পদ বাণিজ্য, শিবপুর আ.লীগ সভাপতিকে অব্যাহতি
jugantor
পদ বাণিজ্য, শিবপুর আ.লীগ সভাপতিকে অব্যাহতি

  নরসিংদী প্রতিনিধি  

০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ২২:২৭:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অনৈতিকভাবে অর্থ আদায়, পদ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগের নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি হারুন-অর-রশিদ খানকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

সোমবার নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। হারুন-অর-রশিদ খান শিবপুর উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান।

জেলা আওয়ামী লীগের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অনৈতিকভাবে অর্থ আদায়, পদ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক শিবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি হারুন-অর-রশিদকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। সেই সাথে উপজেলা আওয়ামী লীগের ১নং সিনিয়র সহ-সভাপতি মহসিন নাজিরকে দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম ভুঁইয়া রাখিলকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় কার্যক্রম গতিশীল করতেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

হারুন-অর-রশিদ খান দীর্ঘ ২৫ বছর যাবত শিবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি বর্তমানে শিবপুর উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যানও।

তৃনমূল নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, ইউপি নির্বাচনে কেন্দ্রে নামের তালিকা পাঠানো নিয়ে বাণিজ্য করেছেন অব্যাহতিপ্রাপ্ত সভাপতি হারুন-অর-রশিদ খান। তিনি জনপ্রিয় নেতাকর্মীর নাম বাদ দিয়ে জনবিচ্ছিন্ন নেতাকর্মীদের নামের তালিকা কেন্দ্রে পাঠিয়েছে। শুধু তাই নয়, দলীয় হাই কমান্ডের নিকট চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নামের তালিকা পাঠানোর ক্ষেত্রেও অর্থনৈতিক বাণিজ্যে লিপ্ত হয়। ফলে জনপ্রিয়রা বাদ পড়ে যায়। ফলে তৃনমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।

তৃনমূল নেতাকর্মীরা আরও জানিয়েছেন, হারুন-অর-রশিদ খানকে শুধু অব্যাহতি দিলে চলবে না, অতি সম্প্রতি তার সঙ্গে অনৈতিক অর্থনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে মনোনয়ন পাওয়া অভিযুক্ত সব চেয়ারম্যান প্রার্থীদের দলীয় মনোনয়ন বাতিল করা হোক।

নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিএম তালেব হোসেন, হারুন খান শিবপুর আওয়ামী লীগকে প্রতিবন্ধী আওয়ামী লীগ তৈরি করেছে। তিনি নিজের স্বজনদের পদ দেওয়ার পাশাপাশি পদ বাণিজ্যে লিপ্ত ছিলেন। তার এসব কর্মকাণ্ডে নেতাকর্মীর মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক তাকে দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

শিবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির হারুন-অর-রশিদ খান বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী ও শিবপুর এমপিকে কটাক্ষ করে কোনো কথা কখনো বলিনি। ২০১৯ সালে পুটিয়া কাউন্সিলের একটি বক্তব্য এডিটিং করে কেন্দ্রে জমা দিয়েছে। যেটি সম্পূর্ণ মিথ্যে। এই চক্রটি সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। যার ফলে আমাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। আমি আমার নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বারস্থ হবো। পরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সব বিষয় উপস্থাপন করবো।

পদ বাণিজ্য, শিবপুর আ.লীগ সভাপতিকে অব্যাহতি

 নরসিংদী প্রতিনিধি 
০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অনৈতিকভাবে অর্থ আদায়, পদ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগের নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি হারুন-অর-রশিদ খানকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

সোমবার নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। হারুন-অর-রশিদ খান শিবপুর উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান।
 
জেলা আওয়ামী লীগের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অনৈতিকভাবে অর্থ আদায়, পদ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক শিবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি হারুন-অর-রশিদকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। সেই সাথে উপজেলা আওয়ামী লীগের ১নং সিনিয়র সহ-সভাপতি মহসিন নাজিরকে দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম ভুঁইয়া রাখিলকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় কার্যক্রম গতিশীল করতেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

হারুন-অর-রশিদ খান দীর্ঘ ২৫ বছর যাবত শিবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি বর্তমানে শিবপুর উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যানও।

তৃনমূল নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, ইউপি নির্বাচনে কেন্দ্রে নামের তালিকা পাঠানো নিয়ে বাণিজ্য করেছেন অব্যাহতিপ্রাপ্ত সভাপতি হারুন-অর-রশিদ খান। তিনি জনপ্রিয় নেতাকর্মীর নাম বাদ দিয়ে জনবিচ্ছিন্ন নেতাকর্মীদের নামের তালিকা কেন্দ্রে পাঠিয়েছে। শুধু তাই নয়, দলীয় হাই কমান্ডের নিকট চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নামের তালিকা পাঠানোর ক্ষেত্রেও অর্থনৈতিক বাণিজ্যে লিপ্ত হয়। ফলে জনপ্রিয়রা বাদ পড়ে যায়। ফলে তৃনমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।

তৃনমূল নেতাকর্মীরা আরও জানিয়েছেন, হারুন-অর-রশিদ খানকে শুধু অব্যাহতি দিলে চলবে না, অতি সম্প্রতি তার সঙ্গে অনৈতিক অর্থনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে মনোনয়ন পাওয়া অভিযুক্ত সব চেয়ারম্যান প্রার্থীদের দলীয় মনোনয়ন বাতিল করা হোক।

নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিএম তালেব হোসেন, হারুন খান শিবপুর আওয়ামী লীগকে প্রতিবন্ধী আওয়ামী লীগ তৈরি করেছে। তিনি নিজের স্বজনদের পদ দেওয়ার পাশাপাশি পদ বাণিজ্যে লিপ্ত ছিলেন। তার এসব কর্মকাণ্ডে নেতাকর্মীর মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক তাকে দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

শিবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির হারুন-অর-রশিদ খান বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী ও শিবপুর এমপিকে কটাক্ষ করে কোনো কথা কখনো বলিনি। ২০১৯ সালে পুটিয়া কাউন্সিলের একটি বক্তব্য এডিটিং করে কেন্দ্রে জমা দিয়েছে। যেটি সম্পূর্ণ মিথ্যে। এই চক্রটি সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। যার ফলে আমাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। আমি আমার নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বারস্থ হবো। পরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সব বিষয় উপস্থাপন করবো।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন