতাকা যদি উত্তোলন করা থাকে তাহলে বিষয়টি গুরুতর অপরাধ। খোঁজ নিয়ে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান তিনি।

মনের কষ্টে পরিষদে আসেন না চেয়ারম্যান!

 একরামুল ইসলাম, পীরগাছা (রংপুর) 
০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:২৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুরের পীরগাছায় ৮নং কৈকুড়ী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সন্ধ্যার পরও জাতীয় পতাকা উড়তে দেখা গেছে। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত জাতীয় পতাকা উড়ানোর নিয়ম থাকলেও এ নিয়ম ভঙ্গ করতে দেখা গেছে ওই ইউনিয়ন পরিষদে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে কৈকুড়ী ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা গেছে এ চিত্র। পরিষদের প্রাঙ্গণে সন্ধ্যার পর জাতীয় পতাকা উড়তে দেখা যাওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির নেতার কাছে হেরে গিয়ে মনের কষ্টে পরিষদে আসেন না বলে মোবাইল ফোনে স্বীকার করেছেন বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম লেবু মণ্ডল।

স্থানীয়রা বলেন, ৩০ লাখ শহীদ ও ৩ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা পেয়েছি। এই পতাকার অবমাননা মেনে নেওয়া যায় না। জাতীয় পতাকা একটি দেশের স্বাধীনতার প্রতীক। এই পতাকার যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। কৈকুড়ী ইউনিয়ন প্রাঙ্গণে প্রায়ই রাতে জাতীয় পতাকা উড়তে দেখা যায় বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা আরও বলেন, জাতীয় পতাকার অবমাননার করার অর্থ হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করা। স্বাধীন বাংলাদেশকে অস্বীকার করা। ইউনিয়ন পরিষদে জাতীয় পতাকার সম্মান নষ্ট হয়; তাহলে তাদের কাছ থেকে নতুন প্রজন্ম কী শিখবে? এমন প্রশ্ন রাখেন স্থানীয় সচেতন মানুষ।

কৈকুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম লেবু মণ্ডল জানান, আমি এবারের নির্বাচনে হেরে গেছি। আর কয়েক দিন আছি। তারপর নতুন চেয়ারম্যান আসবে। আসলে মনের কষ্টে কিছুদিন ধরে পরিষদে আসা হয় না;  তাই হয়তো এমনটা হয়েছে। পরে চেয়ারম্যানের নির্দেশে পরিষদের গ্রামপুলিশ তড়িঘড়ি করে জাতীয় পতাকা নামিয়ে ফেলেন।

এ বিষয়ে পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ শাসুল আরেফীন বলেন, সন্ধ্যার পর জাতীয় পতাকা যদি উত্তোলন করা থাকে তাহলে বিষয়টি গুরুতর অপরাধ। খোঁজ নিয়ে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন