মুন্সীগঞ্জে বিস্ফোরণ দগ্ধ ভাইবোনের পর মারা গেলেন বাবাও
jugantor
মুন্সীগঞ্জে বিস্ফোরণ দগ্ধ ভাইবোনের পর মারা গেলেন বাবাও

  মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি  

০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১৩:৪৩:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

দগ্ধ

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় বিস্ফোরণে দগ্ধ দুই ভাইবোনের পর মারা গেলেন তাদের বাবাও। নিহত বাবার নাম কাওসার খান (৩৬)।

শনিবার সকালে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে কাওসারের ছেলে ইয়াসিন (০৬) ও ফাতেমা নোহরার (০৩) মৃত্যু হয়।

কাওসার কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের বাসিন্দা আব্দুস সালাম খানের ছেলে। তিনি মুন্সীগঞ্জের আবুল খায়ের গ্রুপে ওয়েল্ডার (ঢালাইকারী) হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব খান জানান, বৃহস্পতিবার ভোররাতে চর মুক্তারপুরের শাহ সিমেন্ট রোডে জয়নাল মিয়ার চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে কাওসারের পরিবারের চারজনসহ পাঁচজন ঘুমন্ত অবস্থায় দগ্ধ হন।

এ ঘটনায় কাওসারের স্ত্রী শান্তা বেগমও (২৭) শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া দগ্ধ অন্যজন তাদের প্রতিবেশী হৃতিকা পালকে (৪) স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

হাসপাতালের চিকিৎসকদের বরাতে পুলিশ কর্মকর্তা রাজিব বলেন, শান্তা বেগমের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার শরীরের ৫৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।

মুন্সীগঞ্জে বিস্ফোরণ দগ্ধ ভাইবোনের পর মারা গেলেন বাবাও

 মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি 
০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
দগ্ধ
ছবি: যুগান্তর

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় বিস্ফোরণে দগ্ধ দুই ভাইবোনের পর মারা গেলেন তাদের বাবাও। নিহত বাবার নাম কাওসার খান (৩৬)।

শনিবার সকালে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এর আগে  বৃহস্পতিবার রাতে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে কাওসারের ছেলে ইয়াসিন (০৬) ও ফাতেমা নোহরার (০৩) মৃত্যু হয়।

কাওসার কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের বাসিন্দা আব্দুস সালাম খানের ছেলে। তিনি মুন্সীগঞ্জের আবুল খায়ের গ্রুপে ওয়েল্ডার (ঢালাইকারী) হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব খান জানান, বৃহস্পতিবার ভোররাতে চর মুক্তারপুরের শাহ সিমেন্ট রোডে জয়নাল মিয়ার চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে কাওসারের পরিবারের চারজনসহ পাঁচজন ঘুমন্ত অবস্থায় দগ্ধ হন।

এ ঘটনায় কাওসারের স্ত্রী শান্তা বেগমও (২৭) শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া দগ্ধ অন্যজন তাদের প্রতিবেশী হৃতিকা পালকে (৪) স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

হাসপাতালের চিকিৎসকদের বরাতে পুলিশ কর্মকর্তা রাজিব বলেন, শান্তা বেগমের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার শরীরের ৫৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন