গৃহবধূ হত্যায় একজনের যাবজ্জীবন
jugantor
গৃহবধূ হত্যায় একজনের যাবজ্জীবন

  যুগান্তর প্রতিবেদন, মানিকগঞ্জ  

২৭ জানুয়ারি ২০২২, ১৭:৩৭:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

মানিকগঞ্জে গৃহবধূ সালেহা আক্তার হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাকে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণাকালে আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

দণ্ডপ্রাপ্ত রেজাউল মন্ডলের বাড়ি মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার নিহালপুর এলাকায়। তিনি আরিচা ফেরিঘাটে চা-পানের দোকান করতেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ১ অক্টোবর মধ্যরাতে পরকীয়ার সম্পর্কের কারণে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গৃহবধূ সালেহা আক্তারকে ডেকে নিয়ে যায় রেজাউল মন্ডল। ওই রাতেই সালেহার সঙ্গে রেজাউল মন্ডলের মনোমানিল্য ও কথাকাটাকাটি হয়। এর জের ধরে রেজাউল সালেহাকে শাড়ির আঁচল গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পর দিন ২ অক্টোবর রেজাউল মন্ডলকে আসামি করে শিবালয় থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহতের ভাই ইসমাইল হোসেন।

মামলার তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা উপপুলিশ পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান। মামলায় মোট ১৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। পরে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক রায় ঘোষণা করেন। এদিকে আসামিকে গ্রেফতার করে সাজা কার্যকর করার নিদের্শ দিয়েছেন বিচারক।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন এপিপি নিরঞ্জন বসাক এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী সাখাওয়াৎ হোসাইন খান।

গৃহবধূ হত্যায় একজনের যাবজ্জীবন

 যুগান্তর প্রতিবেদন, মানিকগঞ্জ 
২৭ জানুয়ারি ২০২২, ০৫:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মানিকগঞ্জে গৃহবধূ সালেহা আক্তার হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাকে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণাকালে আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

দণ্ডপ্রাপ্ত রেজাউল মন্ডলের বাড়ি মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার নিহালপুর এলাকায়। তিনি আরিচা ফেরিঘাটে চা-পানের দোকান করতেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ১ অক্টোবর মধ্যরাতে পরকীয়ার সম্পর্কের কারণে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গৃহবধূ সালেহা আক্তারকে ডেকে নিয়ে যায় রেজাউল মন্ডল। ওই রাতেই সালেহার সঙ্গে রেজাউল মন্ডলের মনোমানিল্য ও কথাকাটাকাটি হয়। এর জের ধরে রেজাউল সালেহাকে শাড়ির আঁচল গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পর দিন ২ অক্টোবর রেজাউল মন্ডলকে আসামি করে শিবালয় থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহতের ভাই ইসমাইল হোসেন।

মামলার তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা উপপুলিশ পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান। মামলায় মোট ১৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। পরে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক রায় ঘোষণা করেন। এদিকে আসামিকে গ্রেফতার করে সাজা কার্যকর করার নিদের্শ দিয়েছেন বিচারক।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন এপিপি নিরঞ্জন বসাক এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী সাখাওয়াৎ হোসাইন খান।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন