১০ দিনের স্ত্রীকে গোপনে দাফনচেষ্টা, ধরা খেলেন রেল কর্মকর্তা (ভিডিও)
jugantor
১০ দিনের স্ত্রীকে গোপনে দাফনচেষ্টা, ধরা খেলেন রেল কর্মকর্তা (ভিডিও)

  গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি  

২৫ জানুয়ারি ২০২২, ০১:২৬:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

গোপালগঞ্জে গোপনে এক নারীকে দাফন করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা খেলেন চট্টগ্রাম রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাহআলম ও তার সহযোগী লিওন সাহা। ওই নারীর নাম উম্মে সাইয়েদা (২৩)। তিনি ওই প্রকৌশলীর স্ত্রী। ১৩ জানুয়ারি তাদের বিয়ে হয়েছে বলে জানান ওই প্রকৌশলী।

সোমবার খুব ভোরে দাফন করার জন্য গাজীপুর থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে গোপালগঞ্জ পৌর কবরস্থানে আনা হয় ওই নারীর লাশ। এর আগে রাতেই কবর খুঁড়ে রাখা হয়।

কবর স্থানের রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান ওই মৃত নারীর আইডি কার্ড অনুযায়ী পরিচয় জানতে চান; কিন্তু পরিচয় দিতে রাজি হননি রেলওয়ে অফিসার শাহআলম ও তার সহযোগী লিওন সাহা। তারা কবর থেকে দ্রুত লাশ উত্তোলন করে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

বিষয়টি শেষ পর্যন্ত থানা পুলিশে গড়ায়। পুলিশ এসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই দুইজনকে থানায় নিয়ে যায় এবং লাশের ময়নাতদন্ত করতে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

চট্টগ্রাম রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাহ আলমের (৪৭) সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, লিওন সাহার মাধ্যমে তিনি উম্মে সাঈদা (২৩) নামে ওই নারীকে ১১ দিন আগে বিয়ে করেন। দুই দিন আগে হঠাৎ করে তার মৃত্যু হয়। আগের পক্ষের স্ত্রী ও সন্তানদের কাছে এ বিষয়টি লুকানোর জন্য তিনি তার সহযোগী লিওনের মাধ্যমে লাশ দাফনের জন্য গোপালগঞ্জ নিয়ে আসেন।

আটক চট্টগ্রাম রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাহআলমের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার শাহদৌলতপুর গ্রামে ও তার সহযোগী লিওন সাহা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতি গ্রামের সুশীল সাহার ছেলে।

মৃত উম্মে সাঈদা বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার বেতাগী গ্রামের মো. শরীফুল ইসলামের মেয়ে।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম জানান, ওই দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।

১০ দিনের স্ত্রীকে গোপনে দাফনচেষ্টা, ধরা খেলেন রেল কর্মকর্তা (ভিডিও)

 গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 
২৫ জানুয়ারি ২০২২, ০১:২৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গোপালগঞ্জে গোপনে এক নারীকে দাফন করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা খেলেন চট্টগ্রাম রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাহআলম ও তার সহযোগী লিওন সাহা। ওই নারীর নাম উম্মে সাইয়েদা (২৩)। তিনি ওই প্রকৌশলীর স্ত্রী। ১৩ জানুয়ারি তাদের বিয়ে হয়েছে বলে জানান ওই প্রকৌশলী।

সোমবার খুব ভোরে দাফন করার জন্য গাজীপুর থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে গোপালগঞ্জ পৌর কবরস্থানে আনা হয় ওই নারীর লাশ। এর আগে রাতেই কবর খুঁড়ে রাখা হয়।

কবর স্থানের রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান ওই মৃত নারীর আইডি কার্ড অনুযায়ী পরিচয় জানতে চান; কিন্তু পরিচয় দিতে রাজি হননি রেলওয়ে অফিসার শাহআলম ও তার সহযোগী লিওন সাহা। তারা কবর থেকে দ্রুত লাশ উত্তোলন করে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

বিষয়টি শেষ পর্যন্ত থানা পুলিশে গড়ায়। পুলিশ এসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই দুইজনকে থানায় নিয়ে যায় এবং লাশের ময়নাতদন্ত করতে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। 

চট্টগ্রাম রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাহ আলমের (৪৭) সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, লিওন সাহার মাধ্যমে তিনি উম্মে সাঈদা (২৩) নামে ওই নারীকে ১১ দিন আগে বিয়ে করেন। দুই দিন আগে হঠাৎ করে তার মৃত্যু হয়। আগের পক্ষের স্ত্রী ও সন্তানদের কাছে এ বিষয়টি লুকানোর জন্য তিনি তার সহযোগী লিওনের মাধ্যমে লাশ দাফনের জন্য গোপালগঞ্জ নিয়ে আসেন।

আটক চট্টগ্রাম রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাহআলমের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার শাহদৌলতপুর গ্রামে ও তার সহযোগী লিওন সাহা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতি গ্রামের সুশীল সাহার ছেলে। 

মৃত উম্মে সাঈদা বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার বেতাগী গ্রামের মো. শরীফুল ইসলামের মেয়ে। 

গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম জানান, ওই দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন