দুদকের মামলায় আ.লীগ নেতার ভাই কারাগারে
jugantor
দুদকের মামলায় আ.লীগ নেতার ভাই কারাগারে

  সিলেট ব্যুরো  

০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:৩৩:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

ভুয়া দলিলে ৪ কোটি টাকার সরকারি সম্পদ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলীর ভাই মো. মুসলিম আলীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় বুধবার দুপুরে সিলেটের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করে বিচারক মো. বজলুর রহমান তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

মামলার তিন নম্বর আসামি জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী গত ১০ নভেম্বর একই আদালতে জামিন পান।

এর আগে গত ১ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্রটি জমা দেন দুদক সিলেটের আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক আশরাফ উদ্দিন। পরে গত ২৮ অক্টোবর আদালত দুদকের দেওয়া চার্জশিট গ্রহণ করে আসামিদের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার প্রধান আসামি আখলাকুল আম্বিয়া চৌধুরী, আজির উদ্দিন, মো. মীর জাহান ও তৎকালীন সাবরেজিস্ট্রার বোরহান উদ্দিন সরকার পলাতক রয়েছেন বলে মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী শহিদুজ্জামান চৌধুরী যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৩ জানুয়ারি দৈনিক যুগান্তরে ‘ভুয়া দলিলে সরকারি জমি আ.লীগ নেতার’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। ওই প্রতিবেদনের সূত্র ধরে ২০১৮ সালের ৭ মার্চ সিলেটের সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতে জৈন্তাপুরের করগ্রামের মৃত মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের ছেলে মনির আহমদ বাদী হয়ে জৈন্তাপুরের নিজপাট ইউনিয়নের ৪ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি ভূমি অবৈধভাবে কেনাবেচার অভিযোগে মামলা করেন।

মামলায় জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খালেদুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি), মুনতাসির হাসান, সার্ভেয়ার নূরুল ইসলাম, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) নিত্যানন্দ দেব ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলীসহ ১৬ জনকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে দুদক আসামি লিয়াকত আলী, আখলাকুল আম্বিয়া চৌধুরী, মুসলিম আলী, আজির উদ্দিন, মো. মীর জাহান ও তৎকালীন সাবরেজিস্ট্রার বোরহান উদ্দিন সরকারকে দোষী সাব্যস্ত করে চার্জশিট দাখিল করে আদালতে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার খালেদুর রহমানসহ ১০ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

দুদকের মামলায় আ.লীগ নেতার ভাই কারাগারে

 সিলেট ব্যুরো 
০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:৩৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভুয়া দলিলে ৪ কোটি টাকার সরকারি সম্পদ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলীর ভাই মো. মুসলিম আলীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় বুধবার দুপুরে সিলেটের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করে বিচারক মো. বজলুর রহমান তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

মামলার তিন নম্বর আসামি জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী গত ১০ নভেম্বর একই আদালতে জামিন পান।

এর আগে গত ১ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্রটি জমা দেন দুদক সিলেটের আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক আশরাফ উদ্দিন। পরে গত ২৮ অক্টোবর আদালত দুদকের দেওয়া চার্জশিট গ্রহণ করে আসামিদের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার প্রধান আসামি আখলাকুল আম্বিয়া চৌধুরী, আজির উদ্দিন, মো. মীর জাহান ও তৎকালীন সাবরেজিস্ট্রার বোরহান উদ্দিন সরকার পলাতক রয়েছেন বলে মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী শহিদুজ্জামান চৌধুরী যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৩ জানুয়ারি দৈনিক যুগান্তরে ‘ভুয়া দলিলে সরকারি জমি আ.লীগ নেতার’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। ওই প্রতিবেদনের সূত্র ধরে ২০১৮ সালের ৭ মার্চ সিলেটের সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতে জৈন্তাপুরের করগ্রামের মৃত মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের ছেলে মনির আহমদ বাদী হয়ে জৈন্তাপুরের নিজপাট ইউনিয়নের ৪ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি ভূমি অবৈধভাবে কেনাবেচার অভিযোগে মামলা করেন।

মামলায় জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খালেদুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি), মুনতাসির হাসান, সার্ভেয়ার নূরুল ইসলাম, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) নিত্যানন্দ দেব ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলীসহ ১৬ জনকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে দুদক আসামি লিয়াকত আলী, আখলাকুল আম্বিয়া চৌধুরী, মুসলিম আলী, আজির উদ্দিন, মো. মীর জাহান ও তৎকালীন সাবরেজিস্ট্রার বোরহান উদ্দিন সরকারকে দোষী সাব্যস্ত করে চার্জশিট দাখিল করে আদালতে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার খালেদুর রহমানসহ ১০ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন