বাড়িতে বাবার লাশ রেখে এইচএসসি পরীক্ষায় মেরাজ
jugantor
বাড়িতে বাবার লাশ রেখে এইচএসসি পরীক্ষায় মেরাজ

  ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি  

০২ ডিসেম্বর ২০২১, ২১:০১:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

বাড়িতে বাবার লাশ রেখে চোখে অশ্রু নিয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় বসেছে মেরাজ হক নামে এক শিক্ষার্থী। সে বৃহস্পতিবার কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সাইফুর রহমান সরকারি কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছে।

মেরাজ হক উপজেলার বড়ভিটা এলাকার সরিফুল হক মিল্টনের ছেলে। তার বাবা বুধবার মধ্যরাতে নিজ বাড়িতে হার্টঅ্যাটাকে মৃত্যুবরণ করেছেন।

মেরাজের সহপাঠী রবিউল জানায়, মেরাজ হক পরীক্ষা দিতে গিয়ে বাবার শোকে পুরো সময়ই কেঁদেছে আর লিখেছে খাতায়। আর এ দৃশ্য দেখে তার সহপাঠী, শিক্ষকসহ পুরো কেন্দ্রেই নেমে আসে শোকের ছায়া।

স্থানীয় পলাশ জানান, বুধবার রাত ১২টার দিকে হার্টঅ্যাটাক করে নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন তার বাবা। বাবাকে হারানোর পর ভেঙে পড়লেও কাঁদতে কাঁদতে পরীক্ষার হলে গেছে মেরাজ। আমরা সান্ত্বনা দিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য পাঠিয়েছে।

এ সাইফুর রহমান সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব মো. রফিকুল ইসলাম জানান, পরীক্ষার্থী বাবার মৃত্যুর বিষয়টি আমরা শুনেছি। তাকে সান্ত্বনা ও উৎসাহ দিয়েছি পরীক্ষা দিতে। তবে তার জন্য কোনো বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। সে সবার সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই পরীক্ষা দিচ্ছে।

বাড়িতে বাবার লাশ রেখে এইচএসসি পরীক্ষায় মেরাজ

 ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি 
০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাড়িতে বাবার লাশ রেখে চোখে অশ্রু নিয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় বসেছে মেরাজ হক নামে এক শিক্ষার্থী। সে বৃহস্পতিবার কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সাইফুর রহমান সরকারি কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছে।

মেরাজ হক উপজেলার বড়ভিটা এলাকার সরিফুল হক মিল্টনের ছেলে। তার বাবা বুধবার মধ্যরাতে নিজ বাড়িতে হার্টঅ্যাটাকে মৃত্যুবরণ করেছেন।

মেরাজের সহপাঠী রবিউল জানায়, মেরাজ হক পরীক্ষা দিতে গিয়ে বাবার শোকে পুরো সময়ই কেঁদেছে আর লিখেছে খাতায়। আর এ দৃশ্য দেখে তার সহপাঠী, শিক্ষকসহ পুরো কেন্দ্রেই নেমে আসে শোকের ছায়া।

স্থানীয় পলাশ জানান, বুধবার রাত ১২টার দিকে হার্টঅ্যাটাক করে নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন তার বাবা। বাবাকে হারানোর পর ভেঙে পড়লেও কাঁদতে কাঁদতে পরীক্ষার হলে গেছে মেরাজ। আমরা  সান্ত্বনা দিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য পাঠিয়েছে।  

এ সাইফুর রহমান সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব মো. রফিকুল ইসলাম জানান, পরীক্ষার্থী বাবার মৃত্যুর বিষয়টি আমরা শুনেছি। তাকে সান্ত্বনা ও উৎসাহ দিয়েছি পরীক্ষা দিতে। তবে তার জন্য কোনো বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। সে সবার সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই পরীক্ষা দিচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন