মনোনয়ন না পেয়ে আ.লীগ নেতার পদত্যাগ
jugantor
মনোনয়ন না পেয়ে আ.লীগ নেতার পদত্যাগ

  সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৬ মে ২০২২, ২০:৫৩:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

দলীয় নৌকা প্রতীক মনোনয়ন না পেয়ে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আরিফ মাসুদ বাবু। তিনি এবারো মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছিলেন।

সোমবার দুপুর ১টায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় অবস্থিত স্কাই লার্ক রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দল থেকে পদত্যাগ করার ঘোষণা দেন। তবে তিনি পদত্যাগপত্রে তার স্বাস্থ্যগত সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরিফ মাসুদ বাবু বলেন, আমার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম অ্যাডভোকেট সাজেদ আলী মিয়া সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচিত (এমসিএ) ছিলেন। আমার ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোবারক হোসেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। ১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদের সর্বকনিষ্ঠ এমপি এবং ১৯৮৬ বিপুল ভোটে নির্বাচিত এমপি ছিলেন। পরবর্তীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আবুল হাসনাত ১৯৮৯ সালে সোনারগাঁ আওয়ামী লীগের হাল ধরেন। তিনি সোনারগাঁ আওয়ামী লীগের সভাপতি হন ।

আরিফ মাসুদ বাবু বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় সাবেক এমপি কায়সার হাসনাত মাঠে নেমে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে সোনারগাঁয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলেন। জননেত্রী শেখ হাসিনাকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে সারা বাংলাদেশে আন্দোলনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

তিনি বলেন, সেই সময় আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশি নির্যাতনের স্বীকার হয়ে গ্রেফতার হন কায়সার হাসনাত। পরবর্তীতে যার পুরস্কার হিসাবে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে কায়সার হাসনাতের হাতে নৌকা তুলে দেন। ফলশ্রুতিতে সোনারগাঁয়ের ৩ বারের এমপি এবং মন্ত্রী বিএনপির রেজাউল করিমকে ৮৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে চমক সৃষ্টি করেন এবং সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি আরও বলেন, অত্যন্ত দুঃখের বিষয় ২০১৪ সালে এসে জাতীয় স্বার্থে জোটের কারণে কায়সায় হাসনাতকে মনোনয়ন না দিয়ে জাতীয় পার্টিকে এ আসন ছেড়ে দেওয়া হয়। আমরাও নেত্রীর সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে জোটকে স্বাগত জানালাম। পরবর্তীতে নেত্রী আমাদের মূল্যায়ন করে আমার আরেক ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোশারফ হোসেনকে উপজেলা নির্বাচনে নৌকা প্রতীক দেন। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করাকালীন গত বছর ইন্তেকাল করেন। পরবর্তীতে উপনির্বাচনে আমরা ভেবেছিলাম আমাদের পরিবারের হাতেই নৌকা প্রতীক দেবেন। কিন্তু সেই সময় নৌকা আমাদের না দিয়ে একজন সিনিয়র নেতাকে দিলেন, আমরা মেনে নিয়ে ওনাকে সমর্থন দিয়ে চেয়ারম্যান বানিয়ে দিলাম।

আরিফ মাসুদ বাবু বলেন, সর্বশেষ মোগরাপাড়া ইউনিয়ন যেটা আমাদের ৭০ বৎসরের ইতিহাস। মোগরাপাড়া ইউনিয়ন হলো সোনারগাঁ রাজনীতির রাজধানী। আওয়ামী রাজনীতির পুণ্যভূমি যার ধারক-বাহক হলো আমাদের এই পরিবার। এরই ধারাবাহিকতায় বিগত ১০ বছর যাবত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে জনগণের সেবা করে আসছিলাম।

তিনি বলেন, আমার বাবা সারাজীবন রাজনীতি করেছেন মানুষের জন্য, নিজের এবং পরিবারের জন্য কোনো কিছুই করেন নাই। ওনার একটাই লক্ষ্য ছিল সোনারগাঁয়ের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে শিক্ষিত করে গড়ে তুলে আদর্শ সোনারগাঁ বানানো। সেই স্বপ্ন নিয়েই গড়ে তোলে আজকের মোগরাপাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং একমাত্র ডিগ্রি কলেজ তথা বর্তমানে সোনারগাঁ সরকারি কলেজ। এই প্রতিষ্ঠান দুটি দাঁড় করানোর জন্যই জীবনের সমস্ত অর্জন ব্যয় করে গেছেন। দুই বছর এই ভয়াবহ করোনা মহামারিতে আমি এবং আমার পরিবার নেত্রীর নির্দেশে দিন-রাত পরিশ্রম করে জীবনের মায়া ত্যাগ করে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। এত স্বচ্ছ থেকে রাজনীতি করেও বিনিময়ে আজকে নৌকা প্রতীক থেকে বঞ্চিত হলাম।

আরিফ মাসুদ বাবু বলেন, যে পরিবারে তিন প্রজন্ম আওয়ামী লীগ মনোনীত এমপি; যা সারা বাংলাদেশে হাতে গুনলে এরকম ১০টি পরিবারও খুঁজে পাওয়া যাবে না, আজ সেই পরিবারটিকে সামান্য একটি ইউনিয়ন পরিষদে নৌকা থেকে বঞ্চিত হতে হলো, এর চেয়ে কষ্টের আর কী হতে পারে?

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে যে পরিবারটির উত্থান, বঙ্গবন্ধুর গড়া আওয়ামী লীগের স্বর্ণযুগে সেই পরিবারটির এমন করুণ পরিণতি, এমন অপমৃত্যু আমার কাছে মনে হয় আমিই ব্যর্থ। মনে হয়- আমার দলকে কিছুই দিতে পারি নাই, আওয়ামী লীগের জন্য কিছুই করতে পারি নাই। আমার জন্য আমার পরিবারের ৭০ বছরের সাফল্য অর্জন ম্লান হতে চলেছে। তাই আমার নেত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়ে সোনারগাঁয়ের সব নেতাকর্মীর কাছে ক্ষমা চেয়ে সর্বোপরি আমার পরিবারের পূর্বপুরুষ এবং বর্তমান প্রজন্মের সব সদস্যের কাছে ক্ষমা চেয়ে সব ব্যর্থতার দায়ভার নিয়ে সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

উল্লেখ্য, গত ১৩ মে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সভায় মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সোহাগ রনি।

মনোনয়ন না পেয়ে আ.লীগ নেতার পদত্যাগ

 সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৬ মে ২০২২, ০৮:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দলীয় নৌকা প্রতীক মনোনয়ন না পেয়ে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আরিফ মাসুদ বাবু। তিনি এবারো মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছিলেন।
 
সোমবার দুপুর ১টায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় অবস্থিত স্কাই লার্ক রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দল থেকে পদত্যাগ করার ঘোষণা দেন। তবে তিনি পদত্যাগপত্রে তার স্বাস্থ্যগত সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরিফ মাসুদ বাবু বলেন, আমার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম অ্যাডভোকেট সাজেদ আলী মিয়া সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচিত (এমসিএ) ছিলেন। আমার ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোবারক হোসেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও  সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। ১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদের সর্বকনিষ্ঠ এমপি এবং ১৯৮৬ বিপুল ভোটে নির্বাচিত এমপি ছিলেন। পরবর্তীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আবুল হাসনাত ১৯৮৯ সালে সোনারগাঁ আওয়ামী লীগের হাল ধরেন। তিনি সোনারগাঁ আওয়ামী লীগের সভাপতি হন । 

আরিফ মাসুদ বাবু বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় সাবেক এমপি কায়সার হাসনাত মাঠে নেমে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে সোনারগাঁয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলেন। জননেত্রী শেখ হাসিনাকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে সারা বাংলাদেশে আন্দোলনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

তিনি বলেন, সেই সময় আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশি নির্যাতনের স্বীকার হয়ে গ্রেফতার হন কায়সার হাসনাত। পরবর্তীতে যার পুরস্কার হিসাবে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে কায়সার হাসনাতের হাতে নৌকা তুলে দেন। ফলশ্রুতিতে সোনারগাঁয়ের ৩ বারের এমপি এবং মন্ত্রী বিএনপির রেজাউল করিমকে ৮৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে চমক সৃষ্টি করেন এবং সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি আরও বলেন, অত্যন্ত দুঃখের বিষয় ২০১৪ সালে এসে জাতীয় স্বার্থে জোটের কারণে কায়সায় হাসনাতকে মনোনয়ন না দিয়ে জাতীয় পার্টিকে এ আসন ছেড়ে দেওয়া হয়। আমরাও নেত্রীর সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে জোটকে স্বাগত জানালাম। পরবর্তীতে নেত্রী আমাদের মূল্যায়ন করে আমার আরেক ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোশারফ হোসেনকে উপজেলা নির্বাচনে নৌকা প্রতীক দেন। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করাকালীন গত বছর ইন্তেকাল করেন। পরবর্তীতে উপনির্বাচনে আমরা ভেবেছিলাম আমাদের পরিবারের হাতেই নৌকা প্রতীক দেবেন। কিন্তু সেই সময় নৌকা আমাদের না দিয়ে একজন সিনিয়র নেতাকে দিলেন, আমরা মেনে নিয়ে ওনাকে সমর্থন দিয়ে চেয়ারম্যান বানিয়ে দিলাম।

আরিফ মাসুদ বাবু বলেন, সর্বশেষ মোগরাপাড়া ইউনিয়ন যেটা আমাদের ৭০ বৎসরের ইতিহাস। মোগরাপাড়া ইউনিয়ন হলো সোনারগাঁ রাজনীতির রাজধানী। আওয়ামী রাজনীতির পুণ্যভূমি যার ধারক-বাহক হলো আমাদের এই পরিবার। এরই ধারাবাহিকতায় বিগত ১০ বছর যাবত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে জনগণের সেবা করে আসছিলাম।

তিনি বলেন, আমার বাবা সারাজীবন রাজনীতি করেছেন মানুষের জন্য, নিজের এবং পরিবারের জন্য কোনো কিছুই করেন নাই। ওনার একটাই লক্ষ্য ছিল সোনারগাঁয়ের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে শিক্ষিত করে গড়ে তুলে আদর্শ সোনারগাঁ বানানো। সেই স্বপ্ন নিয়েই গড়ে তোলে আজকের মোগরাপাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং একমাত্র ডিগ্রি কলেজ তথা বর্তমানে সোনারগাঁ সরকারি কলেজ। এই প্রতিষ্ঠান দুটি দাঁড় করানোর জন্যই জীবনের সমস্ত অর্জন ব্যয় করে গেছেন। দুই বছর এই ভয়াবহ করোনা মহামারিতে আমি এবং আমার পরিবার নেত্রীর নির্দেশে দিন-রাত পরিশ্রম করে জীবনের মায়া ত্যাগ করে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। এত স্বচ্ছ থেকে রাজনীতি করেও বিনিময়ে আজকে নৌকা প্রতীক থেকে বঞ্চিত হলাম।

আরিফ মাসুদ বাবু বলেন, যে পরিবারে তিন প্রজন্ম আওয়ামী লীগ মনোনীত এমপি; যা সারা বাংলাদেশে হাতে গুনলে এরকম ১০টি পরিবারও খুঁজে পাওয়া যাবে না, আজ সেই পরিবারটিকে সামান্য একটি ইউনিয়ন পরিষদে নৌকা থেকে বঞ্চিত হতে হলো, এর চেয়ে কষ্টের আর কী হতে পারে?

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে যে পরিবারটির উত্থান, বঙ্গবন্ধুর গড়া আওয়ামী লীগের স্বর্ণযুগে সেই পরিবারটির এমন করুণ পরিণতি, এমন অপমৃত্যু আমার কাছে মনে হয় আমিই ব্যর্থ। মনে হয়- আমার দলকে কিছুই দিতে পারি নাই, আওয়ামী লীগের জন্য কিছুই করতে পারি নাই। আমার জন্য আমার পরিবারের ৭০ বছরের সাফল্য অর্জন ম্লান হতে চলেছে। তাই আমার নেত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়ে সোনারগাঁয়ের সব নেতাকর্মীর কাছে ক্ষমা চেয়ে সর্বোপরি আমার পরিবারের পূর্বপুরুষ এবং বর্তমান প্রজন্মের সব সদস্যের কাছে ক্ষমা চেয়ে সব ব্যর্থতার দায়ভার নিয়ে সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

উল্লেখ্য, গত ১৩ মে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সভায় মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সোহাগ রনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন