কুড়িগ্রামে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা ৬ দশমিক ১
jugantor
কুড়িগ্রামে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা ৬ দশমিক ১

  কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি  

২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১২:৫৫:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

শীতে কাঁপছে উত্তরের জেলা কুড়িগ্রাম। ঘন কুয়াশা আর হিম ঠাণ্ডা বাতাসে জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ।

শুক্রবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। এ অবস্থা আরও ২-৩ দিন থাকতে করতে পারে বলে জানিয়েছে স্থানীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন শ্রমজীবী ও কর্মজীবী মানুষ।

কৃষিক্ষেতে শ্রমিকরা এবং যানবাহন চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা মানুষ পড়েছেন বিপাকে। এ ছাড়া কুয়াশা ও ঠাণ্ডা বাতাসের কারণে বোরো বীজতলা ও আলুক্ষেত নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে কৃষক। ছত্রাকের আক্রমণ থেকে আলু ক্ষেত রক্ষা করতে ঘন ঘন ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হচ্ছে কৃষকদের। তীব্র ঠাণ্ডা উপেক্ষা করে কৃষকরা করছেন বোরো রোপণের কাজ।

কুড়িগ্রামের হলোখানা ইউনিয়নের টাপুরচরের কৃষক আবদার হোসেন জানান, এবারে অনেক খরচ করে আলু লাগিয়েছি। তীব্র ঠাণ্ডার কারণে সদ্য বেড়ে ওঠা আলু ক্ষেত নিয়ে চিন্তায় আছি।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শামসুদ্দিন মিঞা জানান, শৈত্যপ্রবাহ ক্ষণস্থায়ী হওয়ায় আবাদের তেমন কোনো ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাই সরকার জানান, এখন পর্যন্ত জেলায় শীতার্তদের জন্য এক কোটি ৮ লাখ টাকার কম্বল ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত আরও ৩৫ হাজার ৭০০ কম্বল বিভিন্ন উপজেলায় প্রেরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত ৬ হাজার সোয়েটার ও ৫ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

কুড়িগ্রামে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা ৬ দশমিক ১

 কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 
২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১২:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শীতে কাঁপছে উত্তরের জেলা কুড়িগ্রাম। ঘন কুয়াশা আর হিম ঠাণ্ডা বাতাসে জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। 

শুক্রবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। এ অবস্থা আরও ২-৩ দিন থাকতে করতে পারে বলে জানিয়েছে স্থানীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন শ্রমজীবী ও কর্মজীবী মানুষ। 

কৃষিক্ষেতে শ্রমিকরা এবং যানবাহন চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা মানুষ পড়েছেন বিপাকে। এ ছাড়া কুয়াশা ও ঠাণ্ডা বাতাসের কারণে বোরো বীজতলা ও আলুক্ষেত নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে কৃষক। ছত্রাকের আক্রমণ থেকে আলু ক্ষেত রক্ষা করতে ঘন ঘন ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হচ্ছে কৃষকদের। তীব্র ঠাণ্ডা উপেক্ষা করে কৃষকরা করছেন বোরো রোপণের কাজ। 

কুড়িগ্রামের হলোখানা ইউনিয়নের টাপুরচরের কৃষক আবদার হোসেন জানান, এবারে অনেক খরচ করে আলু লাগিয়েছি। তীব্র ঠাণ্ডার কারণে সদ্য বেড়ে ওঠা আলু ক্ষেত নিয়ে চিন্তায় আছি। 

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শামসুদ্দিন মিঞা জানান, শৈত্যপ্রবাহ ক্ষণস্থায়ী হওয়ায় আবাদের তেমন কোনো ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাই সরকার জানান, এখন পর্যন্ত জেলায় শীতার্তদের জন্য এক কোটি ৮ লাখ টাকার কম্বল ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত আরও ৩৫ হাজার ৭০০ কম্বল বিভিন্ন উপজেলায় প্রেরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত ৬ হাজার সোয়েটার ও ৫ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন