প্রতারণা করে কলেজছাত্রীকে বিয়ে, অতঃপর...
jugantor
প্রতারণা করে কলেজছাত্রীকে বিয়ে, অতঃপর...

  মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি  

০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১৫:০৪:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রতারণা করে কলেজছাত্রীকে বিয়ে, অতঃপর...

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় প্রতারণা করে কলেজছাত্রীকে বিয়ে করা এক ভুয়া মেজরকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

প্রতারক মাসুম চৌধুরী আপনকে (৩৭) দুদিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করার পর তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মঠবাড়িয়া থানার এসআই সজল পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুল আজাদ মঙ্গলবার শুনানি শেষে দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশ জানায়, উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের ফুলঝুড়ি গ্রামের বাসিন্দা কথিত ঘটক সেলিনা বেগম (৩৫) সম্প্রতি প্রতারক মাসুমকে সেনাবাহিনীর মেজর ও তার খালাতো ভাই পরিচয় দিয়ে তুষখালী গ্রামের এক কলেজছাত্রীর অভিভাবকের কাছে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এ সময় মাসুম নিজেকে সেনাবাহিনীর মেজর পরিচয় দেন এবং তার দুই বোন ডাক্তারি পেশায় নিয়োজিত বলে জানান। এতে ওই কলেজছাত্রীর পরিবারের লোকজন বিয়েতে রাজি হয়ে যায় এবং নভেম্বরের ১ তারিখে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর অজ্ঞাতনামা এক কাজী অফিসে বসে তাদের বিয়ের কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।

গত ৬ নভেম্বর ভুয়া মেজর প্রতারক মাসুম ওই কলেজছাত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি মঠবাড়িয়ার ফুলঝুড়িতে বেড়াতে আসে। এর পর তার প্রমোশনের কথা বলে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের কাছে ৪ লাখ টাকা দাবি করেন। তখন তার কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হলে তারা থানা পুলিশকে খবর দেন।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মেজর পরিচয়দানকারী মাসুমকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে না পারায় তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

পরে ওই কলেজছাত্রী বাদী হয়ে প্রতারক মাসুম ও ঘটক সেলিনাকে আসামি করে মঠবাড়িয়া থানায় একটি মামলা করেন। প্রতারক মাসুম সিরাজগঞ্জের কাজীপুর থানার পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে।

মঠবাড়িয়া থানার ওসি মো. নূরুল ইসলাম বাদল জানান, জিজ্ঞাসাবাদে প্রতারক মাসুম চৌধুরী আপন মামলাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। সেগুলো যাচাই করা হবে। তদন্তের স্বার্থে তিনি তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করছেন বলেও জানান তিনি।

প্রতারণা করে কলেজছাত্রীকে বিয়ে, অতঃপর...

 মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি 
০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
প্রতারণা করে কলেজছাত্রীকে বিয়ে, অতঃপর...
প্রতারক মাসুম চৌধুরী আপন। ফাইল ছবি

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় প্রতারণা করে কলেজছাত্রীকে বিয়ে করা এক ভুয়া মেজরকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

প্রতারক মাসুম চৌধুরী আপনকে (৩৭) দুদিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করার পর তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। 

এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মঠবাড়িয়া থানার এসআই সজল পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুল আজাদ মঙ্গলবার শুনানি শেষে দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশ জানায়, উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের ফুলঝুড়ি গ্রামের বাসিন্দা কথিত ঘটক সেলিনা বেগম (৩৫) সম্প্রতি প্রতারক মাসুমকে সেনাবাহিনীর মেজর ও তার খালাতো ভাই পরিচয় দিয়ে তুষখালী গ্রামের এক কলেজছাত্রীর অভিভাবকের কাছে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এ সময় মাসুম নিজেকে সেনাবাহিনীর মেজর পরিচয় দেন এবং তার দুই বোন ডাক্তারি পেশায় নিয়োজিত বলে জানান। এতে ওই কলেজছাত্রীর পরিবারের লোকজন বিয়েতে রাজি হয়ে যায় এবং নভেম্বরের ১ তারিখে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর অজ্ঞাতনামা এক কাজী অফিসে বসে তাদের বিয়ের কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।

গত ৬ নভেম্বর ভুয়া মেজর প্রতারক মাসুম ওই কলেজছাত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি মঠবাড়িয়ার ফুলঝুড়িতে বেড়াতে আসে। এর পর তার প্রমোশনের কথা বলে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের কাছে ৪ লাখ টাকা দাবি করেন। তখন তার কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হলে তারা থানা পুলিশকে খবর দেন।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মেজর পরিচয়দানকারী মাসুমকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে না পারায় তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। 

পরে ওই কলেজছাত্রী বাদী হয়ে প্রতারক মাসুম ও ঘটক সেলিনাকে আসামি করে মঠবাড়িয়া থানায় একটি মামলা করেন। প্রতারক মাসুম সিরাজগঞ্জের কাজীপুর থানার পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে।

মঠবাড়িয়া থানার ওসি মো. নূরুল ইসলাম বাদল জানান, জিজ্ঞাসাবাদে প্রতারক মাসুম চৌধুরী আপন মামলাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। সেগুলো যাচাই করা হবে। তদন্তের স্বার্থে তিনি তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করছেন বলেও জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন