ভাইয়ের লাশ দেখেই মারা গেলেন বোন
jugantor
ভাইয়ের লাশ দেখেই মারা গেলেন বোন

  চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি  

০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:৫৩:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

লাশ উদ্ধার

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ছোট ভাইয়ের লাশ দেখতে এসে মারা গেলেন বড় বোন।

বুধবার ভোরে উপজেলার সোনাতুনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত ভাইবোন হলেন— আবদুল মান্নান (৪০), ওই গ্রামের মৃত কাঙালি মণ্ডলের ছেলে ও বোন বেনী খাতুন (৪৫), চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আমিরপুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের স্ত্রী।

জানা গেছে, আলমডাঙ্গার জেহালা ইউনিয়নের সোনাতুনপুর গ্রামের মৃত কাঙালি মণ্ডলের ১০ সন্তান। চতুর্থ ছেলে আবদুল মান্নান স্ট্রোক করলে তাকে ১৯ দিন আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।

তার লাশ বুধবার ভোরে আলমডাঙ্গার নিজ গ্রাম সোনাতুনপুরে আনা হয়। তাকে শেষবারের মতো দেখতে আসেন তার সেজ বোন বেনী খাতুন।

ভোর ৫টার দিকে ভাই আবদুল মান্নানের মৃত মুখ দেখার সঙ্গে সঙ্গে তিনিও স্ট্রোক করেন। তাকে পাশের একটি ক্লিনিকে নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় জেহালা ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল হক রোকন যুগান্তরকে বলেন, ভাই আবদুল মান্নান মারা গেছেন জানতে পেরে তার সেজ বোন বেনী খাতুন ভোরে দেখতে আসেন। মুখ দেখার সঙ্গে সঙ্গে বেনী খাতুন চেয়ার থেকে পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারান। এর পরই ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ভাইয়ের লাশ দেখেই মারা গেলেন বোন

 চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি 
০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:৫৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
লাশ উদ্ধার
ফাইল ছবি

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ছোট ভাইয়ের লাশ দেখতে এসে মারা গেলেন বড় বোন।

বুধবার ভোরে উপজেলার সোনাতুনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত ভাইবোন হলেন— আবদুল মান্নান (৪০), ওই গ্রামের মৃত কাঙালি মণ্ডলের ছেলে ও বোন বেনী খাতুন (৪৫), চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আমিরপুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের স্ত্রী।

জানা গেছে, আলমডাঙ্গার জেহালা ইউনিয়নের সোনাতুনপুর গ্রামের মৃত কাঙালি মণ্ডলের ১০ সন্তান। চতুর্থ ছেলে আবদুল মান্নান স্ট্রোক করলে তাকে ১৯ দিন আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।

তার লাশ বুধবার ভোরে আলমডাঙ্গার নিজ গ্রাম সোনাতুনপুরে আনা হয়। তাকে শেষবারের মতো দেখতে আসেন তার সেজ বোন বেনী খাতুন।

ভোর ৫টার দিকে ভাই আবদুল মান্নানের মৃত মুখ দেখার সঙ্গে সঙ্গে তিনিও স্ট্রোক করেন। তাকে পাশের একটি ক্লিনিকে নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় জেহালা ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল হক রোকন যুগান্তরকে বলেন, ভাই আবদুল মান্নান মারা গেছেন জানতে পেরে তার সেজ বোন বেনী খাতুন ভোরে দেখতে আসেন। মুখ দেখার সঙ্গে সঙ্গে বেনী খাতুন চেয়ার থেকে পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারান। এর পরই ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন