আইনজীবীর বিয়ে যেন আরব ধনকুবেরের প্রতিচ্ছবি
jugantor
আইনজীবীর বিয়ে যেন আরব ধনকুবেরের প্রতিচ্ছবি

  আবুল খায়ের, কুমিল্লা ব্যুরো  

১৮ জানুয়ারি ২০২২, ১৯:২০:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লায় ৯০ বছর বয়সী আইনজীবী ইসমাইল হোসেনের বিয়ে নিয়ে নগরজুড়ে কৌতূহলের যেন শেষ নেই। প্রবীণ এই আইনজীবীর বিয়ে আরব ধনকুবেরদেরও হার মানায় বলে মন্তব্য করেছেন অনেক ফেসবুক নেটিজেন। এ বিয়ে নিয়ে ফেসবুকে চলছে অনেক হাস্যরস।

কথায় আছে প্রেমের কোনো বয়স নেই, বিয়ের বয়স শুরুর সময় নির্ধারণ থাকলেও কতো বয়স পর্যন্ত বিয়ে করতে পারবেন তার কোনো বিধি-বিধান নেই। সবই নির্ভর করে মনের ওপর। তেমনি মনের ওপর জোর রেখে ৯০ বছর বয়সে ৪০ বছর বয়সী মিনরাকে নতুন জীবন সাথী করলেন আইনজীবী। নতুন এ বর-কনেকে নিয়ে রীতিমতো ফেসবুকে চলছে অভিনন্দন ও আলোচনার ঝড়।

সহকর্মীরা ফুল মিষ্টি নিয়ে ভিড় করছেন বাড়িতে। মঙ্গলবার নিজ কর্মস্থল আদালত প্রাঙ্গণে এলে নতুন বর হিসেবে অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেনকে সহকর্মী আইনজীবীরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

জানা যায়, কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সাবেক পাঁচবারের সভাপতি মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন। বয়স ৯০। এই বয়সে বিয়ে করে সবার দোয়া চেয়েছেন তিনি। সোমবার দুপুরে কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালীপট্টির ৪০ বছর বয়সী মিনরা বেগমকে বিয়ে করেন ওই আইনজীবী।

কুমিল্লা আদালতের পাশেই তার বাসভবন। বিয়েতে ৫০ জনের মতো বরযাত্রীও উপস্থিত ছিলেন। বিয়ের পর তার আইনজীবী ছেলে তাদের দুজনকে ঘরে তুলে নিয়েছেন।

মোহাম্মদ ইসমাইল জানান, ১৯৭০ সালের ২ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার আদালতে আইনজীবী হিসেবে তিনি কাজ শুরু করেন। এখনো নিয়মিত আদালতে যান। কুমিল্লা আইনজীবী সমিতিতে তিনি পাঁচবার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

ইসমাইলের প্রথম স্ত্রী মাহমুদা বেগম সাত বছর আগে মারা গেছেন। তাদের পাঁচ ছেলে রয়েছেন। মোহাম্মদ ইসমাইলের বড় ছেলে মোহাম্মদ ইসহাক সিদ্দিকীও আইনজীবী।

মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, শেষ জীবনে আসলে শরীরে শক্তি থাকে না। এ সময় একা চলা কষ্টের ব্যাপার। একজন সঙ্গী হলে পথচলা সহজ হয়। তাই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার স্ত্রীর নাম মিনরা বেগম। তিনি একজন গৃহিণী।

বয়স সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেকে বলছেন আমার বয়স ৯০/৯৩ বছর, তবে এত হবে না। ৮৫ বছরের উপরে, ৮৬ বা ৮৭ হতে পারে। আমি সবার কাছে দোয়া চাই। যেন বাকি জীবনটা মিনরাকে নিয়ে সুখে থাকতে পারি।

মোহাম্মদ ইসমাইলের বড় ছেলে মোহাম্মদ ইসহাক সিদ্দিকীও আইনজীবী। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এ বিয়েতে খুশি হয়েছি। আমরাই বাবাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছি বিয়ে করার জন্য। তাদের দুজনকে বাসায় তুলে এনেছি।

আইনজীবীর বিয়ে যেন আরব ধনকুবেরের প্রতিচ্ছবি

 আবুল খায়ের, কুমিল্লা ব্যুরো 
১৮ জানুয়ারি ২০২২, ০৭:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লায় ৯০ বছর বয়সী আইনজীবী ইসমাইল হোসেনের বিয়ে নিয়ে নগরজুড়ে কৌতূহলের যেন শেষ নেই। প্রবীণ এই আইনজীবীর বিয়ে আরব ধনকুবেরদেরও হার মানায় বলে মন্তব্য করেছেন অনেক ফেসবুক নেটিজেন। এ বিয়ে নিয়ে ফেসবুকে চলছে অনেক হাস্যরস। 

কথায় আছে প্রেমের কোনো বয়স নেই, বিয়ের বয়স শুরুর সময় নির্ধারণ থাকলেও কতো বয়স পর্যন্ত বিয়ে করতে পারবেন তার কোনো বিধি-বিধান নেই। সবই নির্ভর করে মনের ওপর। তেমনি মনের ওপর জোর রেখে ৯০ বছর বয়সে ৪০ বছর বয়সী মিনরাকে নতুন জীবন সাথী করলেন আইনজীবী। নতুন এ বর-কনেকে নিয়ে রীতিমতো ফেসবুকে চলছে অভিনন্দন ও আলোচনার ঝড়।

সহকর্মীরা ফুল মিষ্টি নিয়ে ভিড় করছেন বাড়িতে। মঙ্গলবার নিজ কর্মস্থল আদালত প্রাঙ্গণে এলে নতুন বর হিসেবে অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেনকে সহকর্মী আইনজীবীরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। 

জানা যায়, কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সাবেক পাঁচবারের সভাপতি মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন। বয়স ৯০। এই বয়সে বিয়ে করে সবার দোয়া চেয়েছেন তিনি। সোমবার দুপুরে কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালীপট্টির ৪০ বছর বয়সী মিনরা বেগমকে বিয়ে করেন ওই আইনজীবী।

কুমিল্লা আদালতের পাশেই তার বাসভবন। বিয়েতে ৫০ জনের মতো বরযাত্রীও উপস্থিত ছিলেন। বিয়ের পর তার আইনজীবী ছেলে তাদের দুজনকে ঘরে তুলে নিয়েছেন। 

মোহাম্মদ ইসমাইল জানান, ১৯৭০ সালের ২ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার আদালতে আইনজীবী হিসেবে তিনি কাজ শুরু করেন। এখনো নিয়মিত আদালতে যান। কুমিল্লা আইনজীবী সমিতিতে তিনি পাঁচবার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

ইসমাইলের প্রথম স্ত্রী মাহমুদা বেগম সাত বছর আগে মারা গেছেন। তাদের পাঁচ ছেলে রয়েছেন। মোহাম্মদ ইসমাইলের বড় ছেলে মোহাম্মদ ইসহাক সিদ্দিকীও আইনজীবী।

মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, শেষ জীবনে আসলে শরীরে শক্তি থাকে না। এ সময় একা চলা কষ্টের ব্যাপার। একজন সঙ্গী হলে পথচলা সহজ হয়। তাই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার স্ত্রীর নাম মিনরা বেগম। তিনি একজন গৃহিণী।

বয়স সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেকে বলছেন আমার বয়স ৯০/৯৩ বছর, তবে এত হবে না। ৮৫ বছরের উপরে, ৮৬ বা ৮৭ হতে পারে। আমি সবার কাছে দোয়া চাই। যেন বাকি জীবনটা মিনরাকে নিয়ে সুখে থাকতে পারি।

মোহাম্মদ ইসমাইলের বড় ছেলে মোহাম্মদ ইসহাক সিদ্দিকীও আইনজীবী। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এ বিয়েতে খুশি হয়েছি। আমরাই বাবাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছি বিয়ে করার জন্য। তাদের দুজনকে বাসায় তুলে এনেছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন