হত্যা মামলায় একজনের আমৃত্যু, দুজনের যাবজ্জীবন
jugantor
হত্যা মামলায় একজনের আমৃত্যু, দুজনের যাবজ্জীবন

  কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি   

১৮ জানুয়ারি ২০২২, ১৭:১৮:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

হত্যা মামলায় একজনের আমৃত্যু, দুজনের যাবজ্জীবন

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে হত্যা মামলার তিন আসামির মধ্যে একজনের আমৃত্যু ও দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাজুল ইসলাম এ রায় দেন।

আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন- বাগুলাট ইউনিয়নের কালিকাতলা গ্রামের মুনছের মোল্লার ছেলে সালাম মোল্লা। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- একই ইউনিয়নের শানপুকুরিয়া গ্রামের আমির হামজার ছেলে সাইফুল ইসলাম ও কালিকাতলা এলাকার হারুনার রশিদ হারুর ছেলে রেজাউল জোয়ার্দার কালু।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের পুলিশি পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৩ মে রাতে শহিদুল ইসলাম নিখোঁজ হন। পরে ২৮ মে সকাল ৬টার দিকে কালিতলা এলাকায় একটি ডোবায় তার গলাকাটা মরদেহ শনাক্ত করেন পরিবারের লোকজন। পরে কুমারখালী থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। সেদিন নিহত শহিদুল ইসলামের বাবা মুনছের আলী বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৬ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে ১৮ জানুয়ারি রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। এ মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে মঙ্গলবার আদালত এ রায় দেন।

এদিকে নিহত শহিদুল ইসলামের বাবা মুনছের আলী রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আমার ছেলে শহিদুল ইসলামকে নির্মম নির্যাতন করে গলাকেটে হত্যা করে আসামিরা। ১১ বছর পর এ রায়ে আমরা খুবই খুশি। তবে তাদের ফাঁসি হলে আমরা আরও বেশি খুশি হতাম।

পিপি অনুপ কুমার নন্দী বলেন, হত্যা মামলায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং একজনের আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

হত্যা মামলায় একজনের আমৃত্যু, দুজনের যাবজ্জীবন

 কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি  
১৮ জানুয়ারি ২০২২, ০৫:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
হত্যা মামলায় একজনের আমৃত্যু, দুজনের যাবজ্জীবন
ছবি: সংগৃহিত

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে হত্যা মামলার তিন আসামির মধ্যে একজনের আমৃত্যু ও দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাজুল ইসলাম এ রায় দেন।

আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন- বাগুলাট ইউনিয়নের কালিকাতলা গ্রামের মুনছের মোল্লার ছেলে সালাম মোল্লা। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- একই ইউনিয়নের শানপুকুরিয়া গ্রামের আমির হামজার ছেলে সাইফুল ইসলাম ও কালিকাতলা এলাকার হারুনার রশিদ হারুর ছেলে রেজাউল জোয়ার্দার কালু।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের পুলিশি পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৩ মে রাতে শহিদুল ইসলাম নিখোঁজ হন। পরে ২৮ মে সকাল ৬টার দিকে কালিতলা এলাকায় একটি ডোবায় তার গলাকাটা মরদেহ শনাক্ত করেন পরিবারের লোকজন। পরে কুমারখালী থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। সেদিন নিহত শহিদুল ইসলামের বাবা মুনছের আলী বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৬ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে ১৮ জানুয়ারি রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। এ মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে মঙ্গলবার আদালত এ রায় দেন। 

এদিকে নিহত শহিদুল ইসলামের বাবা মুনছের আলী রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আমার ছেলে শহিদুল ইসলামকে নির্মম নির্যাতন করে গলাকেটে হত্যা করে আসামিরা। ১১ বছর পর এ রায়ে আমরা খুবই খুশি। তবে তাদের ফাঁসি হলে আমরা আরও বেশি খুশি হতাম। 

পিপি অনুপ কুমার নন্দী বলেন, হত্যা মামলায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং একজনের আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন