হোটেল থেকে পর্যটকের লাশ উদ্ধার, পুলিশ হেফাজতে নারী
jugantor
হোটেল থেকে পর্যটকের লাশ উদ্ধার, পুলিশ হেফাজতে নারী

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১৯:০৪:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজার শহরের আলম গেস্ট হাউস নামে একটি আবাসিক হোটেল থেকে সঞ্জয় কুমার সরকার (৩০) নামে এক পর্যটকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, সঞ্জয় কুমার সরকার সিরাজগঞ্জের বাসিন্দা ও দুই সন্তানের জনক।

এ ঘটনায় নুপুর (১৮) নামে এক তরুণীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে টুরিস্ট পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, শনিবার বেলা ১১টার দিকে শহরের আবাসিক আলম গেস্ট হাউস হোটেলে এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়েছে খবরেসেখানে পুলিশের একটি টিম যায়। হোটেলের কক্ষ থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা তরুণী নুপুরকে (১৮) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে আনা হয়।

সঞ্জয় নিজের শিশুকন্যা ও স্ত্রীকে ফেলে অন্যজনের সঙ্গে কক্সবাজার বেড়াতে আসে বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, ধারণা করা হচ্ছে পরকীয়া প্রেমের কারণে সিরাজগঞ্জ থেকে কক্সবাজার ভ্রমণে এসে ওই হোটেলে রুম ভাড়া নেয় তারা। পরে দুজনের মধ্যে কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

হোটেল থেকে পর্যটকের লাশ উদ্ধার, পুলিশ হেফাজতে নারী

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজার শহরের আলম গেস্ট হাউস নামে একটি আবাসিক হোটেল থেকে সঞ্জয় কুমার সরকার (৩০) নামে এক পর্যটকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। 

শনিবার দুপুরে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, সঞ্জয় কুমার সরকার সিরাজগঞ্জের বাসিন্দা ও দুই সন্তানের জনক। 

এ ঘটনায় নুপুর (১৮) নামে এক তরুণীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে টুরিস্ট পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, শনিবার বেলা ১১টার দিকে শহরের আবাসিক আলম গেস্ট হাউস হোটেলে এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়েছে খবরে সেখানে পুলিশের একটি টিম যায়। হোটেলের কক্ষ থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা তরুণী নুপুরকে (১৮) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে আনা হয়।

সঞ্জয় নিজের শিশুকন্যা ও স্ত্রীকে ফেলে অন্যজনের সঙ্গে কক্সবাজার বেড়াতে আসে বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, ধারণা করা হচ্ছে পরকীয়া প্রেমের কারণে সিরাজগঞ্জ থেকে কক্সবাজার ভ্রমণে এসে ওই হোটেলে রুম ভাড়া নেয় তারা। পরে দুজনের মধ্যে কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন