গ্যাস বিস্ফোরণ: একে একে নিভে গেল সবার প্রাণপ্রদীপ
jugantor
গ্যাস বিস্ফোরণ: একে একে নিভে গেল সবার প্রাণপ্রদীপ

  কিশোরগঞ্জ ব্যুরো  

০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১৪:৫৬:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

স্বজনদের আহাজারি

মুন্সীগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে বাবা ছেলে ও মেয়ের পর মারা গেলেন মা শান্তা খানমও (২৭) ।

বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন থেকে তার মৃত্যু হয়। নিহত শান্তা খানম শরীরে ৫৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিলেন।

এর আগের গত ২ ডিসেম্বর রাতে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে কাওসার খান (৩৬), ছেলে ইয়াসিন (০৬) ও মেয়ে ফাতেমা নোহরের (০৩) মৃত্যু হয়।

কাওসার খান কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের বয়লা খাঁন বাড়ির বাসিন্দা আব্দুস সালাম খানের ছেলে। তিনি মুন্সীগঞ্জের আবুল খায়ের গ্রুপে ওয়েল্ডার (ঢালাইকারী) হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

গত ২ ডিসেম্বর ভোরে চর মুক্তারপুরের শাহ সিমেন্ট রোডে জয়নাল মিয়ার চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে কাওসারের পরিবারের চারজনসহ পাঁচজন ঘুমন্ত অবস্থায় দগ্ধ হন।

এ ঘটনায় কাওসারের স্ত্রী শান্তা খানম শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।

পরিবারের সর্বশেষ প্রদীপটিও নিভে যাওয়ায় আত্মীয়স্বজনরা শোকে পাথর হয়ে পড়েছেন।

নিহত কায়সার খানের মামা আসলাম খান জানিয়েছেন, শান্তা খানমকেও বয়লা গ্রামের বাড়ির পাশের মসজিদসংলগ্ন গোরস্তানে স্বামী ও ছেলেমেয়ের কবরের পাশে দাফন করা হবে।

গ্যাস বিস্ফোরণ: একে একে নিভে গেল সবার প্রাণপ্রদীপ

 কিশোরগঞ্জ ব্যুরো 
০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
স্বজনদের আহাজারি
ছবি: যুগান্তর

মুন্সীগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে বাবা ছেলে ও মেয়ের পর মারা গেলেন মা শান্তা খানমও (২৭) ।

বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন থেকে তার মৃত্যু হয়। নিহত শান্তা খানম শরীরে ৫৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিলেন।

এর আগের গত ২ ডিসেম্বর রাতে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে কাওসার খান (৩৬), ছেলে ইয়াসিন (০৬) ও মেয়ে ফাতেমা নোহরের (০৩) মৃত্যু হয়।

কাওসার খান কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের বয়লা খাঁন বাড়ির বাসিন্দা আব্দুস সালাম খানের ছেলে। তিনি মুন্সীগঞ্জের আবুল খায়ের গ্রুপে ওয়েল্ডার (ঢালাইকারী) হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

গত ২ ডিসেম্বর ভোরে চর মুক্তারপুরের শাহ সিমেন্ট রোডে জয়নাল মিয়ার চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে কাওসারের পরিবারের চারজনসহ পাঁচজন ঘুমন্ত অবস্থায় দগ্ধ হন।

এ ঘটনায় কাওসারের স্ত্রী শান্তা খানম শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।

পরিবারের সর্বশেষ প্রদীপটিও নিভে যাওয়ায় আত্মীয়স্বজনরা শোকে পাথর হয়ে পড়েছেন।

নিহত কায়সার খানের মামা আসলাম খান জানিয়েছেন, শান্তা খানমকেও বয়লা গ্রামের বাড়ির পাশের মসজিদসংলগ্ন গোরস্তানে স্বামী ও ছেলেমেয়ের কবরের পাশে দাফন করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন