৩৭ লাখ টাকা নিয়ে লাপাত্তা প্রাইভেটকারচালক
jugantor
৩৭ লাখ টাকা নিয়ে লাপাত্তা প্রাইভেটকারচালক

  আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি   

২৮ জানুয়ারি ২০২২, ২২:৫১:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রতীকী ছবি

ঢাকার আশুলিয়ায় প্রাইভেটকারচালক ৩৭ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গাড়ির মালিকের ছেলে একটি অভিযোগ দিয়েছেন।

গত ২৪ জানুয়ারি রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আব্দুর রশিদ (৪২) লালমনিরহাট সদর উপজেলার চরকাটাবাড়ি কুলারহাটা এলাকার মফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি আশুলিয়ার পবনারটেক এলাকার বাসিন্দা আলম চানের প্রাইভেটকারচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

গাড়ির মালিকের ছেলে সজিবের দাবি, গত ২৪ জানুয়ারি রাতে সজিব ও তার ব্যবসায়িক পার্টনার প্রাইভেটকারে নগদ ৪০ লাখ টাকা নিয়ে রেডিমেট গার্মেন্ট পণ্য কেনার জন্য গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন চেরাগআলী বনমালা রোড এলাকায় যান। এর মধ্যে এক ব্যাগে ৩৭ লাখ এবং অন্য একটি ব্যাগে তিন লাখ টাকা ছিল।

গাড়ির ভেতর সব টাকা রেখেই তারা মালামাল দেখার জন্য ভেতরে চলে যান। পরে গাড়িতে টাকা নিতে আসলে গাড়ি লক অবস্থায় পাওয়া যায় এবং আব্দুর রশিদকেও পাওয়া যায়নি। পরে গাড়ির দরজা খুলে ভেতরে ৩ লাখ টাকা পাওয়া গেলেও ৩৭ লাখ টাকার ব্যাগটি পাওয়া যায়নি। রশিদের মোবাইলে কল করলে বন্ধ পাওয়া যায়। পরে বিষয়টি টঙ্গী পূর্ব থানায় জানিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

টঙ্গী পূর্ব থানার এসআই ফরহাদ জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তকে ধরতে প্রযুক্তির ব্যবহার করছি।

৩৭ লাখ টাকা নিয়ে লাপাত্তা প্রাইভেটকারচালক

 আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি  
২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১০:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

ঢাকার আশুলিয়ায় প্রাইভেটকারচালক ৩৭ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গাড়ির মালিকের ছেলে একটি অভিযোগ দিয়েছেন।
 
গত ২৪ জানুয়ারি রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। 

আব্দুর রশিদ (৪২) লালমনিরহাট সদর উপজেলার চরকাটাবাড়ি কুলারহাটা এলাকার মফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি আশুলিয়ার পবনারটেক এলাকার বাসিন্দা আলম চানের প্রাইভেটকারচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। 

গাড়ির মালিকের ছেলে সজিবের দাবি, গত ২৪ জানুয়ারি রাতে সজিব ও তার ব্যবসায়িক পার্টনার প্রাইভেটকারে নগদ ৪০ লাখ টাকা নিয়ে রেডিমেট গার্মেন্ট পণ্য কেনার জন্য গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন চেরাগআলী বনমালা রোড এলাকায় যান। এর মধ্যে এক ব্যাগে ৩৭ লাখ এবং অন্য একটি ব্যাগে তিন লাখ টাকা ছিল।  

গাড়ির ভেতর সব টাকা রেখেই তারা মালামাল দেখার জন্য ভেতরে চলে যান। পরে গাড়িতে টাকা নিতে আসলে গাড়ি লক অবস্থায় পাওয়া যায় এবং আব্দুর রশিদকেও পাওয়া যায়নি। পরে গাড়ির দরজা খুলে ভেতরে ৩ লাখ টাকা পাওয়া গেলেও ৩৭ লাখ টাকার ব্যাগটি পাওয়া যায়নি। রশিদের মোবাইলে কল করলে বন্ধ পাওয়া যায়। পরে বিষয়টি টঙ্গী পূর্ব থানায় জানিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। 

টঙ্গী পূর্ব থানার এসআই ফরহাদ জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তকে ধরতে প্রযুক্তির ব্যবহার করছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন