রায়পুরে কৃষি বীজাগার ভবনের ৪টি দখলে, বাকিগুলো পরিত্যক্ত
jugantor
রায়পুরে কৃষি বীজাগার ভবনের ৪টি দখলে, বাকিগুলো পরিত্যক্ত

  তাবারক হোসেন আজাদ,  রায়পুর (লক্ষ্মীপুর)  

২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১৪:৪১:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে পৌরসভাসহ বীজাগার ৪২ বছর ধরে কোনো কার্যক্রম নেই

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে পৌরসভাসহ ১০ ইউনিয়নের কৃষি বিভাগের ১১টি বীজাগার ৪২ বছর ধরে কোনো কার্যক্রম নেই।

এতে চারটি ভবন স্থানীয়রা দখল করে রেখেছেন আর বাকি সাতটি ভবন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। প্রতি মাস একবার করে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠালেও কোনো প্রতিকার মিলছে না বলে জানান জেলা কর্মকর্তা।

পরিত্যক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো হচ্ছে– উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের কৃষি বীজাগার রবিদাসেরপুলে অবস্থিত। একই ইউনিয়নের কৃষি বীজাগার রাখালিয়া বাজার হাইস্কুলসংলগ্ন। থানার সামনে বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে কৃষি বীজাগার, ভুঁইয়ারহাট এলাকায় ও হায়দরগঞ্জ বাজারসহ সাতটি ভবন পরিত্যক্ত পড়ে রয়েছে।

দপ্তর সূত্রে জানা যায়, কৃষকদের মাঝে সেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার সুবিধার্থে মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের আবাসিক সুবিধা দেওয়ার জন্য ওই সব জমিতে ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করছে কৃষি অধিদপ্তর। কিন্তু ভবন ও জমি স্থানীয় প্রভাবশালীদের দখলে থাকায় সরকারের এ পরিকল্পনা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

কৃষি বিভাগের বীজাগারের জমি ও ভবন স্থানীয়রা দখলে নেওয়ার কথা স্বীকার করে জেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. মো. জাকির হোসেন যুগান্তরকে বলেন, কৃষি বিভাগ এখন ডিজিটাল। কৃষকদের দোরগোড়ায় আধুনিক সেবা পৌঁছে দিতে প্রতিটি ইউনিয়ন কমপ্লেক্সে দুটি করে কক্ষ কৃষি কর্মকর্তাদের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এখন ওই কর্মকর্তাদের আবাসিক সুবিধা দিতে সরকার প্রতিটি ইউনিয়নের বীজাগারের জমিতে ভবন করার পরিকল্পনা করছে। রায়পুরে জমি ও ভবন উদ্ধারের জন্য ৫টি মামলাসহ জেলায় ১১টি মামলা আদালতে চলমান। জেলার রামগতিতে ২টি নদীগর্ভে চলে গেছে এবং ৪৯টি ভবনই পরিত্যক্ত হয়ে রয়েছে। শিগগিরই ওই সব জমি ও ভবন কৃষি বিভাগের দখলে নিতে কাজ চলছে।

রায়পুরে কৃষি বীজাগার ভবনের ৪টি দখলে, বাকিগুলো পরিত্যক্ত

 তাবারক হোসেন আজাদ,  রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) 
২৮ জানুয়ারি ২০২২, ০২:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে পৌরসভাসহ বীজাগার ৪২ বছর ধরে কোনো কার্যক্রম নেই
ছবি: যুগান্তর

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে পৌরসভাসহ ১০ ইউনিয়নের কৃষি বিভাগের ১১টি বীজাগার ৪২ বছর ধরে কোনো কার্যক্রম নেই। 

এতে চারটি ভবন স্থানীয়রা দখল করে রেখেছেন আর বাকি সাতটি ভবন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। প্রতি মাস একবার করে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠালেও কোনো প্রতিকার মিলছে না বলে জানান জেলা কর্মকর্তা।

পরিত্যক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো হচ্ছে– উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের কৃষি বীজাগার রবিদাসেরপুলে অবস্থিত। একই ইউনিয়নের কৃষি বীজাগার রাখালিয়া বাজার হাইস্কুলসংলগ্ন। থানার সামনে বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে কৃষি বীজাগার, ভুঁইয়ারহাট এলাকায় ও হায়দরগঞ্জ বাজারসহ সাতটি ভবন পরিত্যক্ত পড়ে রয়েছে। 

দপ্তর সূত্রে জানা যায়, কৃষকদের মাঝে সেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার সুবিধার্থে মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের আবাসিক সুবিধা দেওয়ার জন্য ওই সব জমিতে ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করছে কৃষি অধিদপ্তর। কিন্তু ভবন ও জমি স্থানীয় প্রভাবশালীদের দখলে থাকায় সরকারের এ পরিকল্পনা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

কৃষি বিভাগের বীজাগারের জমি ও ভবন স্থানীয়রা দখলে নেওয়ার কথা স্বীকার করে জেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. মো. জাকির হোসেন যুগান্তরকে বলেন, কৃষি বিভাগ এখন ডিজিটাল। কৃষকদের দোরগোড়ায় আধুনিক সেবা পৌঁছে দিতে প্রতিটি ইউনিয়ন কমপ্লেক্সে দুটি করে কক্ষ কৃষি কর্মকর্তাদের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এখন ওই কর্মকর্তাদের আবাসিক সুবিধা দিতে সরকার প্রতিটি ইউনিয়নের বীজাগারের জমিতে ভবন করার পরিকল্পনা করছে। রায়পুরে জমি ও ভবন উদ্ধারের জন্য ৫টি মামলাসহ জেলায় ১১টি মামলা আদালতে চলমান। জেলার রামগতিতে ২টি নদীগর্ভে চলে গেছে এবং ৪৯টি ভবনই পরিত্যক্ত হয়ে রয়েছে। শিগগিরই ওই সব জমি ও ভবন কৃষি বিভাগের দখলে নিতে কাজ চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন