টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
jugantor
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

  বরিশাল ব্যুরো  

২৭ জানুয়ারি ২০২২, ১৮:৩১:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

সেশনজট নিরসন ও দ্রুত পরীক্ষা নেওয়াসহ ৫ দফা দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। বৃহষ্পতিবার দুপুরে কলেজের সামনে সিঅ্যান্ডবি রোডে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীসহ বুটেক্সের অধিভুক্ত ৭টি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের সম্প্রতি করোনা পরিস্থিতির জন্য শিক্ষাজীবন থেকে অতি মূল্যবান প্রায় ১টি বছর বিনষ্ট হয়ে যায়। আরও একটি বছর শেষ হওয়ার পথে। যেখানে দেশের অন্য সকল বিশ্ববিদ্যালয় তাদের সেশনজট নিরসনে দ্রুত সময়ে পরীক্ষা সম্পন্ন করছে, একাধিক সেমিস্টার পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে, সেখানে আমাদের বুটেক্স অধিভুক্ত টেক্সটাইল কলেজগুলোর অনলাইন এ সম্পন্নকৃত সেমিস্টার গত ৫ মাসে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও শেষ হয়নি।

একাডেমিক বিষয়ে আমাদের কলেজগুলোর প্রশাসন, বুটেক্স প্রশাসন ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের চরম সমন্বয়হীনতা ও এমন উদাসীনতা আমাদের শিক্ষা জীবনকে আরো সংকীর্ণ করছে। এমতাবস্থায় আমরা বুটেক্স অধিভুক্ত সকল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ সম্মিলিতভাবে মানববন্ধন এবং অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি।

শিক্ষার্থীরা এ সময় তাদের ৫ দফা দাবির কথা তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- করোনা চলাকালীন যে সেমিস্টার লস হয়েছে, তা পুষিয়ে নিতে সর্বোচ্চ চার মাস ব্যাপ্তিতে সেমিস্টার করে দ্রুত রিকোভারি প্লান দিতে হবে, পরীক্ষার ফলাফল (সর্বোচ্চ ৬০ দিনের ভেতর) পরীক্ষার রুটিন ও অন্যান্য কার্যসূচি দ্রুত প্রকাশ করতে হবে, ৪র্থ বর্ষের সকল কার্যক্রম (৪-১ ও ৪-২ এর পরীক্ষা ও কমপ্রিহ্যানসিভ ভাইবা) আগস্টের মধ্যে শেষ করতে হবে, ২য় ও ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থীদের জুলাইয়ের মধ্যে ২-২ এবং ৩-২ পরীক্ষা শেষ করতে হবে এবং সেশনজট নিরসন না হওয়া পর্যন্ত ১ম, ২য়, ৩য় বর্ষের পরবর্তী সেমিস্টারগুলো প্রতিটি ৪ মাসে শেষ করতে হবে, সেমিস্টারের রেজাল্ট প্রকাশিত করার পরপরেই মার্কশিট প্রদান করতে হবে এবং প্রতি সাজেক্টে ইমপ্রুভমেন্ট পরীক্ষা ও রিটেক পরীক্ষার ফি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ২০০-৩০০ টাকায় নিয়ে আসতে হবে। সব কলেজের অধ্যক্ষসহ একজন করে শিক্ষক প্রতিনিধি নিয়ে একটি স্বতন্ত্র বোর্ড গঠন করতে হবে, যাতে কলেজগুলোর পরীক্ষার সময়সূচি, রেজাল্ট, মার্কশীট ও অন্যান্য বিষয়ে বোর্ড দ্রুত এবং কার্যকর ও চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিতে তৃতীয় কোনো পক্ষের হস্তক্ষেপ না থাকে।

শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনে বলেন, আমাদের এই দাবি-দাওয়াগুলো মেনে নিয়ে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অফিসিয়ালি মিটিং করে এজেন্ডা ও মিটিং পরবর্তী কার্যকর পদক্ষেপসমূহ স্মারক নম্বরসহ বিজ্ঞপ্তি আকারে দ্রুত ডিওটির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে।

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

 বরিশাল ব্যুরো 
২৭ জানুয়ারি ২০২২, ০৬:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সেশনজট নিরসন ও দ্রুত পরীক্ষা নেওয়াসহ ৫ দফা দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। বৃহষ্পতিবার দুপুরে কলেজের সামনে সিঅ্যান্ডবি রোডে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীসহ বুটেক্সের অধিভুক্ত ৭টি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের সম্প্রতি করোনা পরিস্থিতির জন্য শিক্ষাজীবন থেকে অতি মূল্যবান প্রায় ১টি বছর বিনষ্ট হয়ে যায়। আরও একটি বছর শেষ হওয়ার পথে। যেখানে দেশের অন্য সকল বিশ্ববিদ্যালয় তাদের সেশনজট নিরসনে দ্রুত সময়ে পরীক্ষা সম্পন্ন করছে, একাধিক সেমিস্টার পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে, সেখানে আমাদের বুটেক্স অধিভুক্ত টেক্সটাইল কলেজগুলোর অনলাইন এ সম্পন্নকৃত সেমিস্টার গত ৫ মাসে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও শেষ হয়নি। 

একাডেমিক বিষয়ে আমাদের কলেজগুলোর প্রশাসন, বুটেক্স প্রশাসন ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের চরম সমন্বয়হীনতা ও এমন উদাসীনতা আমাদের শিক্ষা জীবনকে আরো সংকীর্ণ করছে। এমতাবস্থায় আমরা বুটেক্স অধিভুক্ত সকল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ সম্মিলিতভাবে মানববন্ধন এবং অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি।

শিক্ষার্থীরা এ সময় তাদের ৫ দফা দাবির কথা তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- করোনা চলাকালীন যে সেমিস্টার লস হয়েছে, তা পুষিয়ে নিতে সর্বোচ্চ চার মাস ব্যাপ্তিতে সেমিস্টার করে দ্রুত রিকোভারি প্লান দিতে হবে, পরীক্ষার ফলাফল (সর্বোচ্চ ৬০ দিনের ভেতর) পরীক্ষার রুটিন ও অন্যান্য কার্যসূচি দ্রুত প্রকাশ করতে হবে, ৪র্থ বর্ষের সকল কার্যক্রম (৪-১ ও ৪-২ এর পরীক্ষা ও কমপ্রিহ্যানসিভ ভাইবা) আগস্টের মধ্যে শেষ করতে হবে, ২য় ও ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থীদের জুলাইয়ের মধ্যে ২-২ এবং ৩-২ পরীক্ষা শেষ করতে হবে এবং সেশনজট নিরসন না হওয়া পর্যন্ত ১ম, ২য়, ৩য় বর্ষের পরবর্তী সেমিস্টারগুলো প্রতিটি ৪ মাসে শেষ করতে হবে, সেমিস্টারের রেজাল্ট প্রকাশিত করার পরপরেই মার্কশিট প্রদান করতে হবে এবং প্রতি সাজেক্টে ইমপ্রুভমেন্ট পরীক্ষা ও রিটেক পরীক্ষার ফি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ২০০-৩০০ টাকায় নিয়ে আসতে হবে। সব কলেজের অধ্যক্ষসহ একজন করে শিক্ষক প্রতিনিধি নিয়ে একটি স্বতন্ত্র বোর্ড গঠন করতে হবে, যাতে কলেজগুলোর পরীক্ষার সময়সূচি, রেজাল্ট, মার্কশীট ও অন্যান্য বিষয়ে বোর্ড দ্রুত এবং কার্যকর ও চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিতে তৃতীয় কোনো পক্ষের হস্তক্ষেপ না থাকে।

শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনে বলেন, আমাদের এই দাবি-দাওয়াগুলো মেনে নিয়ে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অফিসিয়ালি মিটিং করে এজেন্ডা ও মিটিং পরবর্তী কার্যকর পদক্ষেপসমূহ স্মারক নম্বরসহ বিজ্ঞপ্তি আকারে দ্রুত ডিওটির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন