খাগরিয়ায় নির্বাচনি সহিংসতা, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দুই প্রার্থীর
jugantor
খাগরিয়ায় নির্বাচনি সহিংসতা, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দুই প্রার্থীর

  সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

২৮ জানুয়ারি ২০২২, ২১:৪৯:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার খাগরিয়ায় নির্বাচনি সহিংসতায় শিশু, পথচারীসহ ১৫ জন আহতের ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী একে অপরের দিকে অভিযোগের তীর ছুড়ছেন। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আকতার হোসেনের দাবি- নির্বাচনি আচরণবিধি ভেঙে বেলা ১১টায় গণসংযোগের নামে বের হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী এলডিপি নেতা জসিম উদ্দীনের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে তার প্রধান নির্বাচনি কার্যালয় ভাঙচুর, বাড়িতে হামলা এবং গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে।

অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী জসিম উদ্দীনের দাবি, বর্তমান চেয়ারম্যান ও নৌকার প্রার্থী আকতার হোসেনের নেতৃত্বেই বৃহস্পতিবার তার কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা এবং গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এখন তাকে মামলার জালে ফাঁসাতে তার বিরুদ্ধে উল্টো অভিযোগ আনা হচ্ছে।

ঘটনার একদিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কেউই এ ঘটনায় থানায় কিংবা রিটার্নিং অফিসারের কাছে কোনো অভিযোগ করেননি। ঘটনায় ব্যবহৃত কোনো অস্ত্রও উদ্ধার করা যায়নি।

এদিকে শুক্রবার সকালে খাগরিয়ার ভোরবাজারে প্রধান-নির্বাচনি কার্যালয় ভাঙচুর ও বাড়িতে হামলা এবং এলাকায় গুলিবর্ষণের অভিযোগ এনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আকতার হোসেন।

তিনি বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনি আইন ভঙ্গ করে বেলা ১১টায় আমার নির্বাচনি অফিস ও বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির আওতায় এনে সুষ্ঠু ভোট উপহার দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

হামলার ঘটনায় কোনো অভিযোগ করেছেন কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, থানায় লিখিতভাবে এজাহার দায়ের করেছি, আশা করছি সন্ধ্যায় মামলা হবে।

স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দীন বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে নির্বাচনি প্রচারণায় বের হলে আকতারের নেতৃত্বেই আমাদের ওপর হামলা হয়। হামলায় আমার ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জলিল বলেন, খাগরিয়ায় নির্বাচনি সহিংসতায় এখনো পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। এছাড়া আমরা ওই ইউনিয়নে স্থায়ীভাবে একটি ফোর্স নিয়োজিত করেছি।

এর আগে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে খাগরিয়া ভোরবাজারে নির্বাচনি সহিংসতায় পথচারী, নারী-শিশুসহ ১৫ জন আহত হন। এর মধ্যে গুলিবিদ্ধ হন অন্তত ৭ জন।

খাগরিয়ায় নির্বাচনি সহিংসতা, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দুই প্রার্থীর

 সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি  
২৮ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার খাগরিয়ায় নির্বাচনি সহিংসতায় শিশু, পথচারীসহ ১৫ জন আহতের ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী একে অপরের দিকে অভিযোগের তীর ছুড়ছেন। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আকতার হোসেনের দাবি- নির্বাচনি আচরণবিধি ভেঙে বেলা ১১টায় গণসংযোগের নামে বের হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী এলডিপি নেতা জসিম উদ্দীনের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে তার প্রধান নির্বাচনি কার্যালয় ভাঙচুর, বাড়িতে হামলা এবং গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে। 

অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী জসিম উদ্দীনের দাবি, বর্তমান চেয়ারম্যান ও নৌকার প্রার্থী আকতার হোসেনের নেতৃত্বেই বৃহস্পতিবার তার কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা এবং গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এখন তাকে মামলার জালে ফাঁসাতে তার বিরুদ্ধে উল্টো অভিযোগ আনা হচ্ছে। 

ঘটনার একদিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কেউই এ ঘটনায় থানায় কিংবা রিটার্নিং অফিসারের কাছে কোনো অভিযোগ করেননি। ঘটনায় ব্যবহৃত কোনো অস্ত্রও উদ্ধার করা যায়নি।

এদিকে শুক্রবার সকালে খাগরিয়ার ভোরবাজারে প্রধান-নির্বাচনি কার্যালয় ভাঙচুর ও বাড়িতে হামলা এবং এলাকায় গুলিবর্ষণের অভিযোগ এনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আকতার হোসেন। 

তিনি বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনি আইন ভঙ্গ করে বেলা ১১টায় আমার নির্বাচনি অফিস ও বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির আওতায় এনে সুষ্ঠু ভোট উপহার দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

হামলার ঘটনায় কোনো অভিযোগ করেছেন কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, থানায় লিখিতভাবে এজাহার দায়ের করেছি, আশা করছি সন্ধ্যায় মামলা হবে।

স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দীন বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে নির্বাচনি প্রচারণায় বের হলে আকতারের নেতৃত্বেই আমাদের ওপর হামলা হয়। হামলায় আমার ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। 

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জলিল বলেন, খাগরিয়ায় নির্বাচনি সহিংসতায় এখনো পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। এছাড়া আমরা ওই ইউনিয়নে স্থায়ীভাবে একটি ফোর্স নিয়োজিত করেছি। 

এর আগে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে খাগরিয়া ভোরবাজারে নির্বাচনি সহিংসতায় পথচারী, নারী-শিশুসহ ১৫ জন আহত হন। এর মধ্যে গুলিবিদ্ধ হন অন্তত ৭ জন। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন