দুই ছেলেসহ পঞ্চায়েত নেতাকে মারধরের অভিযোগ
jugantor
দুই ছেলেসহ পঞ্চায়েত নেতাকে মারধরের অভিযোগ

  ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২২ জানুয়ারি ২০২২, ২১:৩৫:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

আহত

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাদক ক্রয়-বিক্রয় ও আড্ডা দিতে বাধা দেওয়ায় দুই ছেলেসহ পঞ্চায়েত কমিটির নেতাকে মারধর ও তার বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাতে ফতুল্লার মুসলিমপাড়া এলাকায় আবুল বাশারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে আবুল বাশার থানায় এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়- ফতুল্লার নয়ামাটি এনায়েতনগর মুসলিমপাড়া পঞ্চায়েত কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল বাশার (৬৫)। তার বাড়ির পাশে একই এলাকার আবু কালামের ইট ও সিমেন্টের দোকান। প্রতি রাতে ওই দোকানে আবু কালাম তার লোকজন নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত আড্ডায় দেয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের মাদক ক্রয়-বিক্রয় ও সেবন করে থাকে। আবুল বাশার পঞ্চায়েত নেতা হিসেবে আবু কালামকে একাধিকবার বাধা দেন। এতে আবু কালাম কোনো কর্ণপাত না করায় বিষয়টি স্থানীয় কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি ডেকে নিয়ে শাসন করেন। এতে আবুল বাশারের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে আবু কালাম।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় আবু কালাম তার সহযোগী আবুল কাশেম, আবুল, শাহীন, কাউছার ও মনিরসহ ৫-৬ জনকে নিয়ে আবুল বাশারের বাড়িতে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এ সময় তাদের প্রত্যেকের হাতে রাম দা, ছোরা, চাকু ও লোহার রড ছিল। আবুল বাশার ঘর থেকে বের হতেই তার ওপর হামলা চালায় তারা। এ সময় বাবাকে বাঁচাতে দুই ছেলে লোকমান হোসেন ও জাকির হোসেন এগিয়ে আসলে তাদেরও এলোপাতাড়ি মারধর ও কুপিয়ে জখম করে। এরপর সন্ত্রাসীরা বাড়িঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে নগদ টাকা লুটে চলে যায়।

মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আবু কালাম বলেন, আবুল বাশার আমাদের কাছ থেকে ড্রেন নির্মাণের জন্য চাঁদা দাবি করেছে। চাঁদা না দেওয়ায় আমাদের মারধর করেছে তারা।

ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেছে। এ বিষয়ে মামলা গ্রহণ করা হবে।

দুই ছেলেসহ পঞ্চায়েত নেতাকে মারধরের অভিযোগ

 ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২২ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আহত
ছবি: সংগৃহিত

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাদক ক্রয়-বিক্রয় ও আড্ডা দিতে বাধা দেওয়ায় দুই ছেলেসহ পঞ্চায়েত কমিটির নেতাকে মারধর ও তার বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাতে ফতুল্লার মুসলিমপাড়া এলাকায় আবুল বাশারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে আবুল বাশার থানায় এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। 

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়- ফতুল্লার নয়ামাটি এনায়েতনগর মুসলিমপাড়া পঞ্চায়েত কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল বাশার (৬৫)। তার বাড়ির পাশে একই এলাকার আবু কালামের ইট ও সিমেন্টের দোকান। প্রতি রাতে ওই দোকানে আবু কালাম তার লোকজন নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত আড্ডায় দেয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের মাদক ক্রয়-বিক্রয় ও সেবন করে থাকে। আবুল বাশার পঞ্চায়েত নেতা হিসেবে আবু কালামকে একাধিকবার বাধা দেন। এতে আবু কালাম কোনো কর্ণপাত না করায় বিষয়টি স্থানীয় কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি ডেকে নিয়ে শাসন করেন। এতে আবুল বাশারের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে আবু কালাম। 

শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় আবু কালাম তার সহযোগী আবুল কাশেম, আবুল, শাহীন, কাউছার ও মনিরসহ ৫-৬ জনকে নিয়ে আবুল বাশারের বাড়িতে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এ সময় তাদের প্রত্যেকের হাতে রাম দা, ছোরা, চাকু ও লোহার রড ছিল। আবুল বাশার ঘর থেকে বের হতেই তার ওপর হামলা চালায় তারা। এ সময় বাবাকে বাঁচাতে দুই ছেলে লোকমান হোসেন ও জাকির হোসেন এগিয়ে আসলে তাদেরও এলোপাতাড়ি মারধর ও কুপিয়ে জখম করে। এরপর সন্ত্রাসীরা বাড়িঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে নগদ টাকা লুটে চলে যায়।

মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আবু কালাম বলেন, আবুল বাশার আমাদের কাছ থেকে ড্রেন নির্মাণের জন্য চাঁদা দাবি করেছে।  চাঁদা না দেওয়ায় আমাদের মারধর করেছে তারা। 

ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেছে। এ বিষয়ে মামলা গ্রহণ করা হবে। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন