‘ভুল তথ্যে’ নিরপরাধ দুজনকে পেটাল বিজিবি 
jugantor
‘ভুল তথ্যে’ নিরপরাধ দুজনকে পেটাল বিজিবি 

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি  

২৮ জানুয়ারি ২০২২, ২২:৪৫:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রতীকী ছবি

চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে সাতক্ষীরার কলারোয়ার কাকডাঙা সীমান্তে দুজনকে পিটিয়ে আহত করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা।

আহতরা হলেন- রফিকুল ইসলাম ও মামুন। এর মধ্যে রফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

দুজনের কাছেই চোরাচালানের কোনো পণ্যের হদিস না পেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যের হস্তক্ষেপে তাদের ছেড়ে দিয়েছে বিজিবি।

আহত রফিকুল ইসলামের শ্বশুর কাকডাঙা গ্রামের মো. আসাদুজ্জামান জানান, শুক্রবার সকাল ৯টায় বিজিবির কাকডাঙা বিওপির সদস্যরা তার মেয়ের জামাইকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে তাকে বাড়ির পাশে একটি গাছের সঙ্গে গামছা দিয়ে মুখ ও হাত বেঁধে পেটাতে থাকে। এ সময় তার কাছে জানতে চায়, চোরাচালানকৃত মালামালগুলো কোথায়। পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরা প্রতিবাদ করতে গেলে বিজিবি তাদের সরিয়ে দেয়। পরে কেঁড়াগাছি ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল ও মেম্বার মনসুর আলী ঘটনাস্থলে এসে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানান। বিজিবি সদস্যরা এ সময় তার কাছে চোরাচালানের কোনো মালামাল পায়নি স্বীকার করে তাকে ছেড়ে দেয়। রফিকুল ইসলাম এখন সাতক্ষীরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে।

গ্রামবাসী আরও জানান, বিজিবি সদস্যরা একইভাবে বৃহস্পতিবার একটি নার্সারির মালিক মিন্টুর ছেলে মামুনকে খুব সকালে তার বাড়ি থেকে তুলে এনে একইভাবে মারধর করে। এ সময় তার কাছে মাদক রয়েছে বলে বিজিবি অভিযোগ তোলে। কিন্তু তার কাছে কোনো মাদক না পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মনসুর আলীর হস্তক্ষেপে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কাকডাঙা সীমান্তে বিজিবির সোর্স পরিচয়দানকারী কয়েক ব্যক্তি এ ধরনের ভুল তথ্য বিজিবির কাছে পৌঁছে দিয়ে তাদের মারপিট করিয়েছে। গ্রামবাসী কথিত ওই সোর্সদের চিহ্নিত করে তাদের বিচার দাবি করেছেন। একই সঙ্গে এ মারপিটের সঙ্গে জড়িত বিজিবি সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিজিবির কাকডাঙা বিওপির কমান্ডার ওসমান গনি বলেন, ভুল ইনফরমেশনের কারণে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। সীমান্তের চোরাচালানিরা একে অন্যের বিরুদ্ধে এমনকি নিরীহ লোকের বিরুদ্ধে নানা ধরনের তথ্য আমাদের দিয়ে থাকে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই না করার কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, তাদের কাছ থেকে কোনো ধরনের চোরাচালানের পণ্য উদ্ধার করা যায়নি।

‘ভুল তথ্যে’ নিরপরাধ দুজনকে পেটাল বিজিবি 

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 
২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১০:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে সাতক্ষীরার কলারোয়ার কাকডাঙা সীমান্তে দুজনকে পিটিয়ে আহত করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা। 

আহতরা হলেন- রফিকুল ইসলাম ও মামুন। এর মধ্যে রফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। 

দুজনের কাছেই চোরাচালানের কোনো পণ্যের হদিস না পেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যের হস্তক্ষেপে তাদের ছেড়ে দিয়েছে বিজিবি।

আহত রফিকুল ইসলামের শ্বশুর কাকডাঙা গ্রামের মো. আসাদুজ্জামান জানান, শুক্রবার সকাল ৯টায় বিজিবির কাকডাঙা বিওপির সদস্যরা তার মেয়ের জামাইকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে তাকে বাড়ির পাশে একটি গাছের সঙ্গে গামছা দিয়ে মুখ ও হাত বেঁধে পেটাতে থাকে। এ সময় তার কাছে জানতে চায়, চোরাচালানকৃত মালামালগুলো কোথায়। পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরা প্রতিবাদ করতে গেলে বিজিবি তাদের সরিয়ে দেয়। পরে কেঁড়াগাছি ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল ও মেম্বার মনসুর আলী ঘটনাস্থলে এসে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানান। বিজিবি সদস্যরা এ সময় তার কাছে চোরাচালানের কোনো মালামাল পায়নি স্বীকার করে তাকে ছেড়ে দেয়। রফিকুল ইসলাম এখন সাতক্ষীরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে।

গ্রামবাসী আরও জানান, বিজিবি সদস্যরা একইভাবে বৃহস্পতিবার একটি নার্সারির মালিক মিন্টুর ছেলে মামুনকে খুব সকালে তার বাড়ি থেকে তুলে এনে একইভাবে মারধর করে। এ সময় তার কাছে মাদক রয়েছে বলে বিজিবি অভিযোগ তোলে। কিন্তু তার কাছে কোনো মাদক না পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মনসুর আলীর হস্তক্ষেপে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কাকডাঙা সীমান্তে বিজিবির সোর্স পরিচয়দানকারী কয়েক ব্যক্তি এ ধরনের ভুল তথ্য বিজিবির কাছে পৌঁছে দিয়ে তাদের মারপিট করিয়েছে। গ্রামবাসী কথিত ওই সোর্সদের চিহ্নিত করে তাদের বিচার দাবি করেছেন। একই সঙ্গে এ মারপিটের সঙ্গে জড়িত বিজিবি সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান তারা। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিজিবির কাকডাঙা বিওপির কমান্ডার ওসমান গনি বলেন, ভুল ইনফরমেশনের কারণে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। সীমান্তের চোরাচালানিরা একে অন্যের বিরুদ্ধে এমনকি নিরীহ লোকের বিরুদ্ধে নানা ধরনের তথ্য আমাদের দিয়ে থাকে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই না করার কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। 

তিনি বলেন, তাদের কাছ থেকে কোনো ধরনের চোরাচালানের পণ্য উদ্ধার করা যায়নি। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন