আমাকে কারাগারে নিয়ে কর্মীদের মুক্তি দেওয়া হোক: তৈমুর
jugantor
আমাকে কারাগারে নিয়ে কর্মীদের মুক্তি দেওয়া হোক: তৈমুর

  নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি  

১৯ জানুয়ারি ২০২২, ০১:০৬:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

‘আমার কর্মীদের বিনা অপরাধে জেলে নেওয়া হয়েছে, তাদের জামিন দেওয়া হচ্ছে না। আমাকে কারাগারে নিয়ে তাদের মুক্তি দেওয়া হোক। আমার নেতাকর্মীদের জামিন না দিয়ে অমানবিক আচরণ করা হচ্ছে। এটি কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।’

মঙ্গলবার জেলা কারাগারের সামনে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পরাজিত মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি কারাগারের বাইরে থাকা কারাবন্দিদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে তাদের জামিনের ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন।

তৈমুর আরও বলেন, আমি সরকারকে বলতে চাই তারা আমাকে গ্রেফতার করে কারাগারে নিক এবং আমার কর্মীদের-কর্মচারীদের মুক্তি দেওয়া হোক। তারা তো কোনো অপরাধ করেনি শুধু নির্বাচনের কাজ করেছে। অন্যায় করেছেন আপনারা, ভোট ডাকাতি করেছেন আর প্রশাসনকে দিয়ে নির্বাচন করিয়েছেন। এই বিচারও একদিন হবে এই নারায়ণগঞ্জের মাটিতে।

রোববার সকাল ৮টা থেকে ২৭টি ওয়ার্ডের ১৯২টি কেন্দ্রে নাসিকের ভোটগ্রহণ শুরু হয়; একটানা চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। সকালে ভোটকেন্দ্রগুলোতে নারী ভোটারের সংখ্যাই বেশি চোখে পড়ে। ভোটের মাঠে মেয়র পদে ছয়, সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে ৩৪ এবং সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ১৪৫ জনসহ মোট ১৮৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

মেয়র পদে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াত আইভী এবং হাতি প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারের মধ্যে।

এ নির্বাচনে ৫ লাখ ১৭ হাজার ৩৫১ ভোটের মধ্যে পড়েছে ২ লাখ ৯১ হাজার ৩৮২ ভোট। এতে আওয়ামী লীগের ডা. সেলিনা হায়াত আইভী ১ লাখ ৫৯ হাজার ৯৭ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রধান প্রতিপক্ষ অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার পেয়েছেন ৯২ হাজার ৫৬২ ভোট। দুজনের ব্যবধান ৬৬ হাজার ৫৩৫ ভোট।

রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ নির্বাচনে ৪৭১টি ভোট বাতিল হয়েছে। এই ৪৭১ জন ভোটার পছন্দের প্রার্থী না থাকায় তারা মেয়র পদে ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন।

আমাকে কারাগারে নিয়ে কর্মীদের মুক্তি দেওয়া হোক: তৈমুর

 নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি 
১৯ জানুয়ারি ২০২২, ০১:০৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

‘আমার কর্মীদের বিনা অপরাধে জেলে নেওয়া হয়েছে, তাদের জামিন দেওয়া হচ্ছে না। আমাকে কারাগারে নিয়ে তাদের মুক্তি দেওয়া হোক। আমার নেতাকর্মীদের জামিন না দিয়ে অমানবিক আচরণ করা হচ্ছে। এটি কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।’

মঙ্গলবার জেলা কারাগারের সামনে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পরাজিত মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি কারাগারের বাইরে থাকা কারাবন্দিদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে তাদের জামিনের ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন।

তৈমুর আরও বলেন, আমি সরকারকে বলতে চাই তারা আমাকে গ্রেফতার করে কারাগারে নিক এবং আমার কর্মীদের-কর্মচারীদের মুক্তি দেওয়া হোক। তারা তো কোনো অপরাধ করেনি শুধু নির্বাচনের কাজ করেছে। অন্যায় করেছেন আপনারা, ভোট ডাকাতি করেছেন আর প্রশাসনকে দিয়ে নির্বাচন করিয়েছেন। এই বিচারও একদিন হবে এই নারায়ণগঞ্জের মাটিতে।

রোববার সকাল ৮টা থেকে ২৭টি ওয়ার্ডের ১৯২টি কেন্দ্রে নাসিকের ভোটগ্রহণ শুরু হয়; একটানা চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। সকালে ভোটকেন্দ্রগুলোতে নারী ভোটারের সংখ্যাই বেশি চোখে পড়ে। ভোটের মাঠে মেয়র পদে ছয়, সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে ৩৪ এবং সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ১৪৫ জনসহ মোট ১৮৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

মেয়র পদে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াত আইভী এবং হাতি প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারের মধ্যে।

এ নির্বাচনে ৫ লাখ ১৭ হাজার ৩৫১ ভোটের মধ্যে পড়েছে ২ লাখ ৯১ হাজার ৩৮২ ভোট। এতে আওয়ামী লীগের ডা. সেলিনা হায়াত আইভী ১ লাখ ৫৯ হাজার ৯৭ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রধান প্রতিপক্ষ অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার পেয়েছেন ৯২ হাজার ৫৬২ ভোট। দুজনের ব্যবধান ৬৬ হাজার ৫৩৫ ভোট।

রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ নির্বাচনে ৪৭১টি ভোট বাতিল হয়েছে। এই ৪৭১ জন ভোটার পছন্দের প্রার্থী না থাকায় তারা মেয়র পদে ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন