প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ
jugantor
প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ

  বগুড়া ব্যুরো  

০১ ডিসেম্বর ২০২১, ২৩:৩১:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের নাটাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ উঠেছে।

ওই ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) প্রার্থী ইউনুস আলী আকন্দ বুধবার এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

সদস্য প্রার্থী ইউনুস আলী আকন্দ বলেন, তিনি গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে তালা মার্কা নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। গত ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নাটাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন মথুরাপুর জিএমসি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক জিয়াউর রহমান ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ছিলেন সোনারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গোলাম মোস্তফা।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রিসাইডিং অফিসাররা নির্বাচনে সঠিকভাবে ভোট গণনা না করে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে ৮০৬ ভোট দেখিয়ে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী টিউবওয়েল মার্কার প্রার্থীকে ৮০৮ ভোট দেখিয়ে বিজয়ী ঘোষণা করেন। কিন্তু বারবার অনুরোধ করার পরও তারা ভোট পুনরায় গণনা না করেই চলে যান।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচিত হওয়ার পরও অর্থের বিনিময়ে তারা তাকে দুই ভোটে পরাজিত করেছে। তাই এ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

অভিযোগের ব্যাপারে প্রিসাইডিং অফিসার মথুরাপুর জিএমসি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক জিয়াউর রহমান বলেন, ভোট গণনার সময় ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পুনরায় ভোট গণনা করতে আরও সময় লাগবে তাই তা সম্ভব হয়নি। তবে অর্থের বিনিময়ে অন্য প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণার অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

ধুনট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোকাদ্দেস আলী জানান, পরাজিত ওই প্রার্থী ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করতে পারেন। অনুমতি পেলে দুই প্রার্থী ও ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পুনরায় ভোট গণনা করা যেতে পারে। এছাড়া তার আর কিছু করার নেই।

প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ

 বগুড়া ব্যুরো 
০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের নাটাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ উঠেছে।

ওই ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) প্রার্থী ইউনুস আলী আকন্দ বুধবার এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

সদস্য প্রার্থী ইউনুস আলী আকন্দ বলেন, তিনি গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে তালা মার্কা নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। গত ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নাটাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন মথুরাপুর জিএমসি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক জিয়াউর রহমান ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ছিলেন সোনারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গোলাম মোস্তফা।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রিসাইডিং অফিসাররা নির্বাচনে সঠিকভাবে ভোট গণনা না করে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে ৮০৬ ভোট দেখিয়ে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী টিউবওয়েল মার্কার প্রার্থীকে ৮০৮ ভোট দেখিয়ে বিজয়ী ঘোষণা করেন। কিন্তু বারবার অনুরোধ করার পরও তারা ভোট পুনরায় গণনা না করেই চলে যান।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচিত হওয়ার পরও অর্থের বিনিময়ে তারা তাকে দুই ভোটে পরাজিত করেছে। তাই এ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

অভিযোগের ব্যাপারে প্রিসাইডিং অফিসার মথুরাপুর জিএমসি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক জিয়াউর রহমান বলেন, ভোট গণনার সময় ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পুনরায় ভোট গণনা করতে আরও সময় লাগবে তাই তা সম্ভব হয়নি। তবে অর্থের বিনিময়ে অন্য প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণার অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

ধুনট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোকাদ্দেস আলী জানান, পরাজিত ওই প্রার্থী ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করতে পারেন। অনুমতি পেলে দুই প্রার্থী ও ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পুনরায় ভোট গণনা করা যেতে পারে। এছাড়া তার আর কিছু করার নেই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন