নির্বাচনে হেরে গিয়ে ঘুসের টাকা ফেরত দাবি
jugantor
নির্বাচনে হেরে গিয়ে ঘুসের টাকা ফেরত দাবি

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

২১ জানুয়ারি ২০২২, ১৯:১৪:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর মো. মাহবুব আলম

নির্বাচনে হেরে গিয়ে নির্বাচন অফিসের কর্মচারীর কাছে ঘুসের সাড়ে ৪ লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আনোয়ার হোসেন নামে এক মেম্বার প্রার্থী।

টাকা ফেরত দিতে গড়িমসি করায় নির্বাচন অফিসের ওই কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুদক ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।

আনোয়ার হোসেন কক্সবাজার সদরের খুরুশকুল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি গত ১১ নভেম্বর নির্বাচনে মেম্বার প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

তিনি দাবি করেন, তাকে ইউপি সদস্য বানানোর নিশ্চয়তা দিয়ে সাড়ে ৪ লাখ টাকা ঘুস নিয়েছেন সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর মো. মাহবুব আলম। পরে তিনি আরও বেশি টাকা নিয়ে আরেকজনকে ইউপি সদস্য বানিয়েছেন বলে দাবি তার।

১৬ জানুয়ারি দুদক ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দেওয়া লিখিত অভিযোগে আনোয়ার দাবি করেন, গত ১১ নভেম্বের অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচন জয় নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়ে ১০ লাখ টাকা ঘুস চান মাহবুব আলম। অনেক দরকষাকষির পর একপর্যায়ে নির্বাচনের পূর্বে গত ১ নভেম্বর বিকালে নগদ সাড়ে ৪ লাখ টাকা মাহবুব আলমের হাতে তুলে দেন আনোয়ার। এছাড়া নিশ্চিত জয়ের আশ্বাস পেয়ে মাঠপর্যায়ে আরও ১০ লাখ টাকা খরচ করেন বলে দাবি তার। কিন্তু নির্বাচনে হেরে যান তিনি। পরে টাকা ফেরত দিতে বিলম্ব করায় দুদক ও সশ্লিষ্ট দপ্তরে তিনি অভিযোগ করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাহবুব আলম বলেন, আনোয়ার আমার সম্মানহানির জন্য মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করেছেন। আমি তার কাছ থেকে কোনো টাকা নেইনি।

নির্বাচনে হেরে গিয়ে ঘুসের টাকা ফেরত দাবি

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
২১ জানুয়ারি ২০২২, ০৭:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর মো. মাহবুব আলম
মো. মাহবুব আলম

নির্বাচনে হেরে গিয়ে নির্বাচন অফিসের কর্মচারীর কাছে ঘুসের সাড়ে ৪ লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আনোয়ার হোসেন নামে এক মেম্বার প্রার্থী।

টাকা ফেরত দিতে গড়িমসি করায় নির্বাচন অফিসের ওই কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুদক ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।

আনোয়ার হোসেন কক্সবাজার সদরের খুরুশকুল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি গত ১১ নভেম্বর নির্বাচনে মেম্বার প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

তিনি দাবি করেন, তাকে ইউপি সদস্য বানানোর নিশ্চয়তা দিয়ে সাড়ে ৪ লাখ টাকা ঘুস নিয়েছেন সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর মো. মাহবুব আলম। পরে তিনি আরও বেশি টাকা নিয়ে আরেকজনকে ইউপি সদস্য বানিয়েছেন বলে দাবি তার। 

১৬ জানুয়ারি দুদক ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দেওয়া লিখিত অভিযোগে আনোয়ার দাবি করেন, গত ১১ নভেম্বের অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচন জয় নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়ে ১০ লাখ টাকা ঘুস চান মাহবুব আলম। অনেক দরকষাকষির পর একপর্যায়ে নির্বাচনের পূর্বে গত ১ নভেম্বর বিকালে নগদ সাড়ে ৪ লাখ টাকা মাহবুব আলমের হাতে তুলে দেন আনোয়ার। এছাড়া নিশ্চিত জয়ের আশ্বাস পেয়ে মাঠপর্যায়ে আরও ১০ লাখ টাকা খরচ করেন বলে দাবি তার। কিন্তু নির্বাচনে হেরে যান তিনি। পরে টাকা ফেরত দিতে বিলম্ব করায় দুদক ও সশ্লিষ্ট দপ্তরে তিনি অভিযোগ করেন। 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাহবুব আলম বলেন, আনোয়ার আমার সম্মানহানির জন্য মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করেছেন। আমি তার কাছ থেকে কোনো টাকা নেইনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন