গোপালগঞ্জে কোটন হত্যার বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
jugantor
গোপালগঞ্জে কোটন হত্যার বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

  গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি  

১৯ জানুয়ারি ২০২২, ১৫:১৭:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

গোপালগঞ্জে কোটন হত্যার বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে গোপালগঞ্জে মোটর পার্টস ব্যবসায়ী কোটন মিনা (৪৮) হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার মামাতো ভাই জেলা শ্রমিক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি বুলবুল ইসলাম।

বুধবার দুপুর ১২টায় গোপালগঞ্জ প্রেসক্লাবে তিনি এ সংবাদ সম্মেলন করেন।

এ সময় তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ১৫ জানুয়ারি রাতে কোটন মিনা প্রতিদিনের মতো তার দোকান বন্ধ করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। কিন্তু তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। একপর্যায় তার সন্ধান পেতে ব্যর্থ হন। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। পরের দিন সকালে স্থানীয় লোকজন ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে গোপালগঞ্জের ফকিরকান্দি নামক স্থানে তার রক্তাক্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় কোটন মিনার লাশ উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে।

তিনি বলেন, এদিকে আমার ভাই হারানোর বেদনায় খবরে আমরা ভীষণভাবে ভেঙে পড়ি। আমাদের পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। অপরদিকে আমরা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করি একটি মহল এ হত্যাকাণ্ডটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান বাসু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপনের অপচেষ্টা চালিযে ঘোলাপানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে।

তিনি আরও বলেন, ওই স্বার্থান্বেষী মহল বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করেছে। আগামী ২৪ জানুয়ারি বাসু হত্যা মামলার পরবর্তী নির্ধারিত তারিখ। ওই দিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য দেওয়ার দিন ধার্য রয়েছে। নিহত কোটন মিনার ২৪ জানুয়ারি সাক্ষ্য দেওয়ার কথা ছিল না। অথচ বিভিন্ন মিডিয়ার কোটন মিনার সাক্ষ্য দেওয়ার কথা বলে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে।

বুলবুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারপূর্বক আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। পাশপাশি কেউ যাতে কোনো বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে ঘটনাটি ভিন্ন খাদে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালাতে না পারে, সে ব্যাপারে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করছি।

এ সময় জেলা শ্রমিক লীগ, মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

গোপালগঞ্জে কোটন হত্যার বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

 গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 
১৯ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
গোপালগঞ্জে কোটন হত্যার বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
ছবি: যুগান্তর

সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে গোপালগঞ্জে মোটর পার্টস ব্যবসায়ী কোটন মিনা (৪৮) হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার মামাতো ভাই জেলা শ্রমিক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি বুলবুল ইসলাম।

বুধবার দুপুর ১২টায় গোপালগঞ্জ প্রেসক্লাবে তিনি এ সংবাদ সম্মেলন করেন। 

এ সময় তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ১৫ জানুয়ারি রাতে কোটন মিনা প্রতিদিনের মতো তার দোকান বন্ধ করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। কিন্তু তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন।  একপর্যায় তার সন্ধান পেতে ব্যর্থ হন। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। পরের দিন সকালে স্থানীয় লোকজন ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে গোপালগঞ্জের ফকিরকান্দি নামক স্থানে তার রক্তাক্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় কোটন মিনার লাশ উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে। 

তিনি বলেন, এদিকে আমার ভাই হারানোর বেদনায় খবরে আমরা ভীষণভাবে ভেঙে পড়ি। আমাদের পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। অপরদিকে আমরা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করি একটি মহল এ হত্যাকাণ্ডটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান বাসু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপনের অপচেষ্টা চালিযে ঘোলাপানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে।

তিনি আরও বলেন, ওই স্বার্থান্বেষী মহল বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করেছে। আগামী ২৪ জানুয়ারি বাসু হত্যা মামলার পরবর্তী নির্ধারিত তারিখ। ওই দিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য দেওয়ার দিন ধার্য রয়েছে। নিহত কোটন মিনার ২৪ জানুয়ারি সাক্ষ্য দেওয়ার কথা ছিল না। অথচ বিভিন্ন মিডিয়ার কোটন মিনার সাক্ষ্য দেওয়ার কথা বলে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে।  

বুলবুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারপূর্বক আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। পাশপাশি কেউ যাতে কোনো বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে ঘটনাটি ভিন্ন খাদে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালাতে না পারে, সে ব্যাপারে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করছি।

এ সময় জেলা শ্রমিক লীগ, মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন