হাসপাতালের ওষুধ পাচারের সময় হাতেনাতে স্টোরকিপার আটক

  পটুয়াখালী (দক্ষিণ) প্রতিনিধি ১৭ মে ২০১৮, ২৩:০০ | অনলাইন সংস্করণ

ওষুধ

পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের স্টোররুম থেকে মূল্যবান অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন পাচার করার সময় স্টোরকিপার হারুন অর রশিদকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ৯৬টি (আল্টাপাইন-৫০০) ইনজেকশন নিয়ে যাওয়ার সময় হাসপাতালের এক এমএলএসএস কাম সর্দারের হাতে ধরা পড়েন তিনি। এ ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি ও স্টোর ভেরিফিকেশনের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুর রহিম জানান, স্টোরকিপার হারুন অর রশিদ একটি কার্টুন নিয়ে পালানোর সময় হাসপাতালের এমএলএসএস কাম সর্দার মো. জাফরের হাতে ধরা পড়েন। ওই সময়ে স্টোরকিপার হারুনকে তার রুমে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কাছে ৯৬টি ইনজেকশন উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।

তিনি জানান, এ ঘটনায় হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আব্দুল মতিনকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে এই কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

এমএলএসএস মো. জাফর বলেন, ‘স্টোররুম থেকে একটি কার্টুন নিয়ে স্টোরকিপার হাসপাতালের বাইরে যাচ্ছিলেন। এ সময় তাকে কার্টুনে কী আছে জানতে চাইলে স্টোরকিপার দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। আমি তাকে ধরে ফেললে তিনি আমাকে কামড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে অন্যান্য স্টাফদের সহযোগিতায় কার্টুনসহ তাকে আটক করে সুপারের রুমে নিয়ে যাই। এ সময় কার্টুন থেকে ৯৬টি দামি ইনজেকশন পাওয় যায়। স্টোরকিপার নিয়মিত হাসপাতাল থেকে ওষুধ বাইরে পাচার করে আসছেন।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত স্টোরকিপার হারুন অর রশিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না।’

প্রসঙ্গত, পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতালে সরকারিভাবে পর্যাপ্ত ওষুধের সরবরাহ থাকলেও রোগীদের মাঝে ওষুধ সরবরাহ না করার অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×