ক্যান্সার আক্রান্ত ছেলেকে বাঁচাতে বাবার আকুতি
jugantor
ক্যান্সার আক্রান্ত ছেলেকে বাঁচাতে বাবার আকুতি

  মির্জাগঞ্জ  দক্ষিণ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি   

২৭ জানুয়ারি ২০২২, ১৭:৫১:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে চার বছরের আবদুল্লাহ। এ বয়সেই তার শরীরে বাসা বেঁধেছে মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সার। তাই ক্যান্সার আক্রান্ত ছেলেকে বাঁচাতে বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন আব্দুল্লাহর দিনমজুর পিতা।

আবদুল্লাহ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার পূর্ব সুবিদখালী গ্রামের দিনমজুর মিজানুর রহমানের ছেলে।

আবদুল্লাহর বাবা মিজানুর রহমান বলেন, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন আবদুল্লাহর ক্যান্সার এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। সঠিক সময় চিকিৎসা করানো সম্ভব হলে স্বাভাবিকভাবে বাঁচার সম্ভাবনা রয়েছে তার।

তিনি আরও বলেন, ছেলের চিকিৎসায় এ পর্যন্ত লাখখানেক টাকা খরচ হয়েছে। ওর চিকিৎসার জন্য এখন ৩ লাখ টাকা দরকার। আমার একখণ্ড জমিও নাই যে তা বিক্রি করে ছেলের চিকিৎসা চালাব। ছেলের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানরা যদি এগিয়ে আসেন তাহলে আমার ছেলের মুখে হাসি ফুটবে।

দিনমজুর বাবা মিজানুর প্রায় দেড় মাস ধরে ধার-দেনা করে ছেলের চিকিৎসা খরচ চালিয়ে আসছেন। একদিন কাজ না করলে ঘরে খাবার জোটে না তাদের। সন্তানের অসুস্থতার জন্য কাজও করতে পারছেন না তিনি। নেই কোনো জমি-জমা। মাথায় রয়েছে ছেলের চিকিৎসার খরচ ও ঋণের বোঝা। বর্তমানে শিশু আবদুল্লাহ ঢাকার বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩১৪নং ওয়ার্ডের ২৩নং বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ক্যান্সার আক্রান্ত ছেলেকে বাঁচাতে বাবার আকুতি

 মির্জাগঞ্জ  দক্ষিণ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  
২৭ জানুয়ারি ২০২২, ০৫:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে চার বছরের আবদুল্লাহ। এ বয়সেই তার শরীরে বাসা বেঁধেছে মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সার। তাই ক্যান্সার আক্রান্ত ছেলেকে বাঁচাতে বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন আব্দুল্লাহর দিনমজুর পিতা।

আবদুল্লাহ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার পূর্ব সুবিদখালী গ্রামের দিনমজুর মিজানুর রহমানের ছেলে। 

আবদুল্লাহর বাবা মিজানুর রহমান বলেন, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন আবদুল্লাহর ক্যান্সার এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। সঠিক সময় চিকিৎসা করানো সম্ভব হলে স্বাভাবিকভাবে বাঁচার সম্ভাবনা রয়েছে তার। 

তিনি আরও বলেন, ছেলের চিকিৎসায় এ পর্যন্ত লাখখানেক টাকা খরচ হয়েছে। ওর চিকিৎসার জন্য এখন ৩ লাখ টাকা দরকার। আমার একখণ্ড জমিও নাই যে তা বিক্রি করে ছেলের চিকিৎসা চালাব। ছেলের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানরা যদি এগিয়ে আসেন তাহলে আমার ছেলের মুখে হাসি ফুটবে। 

দিনমজুর বাবা মিজানুর প্রায় দেড় মাস ধরে ধার-দেনা করে ছেলের চিকিৎসা খরচ চালিয়ে আসছেন। একদিন কাজ না করলে ঘরে খাবার জোটে না তাদের। সন্তানের অসুস্থতার জন্য কাজও করতে পারছেন না তিনি। নেই কোনো জমি-জমা। মাথায় রয়েছে ছেলের চিকিৎসার খরচ ও ঋণের বোঝা। বর্তমানে শিশু আবদুল্লাহ ঢাকার বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩১৪নং ওয়ার্ডের ২৩নং বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন