দরিদ্র কৃষকের মরিচ-শিম গাছ কেটে দিলেন মহিলা মেম্বার
jugantor
দরিদ্র কৃষকের মরিচ-শিম গাছ কেটে দিলেন মহিলা মেম্বার

  চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি  

২১ জানুয়ারি ২০২২, ২০:৫৭:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজারের চকরিয়ায় নারী ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে একদল লোক দরিদ্র কৃষকের মরিচ ও শিম ক্ষেতের গাছ কেটে নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের রুস্তম আলী চৌধুরীপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় জমির মালিক ওই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাছিম আলীর ছেলে জাফর আলমকে (৬০)লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। আহত জাফর আলম চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

জানা যায়, জমির মালিক জাফর আলম দীর্ঘ ৫০ বছরের অধিক সময় ধরে লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের লক্ষ্যারচর মৌজার বিএস ৮৬৩ নম্বর খতিয়ানের ১০ শতক জমি চাষাবাদ করে আসছেন। গত বছর ওই জমি জনৈক হাজী মফজল আহমদের ওয়ারিশদের কাছ থেকে ক্রয় করে ভোগ দখলে রয়েছেন। ওই জমিতে তিনি মরিচ, শিমসহ বিভিন্ন প্রজাতির সবজি ক্ষেত করেছেন।

সড়কের পাশে হওয়ায় ওই জমির ওপর লোভ পড়ে লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য বেবীর। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বেবী তার স্বামী আয়ুব আলী ও মো. হোছনের নেতৃত্বে আরও ৫-৬ জন ভাড়াটিয়া লোকজন এনে জমির ক্ষেতের গাছগুলো কেটে দেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে জমির মালিক জাফর আলমকে পিটিয়ে আহত করা হয়।

জমির মালিক জাফর আলম বলেন, ৫০ বছরের ১০ শতক জমি চাষাবাদ করে আসছি। গত বছর আমি এসব জমি ক্রয় করি। পরে একইভাবে চাষাবাদ করি। বেবী মেম্বার তার জমি দাবি করে আমার জমির ক্ষেত নষ্ট করে দেয়। আমি ধার দেনা করে জমিতে চাষাবাদ করেছি। ক্ষেত নষ্ট করে দেওয়ায় আমি দেনা পরিশোধ নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেলাম।

এ বিষয়ে বেবি মেম্বার বলেন, এই জমি আমাদের পূর্ব পুরুষদের। ভাঙনে অধিকাংশ জমি মাতামুহুরী নদীতে চলে যায়। অবশিষ্ট জমি আমাদের মালিকানাধীন।

লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আওরঙ্গজেব বলেন, জমির মালিক জাফর আলম বিষয়টি আমাকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে সামাজিকভাবে বসে সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ান বলেন, কৃষকের সবজি ক্ষেত নষ্ট করার বিষয়ে কেউ অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দরিদ্র কৃষকের মরিচ-শিম গাছ কেটে দিলেন মহিলা মেম্বার

 চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 
২১ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজারের চকরিয়ায় নারী ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে একদল লোক দরিদ্র কৃষকের মরিচ ও শিম ক্ষেতের গাছ কেটে নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের রুস্তম আলী চৌধুরীপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় জমির মালিক ওই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাছিম আলীর ছেলে জাফর আলমকে (৬০)লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। আহত জাফর আলম চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

জানা যায়, জমির মালিক জাফর আলম দীর্ঘ ৫০ বছরের অধিক সময় ধরে লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের লক্ষ্যারচর মৌজার বিএস ৮৬৩ নম্বর খতিয়ানের ১০ শতক জমি চাষাবাদ করে আসছেন। গত বছর ওই জমি জনৈক হাজী মফজল আহমদের ওয়ারিশদের কাছ থেকে ক্রয় করে ভোগ দখলে রয়েছেন। ওই জমিতে তিনি মরিচ, শিমসহ বিভিন্ন প্রজাতির সবজি ক্ষেত করেছেন।

সড়কের পাশে হওয়ায় ওই জমির ওপর লোভ পড়ে লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য বেবীর। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বেবী তার স্বামী আয়ুব আলী ও মো. হোছনের নেতৃত্বে আরও ৫-৬ জন ভাড়াটিয়া লোকজন এনে জমির ক্ষেতের গাছগুলো কেটে দেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে জমির মালিক জাফর আলমকে পিটিয়ে আহত করা হয়।

জমির মালিক জাফর আলম বলেন, ৫০ বছরের ১০ শতক জমি চাষাবাদ করে আসছি। গত বছর আমি এসব জমি ক্রয় করি। পরে একইভাবে চাষাবাদ করি। বেবী মেম্বার তার জমি দাবি করে আমার জমির ক্ষেত নষ্ট করে দেয়। আমি ধার দেনা করে জমিতে চাষাবাদ করেছি। ক্ষেত নষ্ট করে দেওয়ায় আমি দেনা পরিশোধ নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেলাম।

এ বিষয়ে বেবি মেম্বার বলেন, এই জমি আমাদের পূর্ব পুরুষদের। ভাঙনে অধিকাংশ জমি মাতামুহুরী নদীতে চলে যায়। অবশিষ্ট জমি আমাদের মালিকানাধীন।

লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আওরঙ্গজেব বলেন, জমির মালিক জাফর আলম বিষয়টি আমাকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে সামাজিকভাবে বসে সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ান বলেন, কৃষকের সবজি ক্ষেত নষ্ট করার বিষয়ে কেউ অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন