কর্মচারীর কুপ্রস্তাব, সংবাদ প্রকাশে রোগীকেই পিটিয়ে হাসপাতাল ছাড়া (ভিডিও)
jugantor
কর্মচারীর কুপ্রস্তাব, সংবাদ প্রকাশে রোগীকেই পিটিয়ে হাসপাতাল ছাড়া (ভিডিও)

  টঙ্গী পূর্ব (গাজীপুর) প্রতিনিধি  

০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ২২:১৬:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীকে আউটসোর্সিং কর্মচারী কর্তৃক কুপ্রস্তাব দেওয়ার ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম-নীতিকে তোয়াক্কা না করে বরং তাকেই মারধর ও টেনেহিঁচড়ে বের করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার বিকালে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী রোজিনা আক্তার। এ সময় তিনি ও তার দুই শিশুসন্তান কান্নায় ভেঙে পড়েন। একটি ভিডিও ফুটেজেও এর সত্যতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ায় হাসপাতালের অভ্যন্তরে ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

হাসপাতাল ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর থানার পশ্চিমবঙ্গা গ্রামের মৃত আতাউর রহমানের মেয়ে রোজিনা আক্তার রুপা স্বামী-সন্তান নিয়ে উত্তরার ১০নং সেক্টর ফুলবাড়িয়া সিরাজ মার্কেট এলাকার মন্টু মিয়ার বাড়িতে ভাড়াবাসায় বাস করেন। পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী রেজাউল করিম রনি ও তার পরিবারের লোকজন মিলে তাকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে প্রায় এক মাসব্যাপী কবিরাজি ওষুধ খাইয়ে ভালো করার নামে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে রোজিনা দাবি করেন।

তিনি বিষয়টি বুঝতে পেরে গত ৫ নভেম্বর টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে সার্জারি বিভাগে ভর্তি হন। গত ৪ দিন পূর্বে খাবার দেওয়াকে কেন্দ্র করে আউটসোসিং রাকিব তাকে কুপ্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সে ও তার সহযোগীরা ওই নারীর সঙ্গে প্রতিদিন খারাপ আচরণ করতেন। তিনি বাধ্য হয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে গিয়ে তাকে না পেয়ে অভিযোগটি জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডাক্তারের কাছে জমা দেন।

কর্তব্যরত ডাক্তার লিখিত অভিযোগের কপিটি ওয়ার্ড ইনচার্জ মহুয়ার কাছে পাঠান। এতে মহুয়াসহ তার সহযোগীরা ওই নারীর ওপর আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রাকিবের কোনো বিচার না করে ভুক্তভোগী রোজিনাকে মারধর ও টেনেহিঁচড়ে শনিবার বিকালে হাসপাতাল থেকে বের করে দেয়।

এ ব্যাপারে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. পারভেজ হোসেনের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

যোগাযোগ করা হলে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আউটসোর্সিং রাকিব যাতে এখানে কাজ করতে না পারে এজন্য সে যে ঠিকাদারের আন্ডারে কাজ করে তাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। তার পরিবর্তে এখানে অন্য লোক কাজ করবেন। রাকিবের ডিউটি আপাতত বন্ধ রয়েছে।

কর্মচারীর কুপ্রস্তাব, সংবাদ প্রকাশে রোগীকেই পিটিয়ে হাসপাতাল ছাড়া (ভিডিও)

 টঙ্গী পূর্ব (গাজীপুর) প্রতিনিধি 
০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীকে আউটসোর্সিং কর্মচারী কর্তৃক কুপ্রস্তাব দেওয়ার ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম-নীতিকে তোয়াক্কা না করে বরং তাকেই মারধর ও টেনেহিঁচড়ে বের করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার বিকালে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী রোজিনা আক্তার। এ সময় তিনি ও তার দুই শিশুসন্তান কান্নায় ভেঙে পড়েন। একটি ভিডিও ফুটেজেও এর সত্যতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ায় হাসপাতালের অভ্যন্তরে ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

হাসপাতাল ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর থানার পশ্চিমবঙ্গা গ্রামের মৃত আতাউর রহমানের মেয়ে রোজিনা আক্তার রুপা স্বামী-সন্তান নিয়ে উত্তরার ১০নং সেক্টর ফুলবাড়িয়া সিরাজ মার্কেট এলাকার মন্টু মিয়ার বাড়িতে ভাড়াবাসায় বাস করেন। পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী রেজাউল করিম রনি ও তার পরিবারের লোকজন মিলে তাকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে প্রায় এক মাসব্যাপী কবিরাজি ওষুধ খাইয়ে ভালো করার নামে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে রোজিনা দাবি করেন। 

তিনি বিষয়টি বুঝতে পেরে গত ৫ নভেম্বর টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে সার্জারি বিভাগে ভর্তি হন। গত ৪ দিন পূর্বে খাবার দেওয়াকে কেন্দ্র করে আউটসোসিং রাকিব তাকে কুপ্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সে ও তার সহযোগীরা ওই নারীর সঙ্গে প্রতিদিন খারাপ আচরণ করতেন। তিনি বাধ্য হয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে গিয়ে তাকে না পেয়ে অভিযোগটি জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডাক্তারের কাছে জমা দেন।

কর্তব্যরত ডাক্তার লিখিত অভিযোগের কপিটি ওয়ার্ড ইনচার্জ মহুয়ার কাছে পাঠান। এতে মহুয়াসহ তার সহযোগীরা ওই নারীর ওপর আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রাকিবের কোনো বিচার না করে ভুক্তভোগী রোজিনাকে মারধর ও টেনেহিঁচড়ে শনিবার বিকালে হাসপাতাল থেকে বের করে দেয়।

এ ব্যাপারে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. পারভেজ হোসেনের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

যোগাযোগ করা হলে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আউটসোর্সিং রাকিব যাতে এখানে কাজ করতে না পারে এজন্য সে যে ঠিকাদারের আন্ডারে কাজ করে তাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। তার পরিবর্তে এখানে অন্য লোক কাজ করবেন। রাকিবের ডিউটি আপাতত বন্ধ রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন