সমুদ্রের বালুচরে মাটিতে চির নিদ্রায় সেই তিমি!

  কুয়াকাটা ২০ মে ২০১৮, ২১:১৩ | অনলাইন সংস্করণ

সমুদ্রের বালুচরে মাটিতে চির নিদ্রায় সেই তিমি
ছবি: যগান্তর

কুয়াকাটার সমুদ্রসৈকতে ভেসে আসা সেই তিমিকে সৈকতের বালুচরে চাপা দেয়া হয়েছে।

রোববার সকাল থেকে খোঁড়াখুড়ি চলে দুপুর পর্যন্ত। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তানভীর রহমানের তত্ত্বাবধায়নে মাটিচাপা দেয়ার কাজ শেষ করেন।

এ সময় মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার ভোররাতের দিকে কুয়াকাটা সৈকতে ৪৫ ফুট লম্বা একটি মৃত তিমি ভেসে আসে।

কুয়াকাটা ঝাউবন এলাকার সৈকতে শনিবার ভোরে প্রথমে পর্যটকদের নজরে এলে মুহূর্তে খবরটি ছড়িয়ে যায়। এরপর অন্য পর্যটক ও স্থানীয় লোকজন মাছটিকে একনজর দেখতে সেখানে ভিড় করেন। ধারণা করা হচ্ছে অন্তত ১৫দিন আগে গভীর সমুদ্রে তিমিটি মারা গিয়েছিল।

সামুদ্রিক জীববৈচিত্র সংরক্ষণকারী গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ড লাইফ কনজার্ভেশন সোসাইটির মেরিন এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং কোঅর্ডিনেটর ফারহানা আখতার কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে আসা তিমিটি প্রসঙ্গে বলেন, এটি ব্রিডিস তিমি বা বেলিন তিমি। এদের দাঁত থাকে না, এর বদলে ছাঁকনির মত অংশ থাকে। যার মাধ্যমে এরা পানি থেকে ছোট ছোট মাছ ও চিংড়ি জাতীয় প্রাণি খেয়ে বাঁচে।

এরা সাধারণত ৪০ থেকে ৫০ ফুটের মত লম্বা হয়ে থাকে। ধূসর বর্ণের এই তিমির মাথা খাটো ও চওড়া এবং মাথায় তিনটি সমান্তরাল খাঁজ থাকে, যা দিয়ে সহজেই এদের আলাদা করা যায়। এরা সাধারণত ১২ বছর বয়স থেকে বাচ্চা জন্ম দিতে পারে।

বাংলাদেশের জল সীমানায় সোয়াচ-অব-নো গ্রাউন্ড এলাকায় এদেরকে সচরাচর দেখা যায়। এখনও এদের বিষয়ে অনেক গবেষণা চলছে বলেও জানান ফারহানা আখতার।

এদিকে, কুয়াকাটা সৈকতে পাওয়া তিমিটি পর্যটকদের জন্য সংরক্ষণের দাবি উঠেছে। কুয়াকাটা প্রেসক্লাব সভাপতি নাসির উদ্দিন বিপ্লব বলেন, কুয়াকাটা সৈকতে পাওয়া তিমিটির অন্তত কঙ্কালটি হলেও পর্যটকদের জন্য সংরক্ষণের উদ্যোগ নিতে হবে।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম বলেন, এটি এখন আর আমাদের দায়-দায়িত্বের মধ্যে নেই। কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন।

বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তানভীর রহমান বলেন, আমরা একটি মৃত তিমি উদ্ধারের খবর পেয়েছি এবং এটিকে পর্যটকদের জন্য কোনভাবে সংরক্ষণ করা যায় কি-না সেটি দেখছি।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×