অবরুদ্ধ প্রধান শিক্ষক ৯৯৯ ফোনে উদ্ধার
jugantor
অবরুদ্ধ প্রধান শিক্ষক ৯৯৯ ফোনে উদ্ধার

  বরগুনা ও বেতাগী প্রতিনিধি  

০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ২০:৩৯:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনায় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির দ্বন্দ্বের বিরোধে প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত করে রুমে আটকে রাখার ঘটনা ঘটেছে। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে ওই শিক্ষককে তালা ভেঙে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বেতাগী উপজেলার কুমড়াখালী শশীভূষণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মঈনুল ইসলাম জানান, প্রায় এক মাস ধরে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়ায় সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সভাপতি এবং তাদের সমর্থকরা। পূর্বের ঘোষিত নোটিশ অনুযায়ী রোববার সকাল ১০টায় বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ, নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়ার জন্য সকাল সাড়ে ৮টায় বিদ্যালয়ে আসেন তিনি। এরপরই সাবেক কমিটির সদস্য ফণিভূষণ সিংহ, বিনয় ভূষণ সিংহসহ ১০-১২ জন লোক এসে তাকে অকথ্য ভাষায় গালি দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা তাকে লাঞ্ছিত করে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে রুমের বাহিরে থেকে তালাবন্ধ করে রাখেন। পরে স্থানীয়রা ৯৯৯ নম্বরে কল করে জানালে বেতাগী থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ফণিভূষণ সিংহ, বিনয় ভূষণ সিংহসহ কাউকেই পাওয়া যায়নি।

অ্যাডহক কমিটির সভাপতি জয়ন্তী রাণী যুগান্তরকে বলেন, ম্যানেজিং কমিটির দ্বন্দ্বের কারণে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড থেকে আমাকে অ্যাডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। আমি দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে কাজ করে একটি রাজনৈতিক চক্র। আমি তাদের নাম বলতে পারব না। এত দ্বন্দ্ব থাকলে বিদ্যালয় পরিচালনা করা সম্ভব না। আমি চাই বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চলুক। এখানে প্রায় ১ হাজার ছাত্রছাত্রী পাঠদান করে। আমার সভাপতির পদ দরকার নেই, শিক্ষা কার্যক্রমটা চালু থাকা দরকার। শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ বিষয়ে বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সুহরিত সালেহীন যুগান্তরকে বলেন, ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে জানানোর পর আমি নিজেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালা ভেঙে প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করি।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং শিক্ষকদের যাতে কোনো সম্মানহানি না হয় সেদিকেও দৃষ্টি দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

বেতাগী থানার ওসি মো. শাহ-আলম তিনি যুগান্তরকে বলেন, প্রধান শিক্ষক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। সঠিক তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অবরুদ্ধ প্রধান শিক্ষক ৯৯৯ ফোনে উদ্ধার

 বরগুনা ও বেতাগী প্রতিনিধি 
০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনায় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির দ্বন্দ্বের বিরোধে প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত করে রুমে আটকে রাখার ঘটনা ঘটেছে। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে ওই শিক্ষককে তালা ভেঙে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বেতাগী উপজেলার কুমড়াখালী শশীভূষণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মঈনুল ইসলাম জানান, প্রায় এক মাস ধরে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়ায় সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সভাপতি এবং তাদের সমর্থকরা। পূর্বের ঘোষিত নোটিশ অনুযায়ী রোববার সকাল ১০টায় বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ, নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়ার জন্য সকাল সাড়ে ৮টায় বিদ্যালয়ে আসেন তিনি। এরপরই সাবেক কমিটির সদস্য ফণিভূষণ সিংহ, বিনয় ভূষণ সিংহসহ ১০-১২ জন লোক এসে তাকে অকথ্য ভাষায় গালি দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা তাকে লাঞ্ছিত করে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে রুমের বাহিরে থেকে তালাবন্ধ করে রাখেন। পরে স্থানীয়রা ৯৯৯ নম্বরে কল করে জানালে বেতাগী থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ফণিভূষণ সিংহ, বিনয় ভূষণ সিংহসহ কাউকেই পাওয়া যায়নি।

অ্যাডহক কমিটির সভাপতি জয়ন্তী রাণী যুগান্তরকে বলেন, ম্যানেজিং কমিটির দ্বন্দ্বের কারণে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড থেকে আমাকে অ্যাডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। আমি দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে কাজ করে একটি রাজনৈতিক চক্র। আমি তাদের নাম বলতে পারব না। এত দ্বন্দ্ব থাকলে বিদ্যালয় পরিচালনা করা সম্ভব না। আমি চাই বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চলুক। এখানে প্রায় ১ হাজার ছাত্রছাত্রী পাঠদান করে। আমার সভাপতির পদ দরকার নেই, শিক্ষা কার্যক্রমটা চালু থাকা দরকার। শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ বিষয়ে বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সুহরিত সালেহীন যুগান্তরকে বলেন, ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে জানানোর পর আমি নিজেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালা ভেঙে প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করি। 

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং শিক্ষকদের যাতে কোনো সম্মানহানি না হয় সেদিকেও দৃষ্টি দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

বেতাগী থানার ওসি মো. শাহ-আলম তিনি যুগান্তরকে বলেন, প্রধান শিক্ষক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। সঠিক তদন্তসাপেক্ষে  আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন