যুবলীগ নেতা প্রিন্স হত্যায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার
jugantor
যুবলীগ নেতা প্রিন্স হত্যায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার

  মুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি  

১৭ জানুয়ারি ২০২২, ২২:৫২:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের মুলাদীতে যুবলীগ নেতা আবুল বাশার প্রিন্স হত্যা মামলায় বাটামারা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম সিকদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার রাতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) সেলিমপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ৯ মার্চ রাতে বাটামারা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কালাম হাওলাদার এবং চুন্নু হাওলাদার দেশীয় অস্ত্রসহ ৫০-৬০ জন লোক নিয়ে চর আলিমাবাদ এলাকায় ফসলি জমির মধ্য দিয়ে রাস্তা নির্মাণ শুরু করেন।

ওই সময় জমির মালিক নাজিরপুর ইউনিয়নের সাহেবের চর গ্রামের নেছার সিকদার, তার ছেলে আবুল বাশার প্রিন্স, চাচাতো ভাই মেজবাহ উদ্দীন সিকদার রাস্তা নির্মাণে বাধা দেন।

এতে তারা ক্ষুব্ধ হন এবং যেকোনো মূল্যে রাস্তার কাজ করার ঘোষণা দেন। পরে ওই রাতেই তারা জমির মালিকদের প্রতিহত করতে এলাকায় ‘ডাকাত’ ঢুকেছে বলে মাইকে ঘোষণা দেন।

একপর্যায়ে এলাকার লোকজন জড়ো হয়ে জমির মালিকদের ওপর হামলা চালান। ওই সময় হামলাকারীরা যুবলীগ নেতা প্রিন্সকে পিটিয়ে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়।

১১ মার্চ বিকালে আড়িয়াল খাঁ নদী থেকে প্রিন্সের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় প্রিন্সের বাবা নেছার সিকদার বাদী হয়ে রাতে ইউপি সদস্য আবুল কালামসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।

এ ঘটনায় বিভিন্ন সময় পুলিশ পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার করে কয়েক দফা জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম সিকদার সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে আদালতে জবানবন্দি দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুলাদী থানার এসআই আবুল কালাম জানান, যুবলীগ নেতা আবুল বাশার প্রিন্স হত্যায় জড়িত থাকায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম সিকদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

যুবলীগ নেতা প্রিন্স হত্যায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার

 মুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি 
১৭ জানুয়ারি ২০২২, ১০:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের মুলাদীতে যুবলীগ নেতা আবুল বাশার প্রিন্স হত্যা মামলায় বাটামারা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম সিকদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

রোববার রাতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) সেলিমপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে। 

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ৯ মার্চ রাতে বাটামারা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কালাম হাওলাদার এবং চুন্নু হাওলাদার দেশীয় অস্ত্রসহ ৫০-৬০ জন লোক নিয়ে চর আলিমাবাদ এলাকায় ফসলি জমির মধ্য দিয়ে রাস্তা নির্মাণ শুরু করেন। 

ওই সময় জমির মালিক নাজিরপুর ইউনিয়নের সাহেবের চর গ্রামের নেছার সিকদার, তার ছেলে আবুল বাশার প্রিন্স, চাচাতো ভাই মেজবাহ উদ্দীন সিকদার রাস্তা নির্মাণে বাধা দেন। 

এতে তারা ক্ষুব্ধ হন এবং যেকোনো মূল্যে রাস্তার কাজ করার ঘোষণা দেন। পরে ওই রাতেই তারা জমির মালিকদের প্রতিহত করতে এলাকায় ‘ডাকাত’ ঢুকেছে বলে মাইকে ঘোষণা দেন। 

একপর্যায়ে এলাকার লোকজন জড়ো হয়ে জমির মালিকদের ওপর হামলা চালান। ওই সময় হামলাকারীরা যুবলীগ নেতা প্রিন্সকে পিটিয়ে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়। 

১১ মার্চ বিকালে আড়িয়াল খাঁ নদী থেকে প্রিন্সের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় প্রিন্সের বাবা নেছার সিকদার বাদী হয়ে রাতে ইউপি সদস্য আবুল কালামসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। 

এ ঘটনায় বিভিন্ন সময় পুলিশ পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার করে কয়েক দফা জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম সিকদার সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে আদালতে জবানবন্দি দেন। 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুলাদী থানার এসআই আবুল কালাম জানান, যুবলীগ নেতা আবুল বাশার প্রিন্স হত্যায় জড়িত থাকায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম সিকদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন