তালাবদ্ধ ঘরে নারী শ্রমিকের হাত-পা বাঁধা লাশ
jugantor
তালাবদ্ধ ঘরে নারী শ্রমিকের হাত-পা বাঁধা লাশ

  সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৫ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:৪৮:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

মুক্তা বেগম

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে তালাবন্ধ ঘর থেকে এক নারী পোশাক শ্রমিকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার রাতে মিজমিজি পূর্বপাড়া এলাকায় মদিনা মসজিদসংলগ্ন হক ভিলার নিচতলা থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

পারিবারিক কলহের জেরে হত্যার পর লাশ ঘরে তালাবদ্ধ করে স্বামী সোহাগ পালিয়ে গেছে বলে অভিযোগ নিহতের পরিবারের।

নিহত মুক্তা বেগম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া থানাধীন খড়মপুর গ্রামের মো. খোকন মিয়ার মেয়ে। তারা দীর্ঘদিন ধরে মো. শহিদুল্লাহ মালিকানাধীন হক ভিলার নিচতলায় ভাড়া থাকতেন।

নিহত মুক্তা আদমজী ইপিজেডের অনন্ত গার্মেন্টে এবং স্বামী সোহাগ সিদ্ধিরগঞ্জপুল এলাকাস্থ মজিব ফ্যাশনে চাকরি করতেন।

বাড়িওয়ালা মো. শহিদুল্লাহ জানান, সোমবার সন্ধ্যার পর নিহতের খালা ফোন করে জানান, মুক্তার স্বামী তার স্ত্রীকে মেরে ফেলেছে। পরে আমরা মেয়ের চাচাকে ফোন করে বিষয়টি জানিয়েছি।

তবে ওই দম্পতিকে কখনও পারিবারিক কলহ করতে দেখিনি বা শুনিনি।

এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘরের তালা ভেঙে হাত, পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় দেখতে পাই। চোখে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছে।

তালাবদ্ধ ঘরে নারী শ্রমিকের হাত-পা বাঁধা লাশ

 সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৫ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:৪৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মুক্তা বেগম
মুক্তা বেগম। ছবি: যুগান্তর

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে তালাবন্ধ ঘর থেকে এক নারী পোশাক শ্রমিকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার রাতে মিজমিজি পূর্বপাড়া এলাকায় মদিনা মসজিদসংলগ্ন হক ভিলার নিচতলা থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

পারিবারিক কলহের জেরে হত্যার পর লাশ ঘরে তালাবদ্ধ করে স্বামী সোহাগ পালিয়ে গেছে বলে অভিযোগ নিহতের পরিবারের।

নিহত মুক্তা বেগম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া থানাধীন খড়মপুর গ্রামের মো. খোকন মিয়ার মেয়ে। তারা দীর্ঘদিন ধরে মো. শহিদুল্লাহ মালিকানাধীন হক ভিলার নিচতলায় ভাড়া থাকতেন।

নিহত মুক্তা আদমজী ইপিজেডের অনন্ত গার্মেন্টে এবং স্বামী সোহাগ সিদ্ধিরগঞ্জপুল এলাকাস্থ মজিব ফ্যাশনে চাকরি করতেন।

বাড়িওয়ালা মো. শহিদুল্লাহ জানান, সোমবার সন্ধ্যার পর নিহতের খালা ফোন করে জানান, মুক্তার স্বামী তার স্ত্রীকে মেরে ফেলেছে। পরে আমরা মেয়ের চাচাকে ফোন করে বিষয়টি জানিয়েছি।

তবে ওই দম্পতিকে কখনও পারিবারিক কলহ করতে দেখিনি বা শুনিনি।

এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘরের তালা ভেঙে হাত, পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় দেখতে পাই। চোখে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন