খাজনা আদায়ের রসিদ বই গায়েবের অভিযোগ
jugantor
খাজনা আদায়ের রসিদ বই গায়েবের অভিযোগ

  সাব্বির আহমেদ সুবীর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে  

২১ জানুয়ারি ২০২২, ২১:২৯:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সদ্য সাবেক ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা কমল রঞ্জন দাসের বিরুদ্ধে সরকারি খাজনা আদায়ের তিনটি দাখিলা বহি গায়েবের অভিযোগ উঠেছে।

বিষয়টি অবহিত করে নতুন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. বজলুল হক নবীনগর ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইকবাল হোসেনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

২০২১ সালের ৪ এপ্রিল নবীনগরের সহকারী কমিশনার ভূমি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানান। বর্তমানে কমল রঞ্জন দাসকে বদলি করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেকর্ড রুমে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ৩টি দাখিলা বই (৩০০ পৃষ্ঠা) গায়েবের বিষয়টি ধামাচাপা দিতে জোর তদবির চালানোরও অভিযোগ পাওয়া গেছে কমল রঞ্জন দাসের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, তার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে ব্যয় বহুল বাড়ি ও সম্পদ অর্জনের অভিযোগও রয়েছে।

তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায় হলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা দেখিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ আছে। তবে বিতর্কিত কমল রঞ্জন দাস শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসে পুনরায় যোগদান করতে লর্বিং করছে বলে জানা যায়।

ভূমি অফিস ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সদ্য সাবেক ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) কমল রঞ্জন দাস ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ব্যাহত খাজনা (দাখিলা) তিনটি বই গায়েব করে নিয়ে যায়। বহি নং- (১) ০১১৩৯০১ থেকে ০১১৪০০০, (২) ০৬১৫৫০১ থেকে ০৬১৫৬০০, (৩) ৯০০৮০১ থেকে ৯০০৯০০ খাজনা বই নতুন কর্মকর্তাকে ২০২১ সালের ৮ মার্চ না বুঝিয়ে চলে যায়।

কমল রঞ্জন দাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসব আমার অফিসিয়াল বিষয়, এ ব্যাপারে পরে কথা হবে। আমি বর্তমানে ব্যস্ততার মধ্যে আছি।

শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. বজলুল হক বলেন, কমল রঞ্জন দাসের দাখিলার তিনটি বই আমাকে বুঝিয়ে না দেওয়ার বিষয়ে আমি ২০২১ সালের ৪ এপ্রিল নবীনগর ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার ভূমি স্যারকে লিখিতভাবে জানিয়েছিলাম। এখন বিষয়টি কোন পর্যায়ে আছে আমার জানা নেই।

নবীনগর ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোশাররফ হোসাইন বলেন, আমি নবীনগরে যোগদানের পরে এই বিষয়টি শুনেছি। বর্তমানে কর্মরত ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বিষয়টি তৎকালীন এসিল্যান্ড সাহেবকে লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়েছিল। যতটুকু শুনেছি শ্যামগ্রাম ভূমি অফিসের সেই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কমল রঞ্জন দাসকে শাস্তিমূলকভাবে জেলা রেকর্ড রুমে বদলি করা হয়। নতুন করে শ্যামগ্রামে এখনো যোগদান করেনি।

খাজনা আদায়ের রসিদ বই গায়েবের অভিযোগ

 সাব্বির আহমেদ সুবীর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে 
২১ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সদ্য সাবেক ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা কমল রঞ্জন দাসের বিরুদ্ধে সরকারি খাজনা আদায়ের তিনটি দাখিলা বহি গায়েবের অভিযোগ উঠেছে। 

বিষয়টি অবহিত করে নতুন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. বজলুল হক নবীনগর ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইকবাল হোসেনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। 

২০২১ সালের ৪ এপ্রিল নবীনগরের সহকারী কমিশনার ভূমি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানান। বর্তমানে কমল রঞ্জন দাসকে বদলি করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেকর্ড রুমে স্থানান্তর করা হয়েছে। 

সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ৩টি দাখিলা বই (৩০০ পৃষ্ঠা) গায়েবের বিষয়টি ধামাচাপা দিতে জোর তদবির চালানোরও অভিযোগ পাওয়া গেছে কমল রঞ্জন দাসের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, তার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে ব্যয় বহুল বাড়ি ও সম্পদ অর্জনের অভিযোগও রয়েছে। 

তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায় হলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা দেখিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ আছে। তবে বিতর্কিত কমল রঞ্জন দাস শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসে পুনরায় যোগদান করতে লর্বিং করছে বলে জানা যায়। 

ভূমি অফিস ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সদ্য সাবেক ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) কমল রঞ্জন দাস ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ব্যাহত খাজনা (দাখিলা) তিনটি  বই গায়েব করে নিয়ে যায়। বহি নং- (১) ০১১৩৯০১ থেকে ০১১৪০০০, (২) ০৬১৫৫০১ থেকে ০৬১৫৬০০, (৩) ৯০০৮০১ থেকে ৯০০৯০০ খাজনা বই নতুন  কর্মকর্তাকে ২০২১ সালের ৮ মার্চ না বুঝিয়ে চলে যায়। 

কমল রঞ্জন দাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসব আমার অফিসিয়াল বিষয়, এ ব্যাপারে পরে কথা হবে। আমি বর্তমানে ব্যস্ততার মধ্যে আছি।

শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. বজলুল হক বলেন, কমল রঞ্জন দাসের দাখিলার তিনটি বই আমাকে বুঝিয়ে না দেওয়ার বিষয়ে আমি ২০২১ সালের ৪ এপ্রিল নবীনগর ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার ভূমি স্যারকে লিখিতভাবে জানিয়েছিলাম। এখন বিষয়টি কোন পর্যায়ে আছে আমার জানা নেই। 

নবীনগর ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোশাররফ হোসাইন বলেন, আমি নবীনগরে যোগদানের পরে এই বিষয়টি শুনেছি। বর্তমানে কর্মরত ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বিষয়টি তৎকালীন এসিল্যান্ড সাহেবকে লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়েছিল। যতটুকু শুনেছি শ্যামগ্রাম ভূমি অফিসের সেই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কমল রঞ্জন দাসকে শাস্তিমূলকভাবে জেলা রেকর্ড রুমে বদলি করা হয়। নতুন করে শ্যামগ্রামে এখনো যোগদান করেনি।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন