'মিথ্যা মামলায়' জামিন পেলেন যুগান্তরের দিরাই প্রতিনিধি
jugantor
'মিথ্যা মামলায়' জামিন পেলেন যুগান্তরের দিরাই প্রতিনিধি

  সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি  

০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১৮:২৬:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

জলমহাল লুটপাটের মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় দিরাই প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তরের দিরাই উপজেলা প্রতিনিধি জিয়াউর রহমান লিটনকে জামিন দিয়েছেন আদালত।

রোববার দুপুর ১২টার দিকে সুনামগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুর রহিমের আদালতে লিটনের জামিন আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে বিরতি নিয়ে দুপুর সোয়া ১টার দিকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক বাদীপক্ষের আবেদন নাকচ করে লিটনের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

জিয়াউর লিটনের জামিন শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন অ্যাডভোকেট আব্দুল হক, অ্যাডভোকেট আইনুল ইসলাম বাবলু, অ্যাডভোকেট শাহীনুর রহমান, অ্যাডভোকেট আব্দুর রায়হান জুয়েল প্রমুখ।

গত বৃহস্পতিবার রাতে দিরাই উপজেলার চাতল বিল গ্রুপ জলমহালের চুক্তিভিত্তিক অংশীদার চন্ডিপুর গ্রামের রায়হান মিয়া বাদী হয়ে সাংবাদিক লিটনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দিরাই থানায় জলমহাল লুটপাটের নামে একটি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা রুজু করেন। উক্ত সাজানো মামলায় আসামি দেখিয়ে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পৌর শহরের চন্ডিপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে দিরাই থানা পুলিশ জিয়াউর রহমান লিটনকে গ্রেফতার করে।

পরদিন শুক্রবার বিকালে তাকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ আদালত রোববার মামলার শুনানির দিন ধার্য করে লিটনকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

লিটনের বড়ভাই মুজিবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, আমরা আওয়ামী লীগ পরিবার, দিরাইয়ে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা পাঁচজনের একজন আর পিতা। গত পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হন দিরাই পৌরসভার সাবেক মেয়র আমাদের গ্রামের মোশাররফ মিয়া।

কিন্তু আমাদের পরিবার আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থীর পক্ষে আবস্থান নেয়। এ কারণে মোশাররফ মিয়া আমাদের পরিবারের প্রতি বিক্ষুব্ধ হন। আমার ভাই জিয়াউর রহমান লিটন একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে মোশাররফ মিয়ার অনেক দুর্নীতি, অনিয়ম ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে।

এসব কারণে আমাদের হয়রানি করার জন্য একের পর এক ষড়যন্ত্র করে আসছেন মোশাররফ মিয়া ও তার নিকটজনরা। এরই ধারাবাহিকতায় পুলিশকে ম্যানেজ করে রাতের আঁধারে একটি সাজানো মামলা দিয়ে আমার ভাইকে গ্রেফতার করানো হয়।

তিনি আরও বলেন, কোনো ধরনের তদন্ত ছাড়াই রাত সাড়ে ১১টায় মামলা রেকর্ড করে রাত ২টার দিকে বাড়িতে গিয়ে আমার ভাইকে তুলে আনে পুলিশ। রাতেই দিরাইয়ের বর্তমান মেয়র বিশ্বজিৎসহ আমরা থানায় গেলে পুলিশ জানায় লিটনের বিরুদ্ধে জলমহাল লুটের মামলা হয়েছে। এ মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মূলত আমাদের পরিবারকে হয়রানি করার জন্য ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় জড়ানো হয়েছে লিটনকে।

'মিথ্যা মামলায়' জামিন পেলেন যুগান্তরের দিরাই প্রতিনিধি

 সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি 
০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জলমহাল লুটপাটের মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় দিরাই প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তরের দিরাই উপজেলা প্রতিনিধি জিয়াউর রহমান লিটনকে জামিন দিয়েছেন আদালত। 

রোববার দুপুর ১২টার দিকে সুনামগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুর রহিমের আদালতে লিটনের জামিন আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে বিরতি নিয়ে দুপুর সোয়া ১টার দিকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক বাদীপক্ষের আবেদন নাকচ করে লিটনের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

জিয়াউর লিটনের জামিন শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন অ্যাডভোকেট আব্দুল হক, অ্যাডভোকেট আইনুল ইসলাম বাবলু, অ্যাডভোকেট শাহীনুর রহমান, অ্যাডভোকেট আব্দুর রায়হান জুয়েল প্রমুখ।

গত বৃহস্পতিবার রাতে দিরাই উপজেলার চাতল বিল গ্রুপ জলমহালের চুক্তিভিত্তিক অংশীদার চন্ডিপুর গ্রামের রায়হান মিয়া বাদী হয়ে সাংবাদিক লিটনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দিরাই থানায় জলমহাল লুটপাটের নামে একটি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা রুজু করেন। উক্ত সাজানো মামলায় আসামি দেখিয়ে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পৌর শহরের চন্ডিপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে দিরাই থানা পুলিশ জিয়াউর রহমান লিটনকে গ্রেফতার করে।

পরদিন শুক্রবার বিকালে তাকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ আদালত রোববার মামলার শুনানির দিন ধার্য করে লিটনকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

লিটনের বড়ভাই মুজিবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, আমরা আওয়ামী লীগ পরিবার, দিরাইয়ে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা পাঁচজনের একজন আর পিতা। গত পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হন দিরাই পৌরসভার সাবেক মেয়র আমাদের গ্রামের মোশাররফ মিয়া। 

কিন্তু আমাদের পরিবার আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থীর পক্ষে আবস্থান নেয়। এ কারণে মোশাররফ মিয়া আমাদের পরিবারের প্রতি বিক্ষুব্ধ হন। আমার ভাই জিয়াউর রহমান লিটন একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে মোশাররফ মিয়ার অনেক দুর্নীতি, অনিয়ম ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে। 

এসব কারণে আমাদের হয়রানি করার জন্য একের পর এক ষড়যন্ত্র করে আসছেন মোশাররফ মিয়া ও তার নিকটজনরা। এরই ধারাবাহিকতায় পুলিশকে ম্যানেজ করে রাতের আঁধারে একটি সাজানো মামলা দিয়ে আমার ভাইকে গ্রেফতার করানো হয়। 

তিনি আরও বলেন, কোনো ধরনের তদন্ত ছাড়াই রাত সাড়ে ১১টায় মামলা রেকর্ড করে রাত ২টার দিকে বাড়িতে গিয়ে আমার ভাইকে তুলে আনে পুলিশ। রাতেই দিরাইয়ের বর্তমান মেয়র বিশ্বজিৎসহ আমরা থানায় গেলে পুলিশ জানায় লিটনের বিরুদ্ধে জলমহাল লুটের মামলা হয়েছে। এ মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মূলত আমাদের পরিবারকে হয়রানি করার জন্য ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় জড়ানো হয়েছে লিটনকে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন