সাপোর্ট সেন্টারে আত্মহত্যার আগে প্রেমিককে যে ম্যাসেজ পাঠান তরুণী
jugantor
সাপোর্ট সেন্টারে আত্মহত্যার আগে প্রেমিককে যে ম্যাসেজ পাঠান তরুণী

  রংপুর ব্যুরো  

২৬ জানুয়ারি ২০২২, ০১:৩৬:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানা ক্যাম্পাসে অবস্থিত ভিকটিম সার্পোট সেন্টারে রুহি আক্তার রুনা (১৯) নামে তরুণীর আত্মহত্যা করেন। আত্মহত্যার আগে প্রেমিকের মোবাইলে একটি ম্যাসেজ পাঠান। এ ঘটনায় গ্রেফতাকৃত মিঠুন ওরফে আকাশ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রাজু আহমেদের নিকট জবানবন্দি দেয়।

সোমবার সন্ধ্যায় কথিত প্রেমিক মিঠুন ওরফে আকাশকে পুলিশ গঙ্গাচড়া উপজেলার ধামুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। তার বাবার নাম এবাবদ আলী। বাড়ি রংপুরের গংগাচড়া থানার মুনশিপাড়া গ্রামে। আদালতে জবানবন্দি শেষে মিঠুনকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হোসেন আলী জানান, মিঠুন আদালতে ১৬৪ ধারায় রুহি আক্তার রুনার সঙ্গে মোবাইল ফোনে পরিচয় ও প্রেমের কথা স্বীকার করেছে। এছাড়া রুহির আত্মহত্যার আগে মিঠুনের মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ দিয়েছিল ‘আমি যদি তোমাকে না পাই তা হলে আত্মহত্যা করব’...।

তিনি জানান, মিঠুন পুলিশের কাছে আরও স্বীকার করেছেন- তিনি রুনাকে প্রেমের সূত্র ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত বছরের মার্চ মাসে রংপুরে ডেকে এনে পালিয়ে যায়। পুলিশ রুনা উদ্ধার করে সেবারে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। একইভাবে পুনরায় তাকে গত শনিবার রংপুরে ডেকে এনে পরে তার মোবাইল বন্ধ করে পালিয়ে যায়।

হোসেন আলী জানান, নিরুপায় হয়ে মেয়েটি তাকে শেষ বারের মত ওই ম্যাসেজ লিখে গভীর রাত পর্যন্ত নগরীর হারাগাছ থানাধীন সাহেবগঞ্জ এলাকায় অপেক্ষা করতে থাকেন। পরে পুলিশ ৯৯৯ এ খবর পেয়ে তাকে শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় উদ্ধার করে। পরে তাকে রংপুর কোতোয়ালি থানা ক্যাম্পাসে অবস্থিত পৃথক স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান ‘ভিকটিম সার্পোট সেন্টারে’ রাখা হয়। সেখানে পর দিন রোববার দুপুরে ওই তরুণী আত্মহত্যা করেন।

সাপোর্ট সেন্টারে আত্মহত্যার আগে প্রেমিককে যে ম্যাসেজ পাঠান তরুণী

 রংপুর ব্যুরো 
২৬ জানুয়ারি ২০২২, ০১:৩৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানা ক্যাম্পাসে অবস্থিত ভিকটিম সার্পোট সেন্টারে রুহি আক্তার রুনা (১৯) নামে তরুণীর আত্মহত্যা করেন। আত্মহত্যার আগে প্রেমিকের মোবাইলে একটি ম্যাসেজ পাঠান। এ ঘটনায় গ্রেফতাকৃত মিঠুন ওরফে আকাশ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রাজু আহমেদের নিকট জবানবন্দি দেয়। 

সোমবার সন্ধ্যায় কথিত প্রেমিক মিঠুন ওরফে আকাশকে পুলিশ গঙ্গাচড়া উপজেলার ধামুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। তার বাবার নাম এবাবদ আলী। বাড়ি রংপুরের গংগাচড়া থানার মুনশিপাড়া গ্রামে। আদালতে জবানবন্দি শেষে মিঠুনকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হোসেন আলী জানান, মিঠুন আদালতে ১৬৪ ধারায় রুহি আক্তার রুনার সঙ্গে মোবাইল ফোনে পরিচয় ও প্রেমের কথা স্বীকার করেছে। এছাড়া রুহির আত্মহত্যার আগে মিঠুনের মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ দিয়েছিল ‘আমি যদি তোমাকে না পাই তা হলে আত্মহত্যা করব’...।

তিনি জানান, মিঠুন পুলিশের কাছে আরও স্বীকার করেছেন- তিনি রুনাকে প্রেমের সূত্র ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত বছরের মার্চ মাসে রংপুরে ডেকে এনে পালিয়ে যায়। পুলিশ রুনা উদ্ধার করে সেবারে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। একইভাবে পুনরায় তাকে গত শনিবার রংপুরে ডেকে এনে পরে তার মোবাইল বন্ধ করে পালিয়ে যায়।

হোসেন আলী জানান, নিরুপায় হয়ে মেয়েটি তাকে শেষ বারের মত ওই ম্যাসেজ লিখে গভীর রাত পর্যন্ত নগরীর হারাগাছ থানাধীন সাহেবগঞ্জ এলাকায় অপেক্ষা করতে থাকেন। পরে পুলিশ ৯৯৯ এ খবর পেয়ে তাকে শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায়  উদ্ধার করে। পরে তাকে রংপুর কোতোয়ালি থানা ক্যাম্পাসে অবস্থিত পৃথক স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান ‘ভিকটিম সার্পোট সেন্টারে’ রাখা হয়। সেখানে পর দিন রোববার দুপুরে ওই তরুণী আত্মহত্যা করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন