এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে গ্রেফতার করা হচ্ছে: তৈমুর
jugantor
এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে গ্রেফতার করা হচ্ছে: তৈমুর

  রাজু আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ  

১৬ জানুয়ারি ২০২২, ১৪:০৬:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

তৈমুর

এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে গ্রেফতারের অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার।

রোববার দুপুর ১টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের ৮নং ওয়ার্ডের আইলপালা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে ইভিএম মেশিনে ভোটগ্রহণে সমস্যা হচ্ছে।

অভিযোগ করে হাতির মার্কার এই প্রার্থী বলেন, বন্দরের ২০নং ওয়ার্ডে সিটি করপোরেশনের শীর্ষ ঠিকাদার ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান আমার এজেন্ট মনোয়ার হোসেন শোখনকে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

নগরীর ১১নং ওয়ার্ডের আইইটি সরকারি বিদ্যালয়কেন্দ্রের বাইরে থেকে আমার চার সমর্থককে পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে।

এ ছাড়া নগরীর ১২নং ওয়ার্ডে বার একাডেমি কেন্দ্রের কয়েকটি বুথে আমার প্রতীক হাতির মার্কার বাটন নষ্ট করে রাখা হয়েছে।

১১নং ওয়ার্ড এর বিবি মরিয়ম স্কুলকেন্দ্রের পুরুষ কক্ষে, ১৩নং ওয়ার্ডের আমলাপাড়া আদর্শ বালিকা স্কুলের মহিলা কেন্দ্রের ইবিএম মেশিনে সমস্যা করে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি এলাকায় থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজি ইয়াসিন কেন্দ্রে প্রবেশ করে তার এজেন্টদের বের করে দিয়েছেন।

তৈমুর অভিযোগ করে বলেন, হাতি প্রতীকের ভোট যেসব এলাকায় বেশি সেখানে ভোটগ্রহণ স্লো করা হচ্ছে। এনআইডি কার্ডের অজুহাতে কিংবা ভোটা লিস্টের অজুহাতে ভোটারদের বিলম্ব করিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এ সময় তিনি আরও বলেন, জনতা ও হাতির বিজয় নিশ্চিত জেনে সরকারদলীয় লোকজন একদিকে এসব কর্মকাণ্ড করছে, অপরদিকে স্থানীয় প্রশাসন, ইসি কর্মকর্তারা সরাসরি সরকারদলীয় প্রার্থীর পক্ষে ম্যাকানিজম করছেন। কিন্তু তাদের এখনও সময় আছে বোঝার। আমি জনতার প্রার্থী আর হাতি জনতার প্রতীক। জনতার রায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনতার জবাব কাঁধে নেওয়ার শক্তি সামর্থ্য তাদের থাকবে না।

এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে গ্রেফতার করা হচ্ছে: তৈমুর

 রাজু আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ 
১৬ জানুয়ারি ২০২২, ০২:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
তৈমুর
ফাইল ছবি

এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে গ্রেফতারের অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার।

রোববার দুপুর ১টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের ৮নং ওয়ার্ডের আইলপালা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ অভিযোগ করেন।  তিনি বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে ইভিএম মেশিনে ভোটগ্রহণে সমস্যা হচ্ছে।

অভিযোগ করে হাতির মার্কার এই প্রার্থী বলেন, বন্দরের ২০নং ওয়ার্ডে সিটি করপোরেশনের শীর্ষ ঠিকাদার ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান আমার এজেন্ট মনোয়ার হোসেন শোখনকে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

নগরীর ১১নং ওয়ার্ডের আইইটি সরকারি বিদ্যালয়কেন্দ্রের বাইরে থেকে আমার চার সমর্থককে পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে।

এ ছাড়া নগরীর ১২নং ওয়ার্ডে বার একাডেমি কেন্দ্রের কয়েকটি বুথে আমার প্রতীক হাতির মার্কার বাটন নষ্ট করে রাখা হয়েছে।

১১নং ওয়ার্ড এর বিবি মরিয়ম স্কুলকেন্দ্রের পুরুষ কক্ষে, ১৩নং ওয়ার্ডের আমলাপাড়া আদর্শ বালিকা স্কুলের মহিলা কেন্দ্রের ইবিএম মেশিনে সমস্যা করে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি এলাকায় থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজি ইয়াসিন কেন্দ্রে প্রবেশ করে তার এজেন্টদের বের করে দিয়েছেন।

তৈমুর অভিযোগ করে বলেন, হাতি প্রতীকের ভোট যেসব এলাকায় বেশি সেখানে ভোটগ্রহণ স্লো করা হচ্ছে। এনআইডি কার্ডের অজুহাতে কিংবা ভোটা লিস্টের অজুহাতে ভোটারদের বিলম্ব করিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এ সময় তিনি আরও বলেন, জনতা ও হাতির বিজয় নিশ্চিত জেনে সরকারদলীয় লোকজন একদিকে এসব কর্মকাণ্ড করছে, অপরদিকে স্থানীয় প্রশাসন, ইসি কর্মকর্তারা সরাসরি সরকারদলীয় প্রার্থীর পক্ষে ম্যাকানিজম করছেন। কিন্তু তাদের এখনও সময় আছে বোঝার। আমি জনতার প্রার্থী আর হাতি জনতার প্রতীক। জনতার রায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনতার জবাব কাঁধে নেওয়ার শক্তি সামর্থ্য তাদের থাকবে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন