ভোটযুদ্ধে দুই সহোদর
jugantor
ভোটযুদ্ধে দুই সহোদর

  সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:২৩:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় চতুর্থ ধাপে ইউপি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হবে ২৬ ডিসেম্বর। মঙ্গলবার ছিল প্রতীক বরাদ্দের দিন। প্রতীক নিতে প্রার্থী-সমর্থক আর ভোটারের মিলনমেলা বসেছিল উপজেলা চত্বরে।

উপজেলার প্রাচীন জমিদার বাড়িখ্যাত বালিয়াটি ইউপিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী সোহেল আর মীরান একান্নভুক্ত পরিবারের আপন দুই ভাই। প্রতীক নিতে আসা দুই ভাইয়ের পেছনে ছিল ভোটার আর কর্মী-সমর্থকের বিশাল মিছিল।

আনারস আর মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন দুই সহোদর সোহেল ও মীরান। দুই ভাই ছাড়াও এখানে রয়েছেন একাধিক প্রার্থী। কে জিতবে আর কে হারবে উপজেলাজুড়ে এমনি নানা আলোচনার খোরাক হয়েছেন দুজনে।

প্রয়াত পিতার জনপ্রিয়তা কাজে লাগাতে প্রার্থী হয়েছেন দুই পুত্র মীর সোহেল চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট মীর আনিসুজ্জামান চৌধুরী। তাদের বাবা মো. আরশেদ আলী চৌধুরী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭১-পরবর্তী দুঃসময়ে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের হাল ধরেছিলেন আরশেদ আলী চৌধুরী। জমিদার আমলের ঐতিহাসিক বালিয়াটি ঈশ্বরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের দক্ষ প্রধান শিক্ষক হিসেবে সুনাম ছিল তার।

মরহুম আরশেদ আলী চৌধুরীর দুই পুত্র; একান্নভুক্ত পরিবারে শান্তিতে বসবাস দুই ভাইয়ের। উপজেলার বালিয়াটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নিজেকে উপযুক্ত মনে করেন দুইজনেই। আর তাই জনপ্রিয়তার অগ্নিপরীক্ষায় নেমেছেন দুই ভাই সোহেল ও মীরান।

চতুর্থ ধাপে ইউপি নির্বাচনে সাটুরিয়া উপজেলায় মঙ্গলবার ছিল প্রতীক বরাদ্দের দিন। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মীর সোহেল চৌধুরী পেয়েছেন আনারস প্রতীক আর ছোটভাই মীর আনিসুজ্জামান মীরান পেয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীক।

এ ব্যাপারে মীর সোহেল জানান, বাবার ভালোবাসার মানুষগুলো আমাকে ইউপি চেয়ারম্যান বানাতে মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছেন। সেই জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে বাল্যবিয়ে আর মাদকমুক্ত মডেল ইউনিয়ন গড়তে আমি প্রতিজ্ঞা করছি। প্রশাসনের নিরপেক্ষতা থাকলে ভোটাররাই জনপ্রিয়তার প্রমাণ করবেন।

ভোটযুদ্ধে দুই সহোদর

 সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:২৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় চতুর্থ ধাপে ইউপি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হবে ২৬ ডিসেম্বর। মঙ্গলবার ছিল প্রতীক বরাদ্দের দিন। প্রতীক নিতে প্রার্থী-সমর্থক আর ভোটারের মিলনমেলা বসেছিল উপজেলা চত্বরে।

উপজেলার প্রাচীন জমিদার বাড়িখ্যাত বালিয়াটি ইউপিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী সোহেল আর মীরান একান্নভুক্ত পরিবারের আপন দুই ভাই। প্রতীক নিতে আসা দুই ভাইয়ের পেছনে ছিল ভোটার আর কর্মী-সমর্থকের বিশাল মিছিল।

আনারস আর মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন দুই সহোদর সোহেল ও মীরান। দুই ভাই ছাড়াও এখানে রয়েছেন একাধিক প্রার্থী। কে জিতবে আর কে হারবে উপজেলাজুড়ে এমনি নানা আলোচনার খোরাক হয়েছেন দুজনে।

প্রয়াত পিতার জনপ্রিয়তা কাজে লাগাতে প্রার্থী হয়েছেন দুই পুত্র  মীর সোহেল চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট মীর আনিসুজ্জামান চৌধুরী। তাদের বাবা মো. আরশেদ আলী চৌধুরী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭১-পরবর্তী দুঃসময়ে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের হাল ধরেছিলেন আরশেদ আলী চৌধুরী। জমিদার আমলের ঐতিহাসিক বালিয়াটি ঈশ্বরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের দক্ষ প্রধান শিক্ষক হিসেবে সুনাম ছিল তার।

মরহুম আরশেদ আলী চৌধুরীর দুই পুত্র; একান্নভুক্ত পরিবারে শান্তিতে বসবাস দুই ভাইয়ের। উপজেলার বালিয়াটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নিজেকে উপযুক্ত মনে করেন দুইজনেই। আর তাই জনপ্রিয়তার অগ্নিপরীক্ষায় নেমেছেন দুই ভাই সোহেল ও মীরান।

চতুর্থ ধাপে ইউপি নির্বাচনে সাটুরিয়া উপজেলায় মঙ্গলবার ছিল প্রতীক বরাদ্দের দিন। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মীর সোহেল চৌধুরী পেয়েছেন আনারস প্রতীক আর ছোটভাই মীর আনিসুজ্জামান মীরান পেয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীক।

এ ব্যাপারে মীর সোহেল জানান, বাবার ভালোবাসার মানুষগুলো আমাকে ইউপি চেয়ারম্যান বানাতে মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছেন। সেই জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে বাল্যবিয়ে আর মাদকমুক্ত মডেল ইউনিয়ন গড়তে আমি প্রতিজ্ঞা করছি। প্রশাসনের নিরপেক্ষতা থাকলে ভোটাররাই জনপ্রিয়তার প্রমাণ করবেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন