পার্কে মারা যাচ্ছে কাক-শালিকসহ বিভিন্ন পাখি
jugantor
পার্কে মারা যাচ্ছে কাক-শালিকসহ বিভিন্ন পাখি

  বগুড়া ব্যুরো  

১৮ জানুয়ারি ২০২২, ২২:১২:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়া শহরের অ্যাডওয়ার্ড পৌরপার্কে অজ্ঞাত রোগে কাক, শালিকসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি মারা যাচ্ছে। পার্কের বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিনই পাখি মারা যাচ্ছে। মরা পাখিগুলোতে পচন ধরছে। এতে পরিবেশবাদীরা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।

তাদের আহবানে ঢাকা থেকে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার দিনভর মৃত পাখিগুলোর শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন। তবে তারা তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম ও পরিচয় বলতে রাজি হননি।

ঢাকায় ফিরে ল্যাবে পরীক্ষার পর তারা পাখি মৃত্যুর কারণ প্রকাশ করবেন। পরিবেশবাদী সংগঠন বাংলাদেশ বায়োডাইভারসিটি কনজার্ভেশন ফেডারেশনের (বিবিসিএফ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরাফাত রহমান এসব তথ্য জানিয়েছেন।

বগুড়া অ্যাডওয়ার্ড পৌরপার্কে ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন স্থানে কাক, ভাত শালিক ও গো শালিকের দেহ পড়ে আছে। পার্কে আসা জনগণ জানান, সন্ধ্যার দিকে গাছ থেকে পড়ে পাখিগুলোকে মারা যেতে দেখেছেন।

বিবিসিএফের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরাফাত রহমান বলেন, এক সপ্তাহ আগে তিনি ৩৬টি কাক, ২টি ভাত শালিক ও ২টি গো শালিকের দেহ অপসারণ করেছেন। এছাড়াও তিনি জিলা স্কুল ও সাতমাথা এলাকায় পাতি কাক, ভাত শালিক ও গো শালিক মরে পড়ে থাকতে দেখেছেন। এতে মানুষের মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলার আশঙ্কা থাকায় তিনি বিষয়টি প্রাণিসম্পদ বিভাগ ও বন অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে অবহিত করেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা থেকে আইইডিসিআরের তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল সোমবার বগুড়ায় আসেন। মঙ্গলবার দিনভর তারা মৃত পাখির শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করেন। ওই প্রতিনিধি দলকে সহযোগিতা করেছে, পরিবেশবাদী সংগঠন তীরের বগুড়া শাখার সাধারণ সম্পাদক রিফাত হাসান।

পৌর পার্কে পাখির মৃত্যুর ব্যাপারে কিছুই জানেন না অ্যাডওয়ার্ড পৌর পার্কের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এরশাদুল বারী এরশাদ।

বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এসএম ইকবাল সাংবাদিকদের জানান, কাক আমাদের অনেক উপকারী প্রাণী। কাককে প্রকৃতির ঝাঁড়ুদার বলা হয়।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- খাদ্যে বিষক্রিয়ায় কাক, শালিকের মৃত্যু হতে পারে। তবে নমুনা সংগ্রহের পর ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তীরের বগুড়া শাখার সাধারণ সম্পাদক রিফাত হাসান জানান, আইইডিসিআরের তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি হননি।

পার্কে মারা যাচ্ছে কাক-শালিকসহ বিভিন্ন পাখি

 বগুড়া ব্যুরো 
১৮ জানুয়ারি ২০২২, ১০:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়া শহরের অ্যাডওয়ার্ড পৌরপার্কে অজ্ঞাত রোগে কাক, শালিকসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি মারা যাচ্ছে। পার্কের বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিনই পাখি মারা যাচ্ছে। মরা পাখিগুলোতে পচন ধরছে। এতে পরিবেশবাদীরা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।

তাদের আহবানে ঢাকা থেকে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার দিনভর মৃত পাখিগুলোর শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন। তবে তারা তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম ও পরিচয় বলতে রাজি হননি।

ঢাকায় ফিরে ল্যাবে পরীক্ষার পর তারা পাখি মৃত্যুর কারণ প্রকাশ করবেন। পরিবেশবাদী সংগঠন বাংলাদেশ বায়োডাইভারসিটি কনজার্ভেশন ফেডারেশনের (বিবিসিএফ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরাফাত রহমান এসব তথ্য জানিয়েছেন।

বগুড়া অ্যাডওয়ার্ড পৌরপার্কে ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন স্থানে কাক, ভাত শালিক ও গো শালিকের দেহ পড়ে আছে। পার্কে আসা জনগণ জানান, সন্ধ্যার দিকে গাছ থেকে পড়ে পাখিগুলোকে মারা যেতে দেখেছেন।

বিবিসিএফের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরাফাত রহমান বলেন, এক সপ্তাহ আগে তিনি ৩৬টি কাক, ২টি ভাত শালিক ও ২টি গো শালিকের দেহ অপসারণ করেছেন। এছাড়াও তিনি জিলা স্কুল ও সাতমাথা এলাকায় পাতি কাক, ভাত শালিক ও গো শালিক মরে পড়ে থাকতে দেখেছেন। এতে মানুষের মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলার আশঙ্কা থাকায় তিনি বিষয়টি প্রাণিসম্পদ বিভাগ ও বন অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে অবহিত করেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা থেকে আইইডিসিআরের তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল সোমবার বগুড়ায় আসেন। মঙ্গলবার দিনভর তারা মৃত পাখির শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করেন। ওই প্রতিনিধি দলকে সহযোগিতা করেছে, পরিবেশবাদী সংগঠন তীরের বগুড়া শাখার সাধারণ সম্পাদক রিফাত হাসান।

পৌর পার্কে পাখির মৃত্যুর ব্যাপারে কিছুই জানেন না অ্যাডওয়ার্ড পৌর পার্কের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এরশাদুল বারী এরশাদ।

বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এসএম ইকবাল সাংবাদিকদের জানান, কাক আমাদের অনেক উপকারী প্রাণী। কাককে প্রকৃতির ঝাঁড়ুদার বলা হয়।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- খাদ্যে বিষক্রিয়ায় কাক, শালিকের মৃত্যু হতে পারে। তবে নমুনা সংগ্রহের পর ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তীরের বগুড়া শাখার সাধারণ সম্পাদক রিফাত হাসান জানান, আইইডিসিআরের তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি হননি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন