নরসিংদীতে দুগ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৫
jugantor
নরসিংদীতে দুগ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৫

  নরসিংদী প্রতিনিধি  

০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৫৪:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চাঁনপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষে পাঁচজন গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে আটজন আহত হয়েছেন।

শনিবার মেঘনা নদীবেষ্টিত দুর্গম চরাঞ্চল রায়পুরা চাঁনপুর ইউনিয়নের কুঁড়েরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে সোহাগ মিয়া (২৫) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। ওই সময় তার কাছ থেকে একটি বন্দুক উদ্ধার করা হয়।

গুলিবিদ্ধরা হলেন— একই এলাকার এরশাদ মিয়ার সমর্থক মৃত রশিদ মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়া (৫০), মৃত নবু মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া (২৮), হানিফ মিয়ার ছেলে সৈয়দ হোসেন (৪২), জুলহাস মিয়ার ছেলে কালন মিয়া (২২), তাহের মিয়ার ছেলে মসির মিয়া (২৫)। তাদের ঢাকাসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, গত ২৫ অক্টোবর এরশাদ মিয়ার সমর্থক আলমগীর হোসেন নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে নরসিংদীতে তার শ্বশুরবাড়িতে যাচ্ছিল। ওই সময় পথিমধ্যে প্রতিপক্ষ খালেক সমর্থকরা তাকে পিটিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলে অভিযুক্তরা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়।

পরে অভিযুক্তরা আদালত থেকে জামিন নেন। এরই মধ্যে প্রতিপক্ষরা গ্রামে ঢুকার চেষ্টা করেন। এতে এরশাদ সমর্থকরা বাধা দেয়। ওই সময় দুপক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে পাঁচজন গুলিবিদ্ধসহ আটজন আহত হন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই সময় সোহাগ নামে একজনকে আটক করে পুলিশ।

তবে স্থানীয় চেয়ারম্যান মোমেন সরকার বলেন, বেশ কয়েক দিন আগে চাচা-ভাতিজার দ্বন্দ্বের জেরে একজন খুন হয়। ওই ঘটনায় মামলা হলে আসামিপক্ষের লোকজন পালিয়ে যায়। পরে তারা জামিন নিয়ে র্যা বের সহায়তায় গ্রামে ঢুকার চেষ্টা করে। এতে বাদী পক্ষের লোকজন বাধা দেয়। ওই সময় এরশাদ সমর্থকদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়।

নরসিংদী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাহেব আলী পাঠান বলেন, সংঘর্ষের সময় এলাকাবাসী অস্ত্রসহ একজনকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। তার কাছ থেকে একটি একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সংঘাত এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

নরসিংদীতে দুগ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৫

 নরসিংদী প্রতিনিধি 
০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৫৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চাঁনপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষে পাঁচজন গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে আটজন আহত হয়েছেন।

শনিবার মেঘনা নদীবেষ্টিত দুর্গম চরাঞ্চল রায়পুরা চাঁনপুর ইউনিয়নের কুঁড়েরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে সোহাগ মিয়া (২৫) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। ওই সময় তার কাছ থেকে একটি বন্দুক উদ্ধার করা হয়।
 
গুলিবিদ্ধরা হলেন— একই এলাকার এরশাদ মিয়ার সমর্থক মৃত রশিদ মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়া (৫০), মৃত নবু মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া (২৮), হানিফ মিয়ার ছেলে সৈয়দ হোসেন (৪২), জুলহাস মিয়ার ছেলে কালন মিয়া (২২), তাহের মিয়ার ছেলে মসির মিয়া (২৫)। তাদের ঢাকাসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, গত ২৫ অক্টোবর এরশাদ মিয়ার সমর্থক আলমগীর হোসেন নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে নরসিংদীতে তার শ্বশুরবাড়িতে যাচ্ছিল। ওই সময় পথিমধ্যে প্রতিপক্ষ খালেক সমর্থকরা তাকে পিটিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলে অভিযুক্তরা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়।

পরে অভিযুক্তরা আদালত থেকে জামিন নেন। এরই মধ্যে প্রতিপক্ষরা গ্রামে ঢুকার চেষ্টা করেন। এতে এরশাদ সমর্থকরা বাধা দেয়। ওই সময় দুপক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে পাঁচজন গুলিবিদ্ধসহ আটজন আহত হন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই সময় সোহাগ নামে একজনকে আটক করে পুলিশ।

তবে স্থানীয় চেয়ারম্যান মোমেন সরকার বলেন, বেশ কয়েক দিন আগে চাচা-ভাতিজার দ্বন্দ্বের জেরে একজন খুন হয়। ওই ঘটনায় মামলা হলে আসামিপক্ষের লোকজন পালিয়ে যায়। পরে তারা জামিন নিয়ে র্যা বের সহায়তায় গ্রামে ঢুকার চেষ্টা করে। এতে বাদী পক্ষের লোকজন বাধা দেয়। ওই সময় এরশাদ সমর্থকদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়।

নরসিংদী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাহেব আলী পাঠান বলেন, সংঘর্ষের সময় এলাকাবাসী অস্ত্রসহ একজনকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। তার কাছ থেকে একটি একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সংঘাত এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন