নৌকার মনোনয়ন পাওয়ার পর বোমা ফাটিয়ে উল্লাস!
jugantor
নৌকার মনোনয়ন পাওয়ার পর বোমা ফাটিয়ে উল্লাস!

  রাজবাড়ী প্রতিনিধি  

০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:৫৮:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

গ্রেফতার

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মৌরাট ইউনিয়নে পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকার মনোনয়ন পাওয়ায় হাবিবুর রহমান প্রামাণিকের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে বোমা ফাটিয়ে আনন্দ-উল্লাস করার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় পুলিশ তিনটি হাতবোমাসহ চেয়ারম্যান প্রার্থীর ছেলে ও এক কর্মীকে গ্রেফতার করেছে।

বিষয়টি সোমবার সকালে যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন পাংশা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) উত্তম কুমার ঘোষ।

গতকাল রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

থানা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মৌরাট ইউনিয়নের বাগদুলি বাজার কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনে ব্রিজের ওপর থেকে তিনটি হাত বোমাসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মৌরাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার মনোনীত প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান প্রামাণিকের ছেলে শামীম প্রামাণিক (৩৬) ও চরহরিণাডাঙ্গা গ্রামের ইসলাম মণ্ডলের ছেলে মো. জালাল মণ্ডল (৩০)।

পাংশা মডেল থানার এসআই মো. মিজানুর রহমান বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান প্রামাণিকের আবার নৌকার মনোনয়ন পাওয়ায় ২৫-৩০টি মোটরসাইকেল নিয়ে চেয়ারম্যানের ছেলে ও তার কর্মী-সমর্থকরা সাবেক চেয়ারম্যান মো. শওকত আলী সরদারের বাড়ির সামনে মহড়া দেয়। এ সময় তারা বোমা ফাটিয়ে আনন্দ-উল্লাস করতে থাকেন। এতে এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনটি হাত বোমাসহ চেয়ারম্যানের ছেলেসহ দুজনকে গ্রেফতার করি।

তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে মৌরাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও নৌকার প্রার্থী হাবিবুর রহমান প্রামাণিক যুগান্তরকে বলেন, আমি নৌকার মনোনয়ন পাওয়ার পর আমার কর্মী-সমর্থকরা আনন্দ উল্লাস করে এক-দুটি পটকা জাতীয় কিছু ফাটিয়েছে। কিন্তু সেটি কোনো বোমা ছিল না। তা ছাড়া ঘটনার সময় আমি ঢাকায় ছিলাম। ষড়যন্ত্র করে আমার ছেলেসহ অন্যদের ফাঁসানো হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পাংশা থানার পরিদর্শক (তদ্ন্ত) উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, রাতে মৌরাট ইউনিয়নে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে গিয়ে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ ছাড়া হাবাসপুর ইউনিয়ন থেকে পৃথক ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

নৌকার মনোনয়ন পাওয়ার পর বোমা ফাটিয়ে উল্লাস!

 রাজবাড়ী প্রতিনিধি 
০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:৫৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
গ্রেফতার
ছবি-যুগান্তর

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মৌরাট ইউনিয়নে পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকার মনোনয়ন পাওয়ায় হাবিবুর রহমান প্রামাণিকের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে বোমা ফাটিয়ে আনন্দ-উল্লাস করার অভিযোগ উঠেছে। 

এ ঘটনায় পুলিশ তিনটি হাতবোমাসহ চেয়ারম্যান প্রার্থীর ছেলে ও এক কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। 

বিষয়টি সোমবার সকালে যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন পাংশা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) উত্তম কুমার ঘোষ।

গতকাল রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

থানা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মৌরাট ইউনিয়নের বাগদুলি বাজার কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনে ব্রিজের ওপর থেকে তিনটি হাত বোমাসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মৌরাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার মনোনীত প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান প্রামাণিকের ছেলে শামীম প্রামাণিক (৩৬) ও চরহরিণাডাঙ্গা গ্রামের ইসলাম মণ্ডলের ছেলে মো. জালাল মণ্ডল (৩০)।
 
পাংশা মডেল থানার এসআই মো. মিজানুর রহমান বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান প্রামাণিকের আবার নৌকার মনোনয়ন পাওয়ায় ২৫-৩০টি মোটরসাইকেল নিয়ে চেয়ারম্যানের ছেলে ও তার কর্মী-সমর্থকরা সাবেক চেয়ারম্যান মো. শওকত আলী সরদারের বাড়ির সামনে মহড়া দেয়। এ সময় তারা বোমা ফাটিয়ে আনন্দ-উল্লাস করতে থাকেন। এতে এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনটি হাত বোমাসহ চেয়ারম্যানের ছেলেসহ দুজনকে গ্রেফতার করি। 

তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। 

এ বিষয়ে মৌরাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও নৌকার প্রার্থী হাবিবুর রহমান প্রামাণিক যুগান্তরকে বলেন, আমি নৌকার মনোনয়ন পাওয়ার পর আমার কর্মী-সমর্থকরা আনন্দ উল্লাস করে এক-দুটি পটকা জাতীয় কিছু ফাটিয়েছে। কিন্তু সেটি কোনো বোমা  ছিল না। তা ছাড়া ঘটনার সময় আমি ঢাকায় ছিলাম। ষড়যন্ত্র করে আমার ছেলেসহ অন্যদের ফাঁসানো হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পাংশা থানার পরিদর্শক (তদ্ন্ত) উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, রাতে মৌরাট ইউনিয়নে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে গিয়ে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

এ ছাড়া হাবাসপুর ইউনিয়ন থেকে পৃথক ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন