শাবিতে অনশনরত দুইজন হাসপাতালে, চিকিৎসায় মেডিকেল টিম
jugantor
শাবিতে অনশনরত দুইজন হাসপাতালে, চিকিৎসায় মেডিকেল টিম

  শাবি প্রতিনিধি  

২০ জানুয়ারি ২০২২, ১৮:৩১:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে অনশনরত শিক্ষার্থীদের দুইজন অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিকে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবা দিতে উপস্থিত হয়েছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের সাত সদস্যের মেডিকেল টিম।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় এ মেডিকেল টিম এসে উপস্থিত হয়। এ সময় তারা শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় স্যালাইন এবং ওষুধ দিয়ে সহায়তা করেন।

অসুস্থ হয়ে যাওয়া দুইজন শিক্ষার্থীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়।

অনশনরত শিক্ষার্থীদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে মেডিকেল টিমের সদস্য মো. নাজমুল হাসান বলেন, এখানে অনশনরত শিক্ষার্থীদের অবস্থা ক্রমশই খারাপের দিকে যাচ্ছে। তবে দুইজন শিক্ষার্থীর অবস্থা গুরুতর। ইতোমধ্যেই দুইজনকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে এ সংখ্যাটা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করছি। তারা ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় কেউ কিছু খায়নি। তারা সবাই পানি স্বল্পতায় ভুগছেন।

তিনি বলেন, যাদের অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছে তাদের জন্য স্যালাইনসহ ওষুধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদের এখানেই স্যালাইন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর যদি কোনো জরুরি অবস্থার সৃষ্টি হয় তাহলে তাদের জন্য অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজে বেডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এর আগে বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় শিক্ষকরা আন্দোলনস্থলে উপস্থিত হলে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগানে উত্তপ্ত করে তোলে এর আশপাশের পরিবেশ। এ সময় তারা শিক্ষকদের কাছে শিক্ষার্থীদের এক দফা দাবির সঙ্গে একমত কিনা তা 'হ্যাঁ' অথবা 'না' এই দুই উত্তরের মধ্যে একটি জানতে চান।

শিক্ষার্থীরা বলেন, যদি আপনারা শিক্ষকরা আমাদের এক দফা দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেন তাহলে আমরা আপনাদের সঙ্গে কথা বলব। এছাড়া আমরা আপনাদের সঙ্গে কোনো ধরনের কথা বলতে রাজি নই।

এ সময় শিক্ষকরা তাদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে বিভিন্ন স্লোগানে তাদের কথা বলতে বাধা দেন। একপর্যায়ে শিক্ষকরা ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান।

এরপর বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে আসে। এরপর তারা বারবার চেষ্টা করেও তাদের সঙ্গে কথা বলতে পারেনি।

শাবিতে অনশনরত দুইজন হাসপাতালে, চিকিৎসায় মেডিকেল টিম

 শাবি প্রতিনিধি 
২০ জানুয়ারি ২০২২, ০৬:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে অনশনরত শিক্ষার্থীদের দুইজন অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিকে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবা দিতে উপস্থিত হয়েছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের সাত সদস্যের মেডিকেল টিম।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় এ মেডিকেল টিম এসে উপস্থিত হয়। এ সময় তারা শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় স্যালাইন এবং ওষুধ দিয়ে সহায়তা করেন।

অসুস্থ হয়ে যাওয়া দুইজন শিক্ষার্থীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়।

অনশনরত শিক্ষার্থীদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে মেডিকেল টিমের সদস্য মো. নাজমুল হাসান বলেন, এখানে অনশনরত শিক্ষার্থীদের অবস্থা ক্রমশই খারাপের দিকে যাচ্ছে। তবে দুইজন শিক্ষার্থীর অবস্থা গুরুতর। ইতোমধ্যেই দুইজনকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে এ সংখ্যাটা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করছি। তারা ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় কেউ কিছু খায়নি। তারা সবাই পানি স্বল্পতায় ভুগছেন।

তিনি বলেন, যাদের অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছে তাদের জন্য স্যালাইনসহ ওষুধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদের এখানেই স্যালাইন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর যদি কোনো জরুরি অবস্থার সৃষ্টি হয় তাহলে তাদের জন্য অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজে বেডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এর আগে বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় শিক্ষকরা আন্দোলনস্থলে উপস্থিত হলে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগানে উত্তপ্ত করে তোলে এর আশপাশের পরিবেশ। এ সময় তারা শিক্ষকদের কাছে শিক্ষার্থীদের এক দফা দাবির সঙ্গে একমত কিনা তা 'হ্যাঁ' অথবা 'না' এই দুই উত্তরের মধ্যে একটি জানতে চান।

শিক্ষার্থীরা বলেন, যদি আপনারা শিক্ষকরা আমাদের এক দফা দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেন তাহলে আমরা আপনাদের সঙ্গে কথা বলব। এছাড়া আমরা আপনাদের সঙ্গে কোনো ধরনের কথা বলতে রাজি নই।

এ সময় শিক্ষকরা তাদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে বিভিন্ন স্লোগানে তাদের কথা বলতে বাধা দেন। একপর্যায়ে শিক্ষকরা ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান।

এরপর বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে আসে। এরপর তারা বারবার চেষ্টা করেও তাদের সঙ্গে কথা বলতে পারেনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন