লাকড়ির ধোঁয়ায় মৃত্যু হয় তাদের!
jugantor
লাকড়ির ধোঁয়ায় মৃত্যু হয় তাদের!

  সিলেট ব্যুরো  

০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:০৫:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটে একটি কমিউনিটি সেন্টারে জোড়া লাশের রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, ছোট্ট এ কক্ষে কোনো ভেন্টিলেটর না থাকায় লাকড়ির ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে অক্সিজেনের অভাবে তাদের মৃত্যু ঘটেছে। আলামত, পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও অসুস্থ তৃতীয় বাবুর্চির বক্তব্য শুনে পুলিশ এটি নিশ্চিত হয়েছে।

কানাইঘাট উপজেলার দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের গাছবাড়ী বাজার আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারের একটি কক্ষ থেকে বুধবার এক মহিলা ও এক পুরুষ বাবুর্চির লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় অসুস্থ আরও এক বাবুর্চিকে উদ্ধার করা হয়।

কানাইঘাট সার্কেলের এএসপি আব্দুল করিম গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা বিভিন্নভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখেছি। আলামত এবং অসুস্থ তৃতীয় বাবুর্চির বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে এটাই নিশ্চিত হওয়া গেছে, বদ্ধঘরে তারা শীত নিবারণের জন্য কয়েল লাকড়িতে আগুন ধরিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। ওই ঘরে কোনো ভেন্টিলেটর ছিল না। দরজা-জানালাও বন্ধ ছিল। লাকড়ির আগুনের ধোঁয়ায় ঘর ভরে গিয়ে অক্সিজেনের অভাবেই তাদের মৃত্যু ঘটে।

বুধবার সকাল ৭টার দিকে আনন্দ কমিউনিটি সেন্টার থেকে এক মহিলা ও পুরুষ বাবুর্চির লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আরও এক বাবুর্চিকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নিহত বাবুর্চিরা হলেন কানাইঘাট উপজেলার নয়াগ্রামের রহমত উল্লাহর ছেলে সুহেল আহমদ (২৮) ও ওসমানীনগর উপজেলার তাহিরপুর গ্রামের আক্কাছ আলীর মেয়ে সালমা বেগম (৪০)। অসুস্থ বাবুর্চি কানাইঘাট উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রামের নাজিম উদ্দিনকে উদ্ধার করা হয়।

লাকড়ির ধোঁয়ায় মৃত্যু হয় তাদের!

 সিলেট ব্যুরো 
০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:০৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটে একটি কমিউনিটি সেন্টারে জোড়া লাশের রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, ছোট্ট এ কক্ষে কোনো ভেন্টিলেটর না থাকায় লাকড়ির ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে অক্সিজেনের অভাবে তাদের মৃত্যু ঘটেছে। আলামত, পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও অসুস্থ তৃতীয় বাবুর্চির বক্তব্য শুনে পুলিশ এটি নিশ্চিত হয়েছে।

কানাইঘাট উপজেলার দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের গাছবাড়ী বাজার আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারের একটি কক্ষ থেকে বুধবার এক মহিলা ও এক পুরুষ বাবুর্চির লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় অসুস্থ আরও এক বাবুর্চিকে উদ্ধার করা হয়।

কানাইঘাট সার্কেলের এএসপি আব্দুল করিম গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা বিভিন্নভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখেছি। আলামত এবং অসুস্থ তৃতীয় বাবুর্চির বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে এটাই নিশ্চিত হওয়া গেছে, বদ্ধঘরে তারা শীত নিবারণের জন্য কয়েল লাকড়িতে আগুন ধরিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। ওই ঘরে কোনো ভেন্টিলেটর ছিল না। দরজা-জানালাও বন্ধ ছিল। লাকড়ির আগুনের ধোঁয়ায় ঘর ভরে গিয়ে অক্সিজেনের অভাবেই তাদের মৃত্যু ঘটে।

বুধবার সকাল ৭টার দিকে আনন্দ কমিউনিটি সেন্টার থেকে এক মহিলা ও পুরুষ বাবুর্চির লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আরও এক বাবুর্চিকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নিহত বাবুর্চিরা হলেন কানাইঘাট উপজেলার নয়াগ্রামের রহমত উল্লাহর ছেলে সুহেল আহমদ (২৮) ও ওসমানীনগর উপজেলার তাহিরপুর গ্রামের আক্কাছ আলীর মেয়ে সালমা বেগম (৪০)। অসুস্থ বাবুর্চি কানাইঘাট উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রামের নাজিম উদ্দিনকে উদ্ধার করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন