অফিস সহকারীকে ১১ ঘণ্টা আটকে নির্যাতনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
jugantor
অফিস সহকারীকে ১১ ঘণ্টা আটকে নির্যাতনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

  নাটোর প্রতিনিধি  

১৮ জানুয়ারি ২০২২, ২০:২০:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ কর্মকর্তাদের নির্যাতনের বিচার ও হয়রানিমূলক বদলির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নাটোরের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর প্রয়াত অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খানের পরিবারের সদস্যরা।

মঙ্গলবার দুপুরে নাটোর শহরের হাফরাস্তা এলাকায় স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে নির্যাতিতের পরিবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নির্যাতিত রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের অফিস সহকারী কামরুল হাসানের স্ত্রী কুমকুম ইয়ারা বেগম এ অভিযোগ করেন।

তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, গত ১১ জানুয়ারি অফিস সময় শেষ হওয়ার দেড় ঘণ্টা আগে বাড়ি চলে যাওয়ায় পরদিন তার স্বামীকে নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলামের কক্ষে আটকে রেখে দফায় দফায় মারপিট ও নির্যাতন চালানো হয়। টানা ১১ ঘণ্টা নির্যাতনের পর কুমকুম ইয়ারা বেগম খবর পেয়ে নাটোর থেকে রাজশাহী গিয়ে পুলিশের সহায়তায় বন্দিদশা থেকে তার স্বামী কামরুলকে উদ্ধার করেন।

এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়া হলে কামরুলকে ভোলা জেলায় বদলি করা হয়। তবে পুলিশ এখনো মামলাটি রেকর্ড করেনি বলে দাবি করেন কুমকুম।

তিনি বলেন, আমরা বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যরা নির্বাহী প্রকৌশলী এবং তার অনুগত কিছু ঠিকাদার ও সন্ত্রাসীদের ভয়ে দিনযাপন করছি। তারা যে কোনো মুহূর্তে আবারো আমাদের ওপর হামলা করতে পারে। সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারপূর্বক শাস্তি দাবি করছি। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী, পানিসম্পদ মন্ত্রী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

সংবাদ সম্মেলনে কামরুলের মা নাটোরের বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খানের সহধর্মিণী রিনা বেগমও উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম শেখ সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কর্মচারী কামরুল হাসান আমার কক্ষে প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং একপর্যায়ে আমার গায়ে হাত তোলেন। এ বিষয়ে আমি থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছি।

অফিস সহকারীকে ১১ ঘণ্টা আটকে নির্যাতনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

 নাটোর প্রতিনিধি 
১৮ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ কর্মকর্তাদের নির্যাতনের বিচার ও হয়রানিমূলক বদলির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নাটোরের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর প্রয়াত অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খানের পরিবারের সদস্যরা।

মঙ্গলবার দুপুরে নাটোর শহরের হাফরাস্তা এলাকায় স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে নির্যাতিতের পরিবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নির্যাতিত রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের অফিস সহকারী কামরুল হাসানের স্ত্রী কুমকুম ইয়ারা বেগম এ অভিযোগ করেন।

তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, গত ১১ জানুয়ারি অফিস সময় শেষ হওয়ার দেড় ঘণ্টা আগে বাড়ি চলে যাওয়ায় পরদিন তার স্বামীকে নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলামের কক্ষে আটকে রেখে দফায় দফায় মারপিট ও নির্যাতন চালানো হয়। টানা ১১ ঘণ্টা নির্যাতনের পর কুমকুম ইয়ারা বেগম খবর পেয়ে নাটোর থেকে রাজশাহী গিয়ে পুলিশের সহায়তায় বন্দিদশা থেকে তার স্বামী কামরুলকে উদ্ধার করেন।

এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়া হলে কামরুলকে ভোলা জেলায় বদলি করা হয়। তবে পুলিশ এখনো মামলাটি রেকর্ড করেনি বলে দাবি করেন কুমকুম।

তিনি বলেন, আমরা বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যরা নির্বাহী প্রকৌশলী এবং তার অনুগত কিছু ঠিকাদার ও সন্ত্রাসীদের ভয়ে দিনযাপন করছি। তারা যে কোনো মুহূর্তে আবারো আমাদের ওপর হামলা করতে পারে। সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারপূর্বক শাস্তি দাবি করছি। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী, পানিসম্পদ মন্ত্রী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

সংবাদ সম্মেলনে কামরুলের মা নাটোরের বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খানের সহধর্মিণী রিনা বেগমও উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম শেখ সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কর্মচারী কামরুল হাসান আমার কক্ষে প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং একপর্যায়ে আমার গায়ে হাত তোলেন। এ বিষয়ে আমি থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন