সিরিয়াল কিলার বাউল হেলাল বগুড়ার কারাগারে
jugantor
সিরিয়াল কিলার বাউল হেলাল বগুড়ার কারাগারে

  বগুড়া ব্যুরো  

১৪ জানুয়ারি ২০২২, ২২:১৩:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

হত্যাসহ বিভিন্ন মামলার ফেরারি আসামি ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হেলাল হোসেন ওরফে সেলিম ফকিরকে (৪৫) শুক্রবার বিকালে বগুড়া জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে র‌্যাব-১২ স্পেশাল কোম্পানির পক্ষ থেকে তাকে সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।

পরে তাকে বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিষ্কৃতি হাগিদকের আদালতে হাজির করা হলে আদালত কাস্টডি পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সদর থানার ওসি সেলিম রেজা জানান, একটি হত্যা মামলায় হেলাল যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত। সাজা থেকে বাঁচতে গত তিনি ২০ বছর বাউল বেশে বিভিন্ন জেলায় অবস্থান করেন।

পুলিশ জানায়, হেলাল হোসেন ওরফে সেলিম ফকির ওরফে লুলা হেলাল বগুড়া শহরের ফুলবাড়ি মধ্যপাড়ার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে। দুই ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে হেলাল দ্বিতীয়। র‌্যাব সদস্যরা শুক্রবার দুপুরে হেলালকে সদর থানায় সোপর্দ করেন।

গত ২০০১ সালে বগুড়ার মাহমুদুল হাসান বিদ্যুৎ হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজা হওয়ার পর তিনি গা ঢাকা দেন। এ সাজার ওয়ারেন্টমূলে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। সেখানে তার সাথে দেখা করতে আসেন, মা বিলকিস বেওয়া, ছেলে হেদায়েতুল ইসলামসহ কয়েকজন আত্মীয়।

সিরিয়াল কিলার বাউল হেলাল বগুড়ার কারাগারে

 বগুড়া ব্যুরো 
১৪ জানুয়ারি ২০২২, ১০:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হত্যাসহ বিভিন্ন মামলার ফেরারি আসামি ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হেলাল হোসেন ওরফে সেলিম ফকিরকে (৪৫) শুক্রবার বিকালে বগুড়া জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে র‌্যাব-১২ স্পেশাল কোম্পানির পক্ষ থেকে তাকে সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।

পরে তাকে বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিষ্কৃতি হাগিদকের আদালতে হাজির করা হলে আদালত কাস্টডি পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সদর থানার ওসি সেলিম রেজা জানান, একটি হত্যা মামলায় হেলাল যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত। সাজা থেকে বাঁচতে গত তিনি ২০ বছর বাউল বেশে বিভিন্ন জেলায় অবস্থান করেন।

পুলিশ জানায়, হেলাল হোসেন ওরফে সেলিম ফকির ওরফে লুলা হেলাল বগুড়া শহরের ফুলবাড়ি মধ্যপাড়ার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে। দুই ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে হেলাল দ্বিতীয়। র‌্যাব সদস্যরা শুক্রবার দুপুরে হেলালকে সদর থানায় সোপর্দ করেন।

গত ২০০১ সালে বগুড়ার মাহমুদুল হাসান বিদ্যুৎ হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজা হওয়ার পর তিনি গা ঢাকা দেন। এ সাজার ওয়ারেন্টমূলে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। সেখানে তার সাথে দেখা করতে আসেন, মা বিলকিস বেওয়া, ছেলে হেদায়েতুল ইসলামসহ কয়েকজন আত্মীয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন