দুলাভাইয়ের বাড়িতে কিশোরী শ্যালিকার ঝুলন্ত লাশ
jugantor
দুলাভাইয়ের বাড়িতে কিশোরী শ্যালিকার ঝুলন্ত লাশ

  ফরিদপুর ব্যুরো  

০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ২১:৫২:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ফরিদপুরের মধুখালীতে দুলাভাইয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসার দুই দিন পর শ্যালিকা লামিয়া ঐশীর (১৫) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার মথুরাপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে দুলাভাই আলিম বিশ্বাসের ঘর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করে পুলিশ। লামিয়া একই উপজেলার বাগাট ইউনিয়নের বাগাট গ্রামের ঠাকুরপাড়া এলাকার আরিফ হোসেনের মেয়ে। আলিম বিশ্বাস মধুখালী বাজারের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মচারীর কাজ করেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার দুলাভাই আলিম বিশ্বাসের বাড়িতে বেড়াতে আসে লামিয়া। তার বোন বৃষ্টি সুলতানা চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার ছোট বোন ঐশীকে বাড়িতে একা রেখে উপজেলা সদর কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে যায় বৃষ্টি। তখন তার সঙ্গে দুলাভাই আলিম বিশ্বাসও যান। এ সময় ঐশী বাড়িতে একাই ছিল।

সন্ধ্যায় বাড়িতে ফিরে ঘরের ভেতর থেকে দরজা-জানালা বন্ধ দেখেন বড়বোন বৃষ্টি। অনেক ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া মেলেনি। পরে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে ঐশীকে ঝুলতে দেখেন তারা। এরপর প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় লাশ নামিয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে পুলিশ।

ঐশীর বড়বোন বৃষ্টি সুলতানা বলেন, জানামতে আমার বোনের সঙ্গে কারও কোনো রাগারাগি বা ঝগড়াঝাটি কিছুই হয়নি। আমি পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে তাকে ভালোভাবেই রেখে যাই। বাড়িতে এসে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করি। কিন্তু সাড়া না মেলায় ভেতরে তার ঝুলন্ত লাশ দেখি।

মধুখালী থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, এটি আত্মহত্যা বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তবে এখনো মূল ঘটনা জানা যায়নি। লাশটি শুক্রবার সকালে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি জানা সম্ভব হবে।

দুলাভাইয়ের বাড়িতে কিশোরী শ্যালিকার ঝুলন্ত লাশ

 ফরিদপুর ব্যুরো 
০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফরিদপুরের মধুখালীতে দুলাভাইয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসার দুই দিন পর শ্যালিকা লামিয়া ঐশীর (১৫) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার মথুরাপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে দুলাভাই আলিম বিশ্বাসের ঘর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। 

পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করে পুলিশ। লামিয়া একই উপজেলার বাগাট ইউনিয়নের বাগাট গ্রামের ঠাকুরপাড়া এলাকার আরিফ হোসেনের মেয়ে। আলিম বিশ্বাস মধুখালী বাজারের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মচারীর কাজ করেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার দুলাভাই আলিম বিশ্বাসের বাড়িতে বেড়াতে আসে লামিয়া। তার বোন বৃষ্টি সুলতানা চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার ছোট বোন ঐশীকে বাড়িতে একা রেখে উপজেলা সদর কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে যায় বৃষ্টি। তখন তার সঙ্গে দুলাভাই আলিম বিশ্বাসও যান। এ সময় ঐশী বাড়িতে একাই ছিল। 

সন্ধ্যায় বাড়িতে ফিরে ঘরের ভেতর থেকে দরজা-জানালা বন্ধ দেখেন বড়বোন বৃষ্টি। অনেক ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া মেলেনি। পরে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে ঐশীকে ঝুলতে দেখেন তারা। এরপর প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় লাশ নামিয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে পুলিশ।

ঐশীর বড়বোন বৃষ্টি সুলতানা বলেন, জানামতে আমার বোনের সঙ্গে কারও কোনো রাগারাগি বা ঝগড়াঝাটি কিছুই হয়নি। আমি পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে তাকে ভালোভাবেই রেখে যাই। বাড়িতে এসে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করি। কিন্তু সাড়া না মেলায় ভেতরে তার ঝুলন্ত লাশ দেখি।

মধুখালী থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, এটি আত্মহত্যা বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তবে এখনো মূল ঘটনা জানা যায়নি। লাশটি শুক্রবার সকালে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি জানা সম্ভব হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন