বন্দুকযুদ্ধে টেকনাফের কাউন্সিলর নিহতের ঘটনায় তদন্ত দাবী

প্রকাশ : ৩১ মে ২০১৮, ২১:৩৪ | অনলাইন সংস্করণ

  কক্সবাজার প্রতিনিধি

বন্দুকযুদ্ধে তিনবারের পৌর কাউন্সিলর নিহতের ঘটনায় পরিবারের সংবাদ সম্মেলন। ছবি: যুগান্তর

কক্সবাজার-টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তিনবারের নির্বাচিত পৌর কাউন্সিলর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি একরামুল হক নিহত হওয়ার ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবী করেছে তার পরিবার।

বৃহস্পতিবার বিকালে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবী জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে একরামুলের স্ত্রী আয়েশা খাতুন বলেন, গোয়েন্দা সংস্থার জমি সংক্রান্ত বিষয়ের কথা বলে ২৬ মে সকালে আমার স্বামীকে ডেকে নিয়ে যায়। ওই দিন রাত সাড়ে ১২টার দিকে র‌্যাব পরিকল্পিতভাবে একরামকে হত্যা করে। পরে ইয়াবা ব্যবসায়ী ও বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা বলে চালিয়ে দেয়।

একরামুলের স্ত্রীর দাবী, তার স্বামী একরামুল হক কখনো ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। যদি ইয়াবার ব্যবসা করত তাহলে অভাব অনটন নিয়ে জীবন যাপন করতে হতো না। পাশাপাশি মেয়েদের স্কুলের বেতন ও বিদ্যুৎ বিল পর্যন্ত কয়েক মাসের বকেয়া থাকত না।

তিনি আরও দাবি করেন, মূলত পরিকল্পিতভাবে একরামুল হককে খুন করা হয়েছে। আর এই খুনের পেছনে কারা জড়িত ছিল এবং আমার নির্দোষ স্বামীকে কেন খুন করা হয়েছে তা জাতীর কাছে তুলে ধরার জন্য সরকারের কাছে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবী জানাচ্ছি।

বন্দুকযুদ্ধে তিনবারের পৌর কাউন্সিলর নিহতের ঘটনায় পরিবারের সংবাদ সম্মেলন। ছবি: যুগান্তরসংবাদ সম্মেলনে নিহতের দুই কন্যা ও ভাই উপস্থিত ছিলেন।

নিহত একরামুল হক টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালীপাড়ার মৃত আবদুস সাত্তারের ছেলে এবং ওই ওয়ার্ডের পর পর তিনবার নির্বাচিত কাউন্সিলর। পাশাপাশি টেকনাফ উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও টেকনাফ বাস স্টেশন ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি। এছাড়া তিনি টেকনাফ হাইয়েছ মাইক্রো শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক আহবায়ক ছিলেন।

উল্লেখ্য গত ২৬ শনিবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টায় কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ নোয়াখালিয়াপাড়ায় র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হন একরামুল হক।