যুবলীগের সভায় ১০ কর্মী ছুরিকাঘাতে আহত
jugantor
যুবলীগের সভায় ১০ কর্মী ছুরিকাঘাতে আহত

  যশোর ব্যুরো  

০১ ডিসেম্বর ২০২১, ২০:২৫:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোর জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পৃথক ছুরিকাঘাতে ১০ যুবলীগ কর্মী আহত হয়েছেন।

বুধবার দুপুরে শহরের ঝালাইপট্টি ও টাউন হল ময়দানে এ ঘটনা ঘটে। জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে তারা শহরে আসেন। এ ঘটনার পর থেকে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আহতরা হলেন— সদর উপজেলার রবিউল ইসলামের ছেলে খাইরুল ইসলাম (২০), চুড়ামণকাটি গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে আকিবুল ইসলাম (১৭), শহরের মুড়লি এলাকার সুফিয়ানের ছেলে রাব্বি (১৮), রুপদিয়া এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে শামীম হোসেন (২২), ঝুমঝুমপুর এলাকার মুরাদ হোসেনের ছেলে রাসেল (১৭), চাঁচড়ার জাকির হোসেনের ছেলে জয় আহম্মেদ (১৭), ধর্মতলা এলাকার বাদল গোপালের ছেলে গোষ্ঠ গোপাল (২০), স্বপন সরদারের ছেলে সোহাগ সরদার (২১), আরএন রোড এলাকার শফি ড্রাইভারের ছেলে হ্যাপি (১৭) ও হামিদপুর এলাকার রেজাউল ইসলামের ছেলে টিটো (১৮)। আহতদের মধ্যে রাসেল হোসেন, হ্যাপি, খায়রুল, টিটু ও আকিবুলকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সূত্রে জানা গেছে, ১৮ বছর পর যশোর জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে যশোর শহরের সিটিটিএস মিলনায়তনে যশোর জেলা ও ৮ উপজেলার নেতারা অংশ নেন। বর্ধিত সভায় অংশ নিতে জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় চত্বরে জড়ো হন যুবলীগের পদপ্রত্যাশী দুই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম জুয়েল ও আনোয়ার হোসেন বিপুলের কর্মী-সমর্থকরা।

এরপর দুই গ্রুপের স্লোগানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় শহরের গাড়িখানা রোডে। একপর্যায়ে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপে সংঘর্ষ বাধে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় শহরের বিভিন্ন স্থানে দুই গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে ছুরিকাঘাতে ১০ জন আহত হন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত রাসেল বলেন, সকালে যুবলীগের বর্ধিত সভায় মিছিল নিয়ে শহরের চিত্রার মোড়ে আওয়ামী লীগের অফিসের সামনে আসছিলাম। মিছিল শেষে বাড়ি ফেরার পথে ঝালাইপট্টি পৌঁছালে হ্যাপি তার লোকজন নিয়ে আমাকে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় হাসপাতালে আসি।

আহত হ্যাপি জানান, রাসেলকে কে ছুরি মেরেছে আমার জানা নেই। যুবলীগের মিছিল শেষে রাসেল লোকজন নিয়ে আমাকে ছুরি মেরে আহত করেছে। স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

একই ঘটনায় খায়রুলকে টাউন হল ময়দানে ছুরিকাঘাত করে আহত করা হয়। তারা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার এম আব্দুর রশিদ বলেন, হ্যাপি, খায়রুল ও আকিবুলের শরীর থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। রক্ত বন্ধ করা যাচ্ছে না। তিনজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।

এ বিষয়ে পুলিশের মুখপাত্র রুপন কুমার সরকার বলেন, ছিনতাইকারী হ্যাপি তার ব্যক্তিগত পূর্ব আক্রোশে শামীমকে ছুরিকাঘাত করে। এরই জের ধরে শামীমের লোকজন টিটু, হ্যাপি, খাইরুলদের ছুরিকাঘাত করে জখম করে। এ ঘটনার সঙ্গে যুবলীগের বর্ধিত সভার কোনো সম্পর্ক নেই। তারা কোনো রাজনৈতিক দলের মতাদর্শের কিনা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

যুবলীগের সভায় ১০ কর্মী ছুরিকাঘাতে আহত

 যশোর ব্যুরো 
০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:২৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোর জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পৃথক ছুরিকাঘাতে ১০ যুবলীগ কর্মী আহত হয়েছেন।

বুধবার দুপুরে শহরের ঝালাইপট্টি ও টাউন হল ময়দানে এ ঘটনা ঘটে। জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে তারা শহরে আসেন। এ ঘটনার পর থেকে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আহতরা হলেন— সদর উপজেলার রবিউল ইসলামের ছেলে খাইরুল ইসলাম (২০), চুড়ামণকাটি গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে আকিবুল ইসলাম (১৭), শহরের মুড়লি এলাকার সুফিয়ানের ছেলে রাব্বি (১৮), রুপদিয়া এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে শামীম হোসেন (২২), ঝুমঝুমপুর এলাকার মুরাদ হোসেনের ছেলে রাসেল (১৭), চাঁচড়ার জাকির হোসেনের ছেলে জয় আহম্মেদ (১৭), ধর্মতলা এলাকার বাদল গোপালের ছেলে গোষ্ঠ গোপাল (২০), স্বপন সরদারের ছেলে সোহাগ সরদার (২১), আরএন রোড এলাকার শফি ড্রাইভারের ছেলে হ্যাপি (১৭) ও হামিদপুর এলাকার রেজাউল ইসলামের ছেলে টিটো (১৮)। আহতদের মধ্যে রাসেল হোসেন, হ্যাপি, খায়রুল, টিটু ও আকিবুলকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সূত্রে জানা গেছে, ১৮ বছর পর যশোর জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে যশোর শহরের সিটিটিএস মিলনায়তনে যশোর জেলা ও ৮ উপজেলার নেতারা অংশ নেন। বর্ধিত সভায় অংশ নিতে জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় চত্বরে জড়ো হন যুবলীগের পদপ্রত্যাশী দুই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম জুয়েল ও আনোয়ার হোসেন বিপুলের কর্মী-সমর্থকরা।

এরপর দুই গ্রুপের স্লোগানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় শহরের গাড়িখানা রোডে। একপর্যায়ে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপে সংঘর্ষ বাধে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় শহরের বিভিন্ন স্থানে দুই গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে ছুরিকাঘাতে ১০ জন আহত হন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত রাসেল বলেন, সকালে যুবলীগের বর্ধিত সভায় মিছিল নিয়ে শহরের চিত্রার মোড়ে আওয়ামী লীগের অফিসের সামনে আসছিলাম। মিছিল শেষে বাড়ি ফেরার পথে ঝালাইপট্টি পৌঁছালে হ্যাপি তার লোকজন নিয়ে আমাকে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় হাসপাতালে আসি।

আহত হ্যাপি জানান, রাসেলকে কে ছুরি মেরেছে আমার জানা নেই। যুবলীগের মিছিল শেষে রাসেল লোকজন নিয়ে আমাকে ছুরি মেরে আহত করেছে। স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

একই ঘটনায় খায়রুলকে টাউন হল ময়দানে ছুরিকাঘাত করে আহত করা হয়। তারা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার এম আব্দুর রশিদ বলেন, হ্যাপি, খায়রুল ও আকিবুলের শরীর থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। রক্ত বন্ধ করা যাচ্ছে না। তিনজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।

এ বিষয়ে পুলিশের মুখপাত্র রুপন কুমার সরকার বলেন, ছিনতাইকারী হ্যাপি তার ব্যক্তিগত পূর্ব আক্রোশে শামীমকে ছুরিকাঘাত করে। এরই জের ধরে শামীমের লোকজন টিটু, হ্যাপি, খাইরুলদের ছুরিকাঘাত করে জখম করে। এ ঘটনার সঙ্গে যুবলীগের বর্ধিত সভার কোনো সম্পর্ক নেই। তারা কোনো রাজনৈতিক দলের মতাদর্শের কিনা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন