সিংগাইরে বস্তাবন্দি নারীর পরিচয় মিলেছে 
jugantor
সিংগাইরে বস্তাবন্দি নারীর পরিচয় মিলেছে 

  সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৮ জানুয়ারি ২০২২, ২৩:০১:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

মারজিয়া আক্তার আইরিন

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে অজ্ঞাত নারীর বস্তাবন্দি লাশের পরিচয় মিলেছে।

নিহত নারীর নাম মারজিয়া আক্তার আইরিন (৩০)। তিনি উপজেলার চারিগ্রাম ইউনিয়নের দাসেরহাটি গ্রামের সাবেক মেম্বার মোশারফ হোসেনের মেয়ে।

হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে এক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত ১৪ জানুয়ারি উপজেলার চান্দহর ইউনিয়নে সড়কের পাশ থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা হয়।

লাশের সঙ্গে কার্টন ও একটি রিসিপের সূত্র ধরে তদন্তে নামে পুলিশ। এরপর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে লাশ উদ্ধারের ১৩ দিন পর নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থেকে মাসুদ (৩৮) ও তার স্ত্রী রেখা আক্তারকে (৩১) গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত মাসুদ মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের তেঘুরিয়া গ্রামের শেখ সিদ্দিকের ছেলে।

বৃহস্পতিবার পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আসামিরা। তারা বলেছেন, নিহত ওই নারীর সঙ্গে মিরপুরে ভাড়া বাসায় সাবলেট থাকা অবস্থায় তাদের পরিচয়। আইরিন একাই ঢাকায় থাকতেন। এ সুযোগে তার স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে নিতেই তাকে প্রথমে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর ধারাল ছুরি দিয়ে জবাই করা হয়। পরবর্তীতে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে বস্তাবন্দি করে ওই এলাকায় ফেলে দেওয়া হয়।

নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, সাত বছর আগে স্বামীর সঙ্গে বিয়েবিচ্ছেদ হয় আইরিনের। এরপর ডেন্টাল হাসপাতালে কাজ শেখতে ঢাকায় যান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হালিম বলেন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকু উদ্ধার করা হযেছে। এছাড়া অন্য কোনো ক্লু আছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সিংগাইরে বস্তাবন্দি নারীর পরিচয় মিলেছে 

 সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১১:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মারজিয়া আক্তার আইরিন
মারজিয়া আক্তার আইরিন। ফাইল ছবি

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে অজ্ঞাত নারীর বস্তাবন্দি লাশের পরিচয় মিলেছে। 

নিহত নারীর নাম মারজিয়া আক্তার আইরিন (৩০)। তিনি উপজেলার চারিগ্রাম ইউনিয়নের দাসেরহাটি গ্রামের সাবেক মেম্বার মোশারফ হোসেনের মেয়ে। 

হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে এক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত ১৪ জানুয়ারি উপজেলার চান্দহর ইউনিয়নে সড়কের পাশ থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা হয়। 

লাশের সঙ্গে কার্টন ও একটি রিসিপের সূত্র ধরে তদন্তে নামে পুলিশ। এরপর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে লাশ উদ্ধারের ১৩ দিন পর নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থেকে মাসুদ (৩৮) ও তার স্ত্রী রেখা আক্তারকে (৩১) গ্রেফতার করা হয়। 

গ্রেফতারকৃত মাসুদ মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের তেঘুরিয়া গ্রামের শেখ সিদ্দিকের ছেলে। 

বৃহস্পতিবার পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আসামিরা। তারা বলেছেন, নিহত ওই নারীর সঙ্গে মিরপুরে ভাড়া বাসায় সাবলেট থাকা অবস্থায় তাদের পরিচয়। আইরিন একাই ঢাকায় থাকতেন। এ সুযোগে তার স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে নিতেই তাকে প্রথমে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর ধারাল ছুরি দিয়ে জবাই করা হয়। পরবর্তীতে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে বস্তাবন্দি করে ওই এলাকায় ফেলে দেওয়া হয়।

নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, সাত বছর আগে স্বামীর সঙ্গে বিয়েবিচ্ছেদ হয় আইরিনের। এরপর ডেন্টাল হাসপাতালে কাজ শেখতে ঢাকায় যান। 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হালিম বলেন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকু উদ্ধার করা হযেছে। এছাড়া অন্য কোনো ক্লু আছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন