বিয়ের দিন বরকে আসতে বারণ, বউয়ের বাপের জরিমানা
jugantor
বিয়ের দিন বরকে আসতে বারণ, বউয়ের বাপের জরিমানা

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:২৮:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

বাল্যবিয়ে

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এক কিশোরীর বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে। এ সময় কনের বাবাকে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে তিন হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়; একই সঙ্গে বরপক্ষকে ফোন করে বিয়েতে আসতে বারণ করা হয় বলে জানা গেছে।

বুধবার দুপুরে উপজেলার চরহাজারী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বিয়েবাড়িতে অভিযান চালিয়ে ওই বাল্যবিয়ে বন্ধ করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট ছামিউল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার সকালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউল হক মীর বলেন, দুপুরে চরহাজারী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে একটি বাল্যবিয়ের আয়োজন করার খবর আসে। দ্রুত সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছামিউল ইসলামকে পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কন্যার মা-বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা প্রথমে কন্যার বয়স ১৮ বছর দাবি করেন। মেয়ের বয়স প্রমাণে তার জন্মসনদ দেখতে চাইলে তারা ফটোকপি দেখান। পরে সেটি ভুয়া প্রমাণিত হয়।

ইউএনও মো. জিয়াউল হক মীর আরও বলেন, তাদের দেখানো জন্ম সনদটির সত্যতা যাচাইয়ে চরহাজারী ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করলে জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের রেজিস্ট্রারের রেকর্ড অনুযায়ী মেয়ের বয়স ১৫ বছর ৪ মাস ২৫ দিন। এর পর মেয়েকে বাল্যবিবাহ দিচ্ছেন বলে স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিক কনের বাবাকে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে তিন হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেন। এ সময় বরপক্ষকে ফোন করে বাল্যবিয়েতে আসতে বারণ করা হয়। পরে কনের মা ১৮ বছর আগে তার মেয়েকে বিয়ে দেবে না মর্মে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান।

এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ।

বিয়ের দিন বরকে আসতে বারণ, বউয়ের বাপের জরিমানা

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:২৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বাল্যবিয়ে
ফাইল ছবি

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এক কিশোরীর বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে। এ সময় কনের বাবাকে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে তিন হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়; একই সঙ্গে বরপক্ষকে ফোন করে বিয়েতে আসতে বারণ করা হয় বলে জানা গেছে।

বুধবার দুপুরে উপজেলার চরহাজারী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বিয়েবাড়িতে অভিযান চালিয়ে ওই বাল্যবিয়ে বন্ধ করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট ছামিউল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার সকালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউল হক মীর বলেন, দুপুরে চরহাজারী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে একটি বাল্যবিয়ের আয়োজন করার খবর আসে। দ্রুত সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছামিউল ইসলামকে পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কন্যার মা-বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা প্রথমে কন্যার বয়স ১৮ বছর দাবি করেন। মেয়ের বয়স প্রমাণে তার জন্মসনদ দেখতে চাইলে তারা ফটোকপি দেখান। পরে সেটি ভুয়া প্রমাণিত হয়।

ইউএনও মো. জিয়াউল হক মীর আরও বলেন, তাদের দেখানো জন্ম সনদটির সত্যতা যাচাইয়ে চরহাজারী ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করলে জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের রেজিস্ট্রারের রেকর্ড অনুযায়ী মেয়ের বয়স ১৫ বছর ৪ মাস ২৫ দিন। এর পর মেয়েকে বাল্যবিবাহ দিচ্ছেন বলে স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিক কনের বাবাকে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে তিন হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেন। এ সময় বরপক্ষকে ফোন করে বাল্যবিয়েতে আসতে বারণ করা হয়। পরে কনের মা ১৮ বছর আগে তার মেয়েকে বিয়ে দেবে না মর্মে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান।

এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন